প্রতিরোধ ফ্রন্টের ত্রিমুখী জবাবে কেঁপে উঠেছে ইসরাইল! হতভম্ব ও আতঙ্কিত তেলআবিব!
https://parstoday.ir/bn/news/west_asia-i121672-প্রতিরোধ_ফ্রন্টের_ত্রিমুখী_জবাবে_কেঁপে_উঠেছে_ইসরাইল!_হতভম্ব_ও_আতঙ্কিত_তেলআবিব!
মুসলমানদের প্রথম কিবলা তথা আল-আকসা মসজিদে ফিলিস্তিনি মুসল্লিদের ওপর ইসরাইলি হানাদার বাহিনীর সাম্প্রতিক নৃশংস হামলার জবাবে গাজা ও দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরাইলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে।
(last modified 2026-01-18T14:26:52+00:00 )
এপ্রিল ০৮, ২০২৩ ১৩:৫৮ Asia/Dhaka

মুসলমানদের প্রথম কিবলা তথা আল-আকসা মসজিদে ফিলিস্তিনি মুসল্লিদের ওপর ইসরাইলি হানাদার বাহিনীর সাম্প্রতিক নৃশংস হামলার জবাবে গাজা ও দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরাইলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে।

 এ ছাড়াও অধিকৃত ফিলিস্তিনে ইসরাইলিদের ওপর হামলার পৃথক তিনটি ঘটনায় অন্তত তিন ইসরাইলি নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। প্রতিরোধ যোদ্ধাদের এইসব সম্মিলিত প্রতিরোধ বা সমন্বিত পাল্টা হামলার ঘটনায় ইহুদিবাদী ইসরাইলের সন্ত্রাসী শাসকগোষ্ঠী বেশ হতভম্ব ও বিচলিত হয়ে পড়েছে। ইসরাইল এখন গাজা ও লেবাননের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে কিনা সে বিষয়ে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছে এবং এ নিয়ে নেতানিয়াহুর সরকারের মধ্যেই দ্বিধা-বিভক্তি দেখা দিয়েছে। ইসরাইলের ঘরোয়া রাজনৈতিক সংকট এবং ভঙ্গুর মন্ত্রীসভাই এই অচলাবস্থা সৃষ্টি করেছে দখলদার ও বর্ণবাদী এই শাসকগোষ্ঠীর জন্য। 

ইসরাইল গাজা ও দক্ষিণ লেবাননে সীমিত মাত্রায় কিছু হামলা চালিয়ে প্রতিরোধ ফ্রন্টের বিরুদ্ধে নমনীয় প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। ইসরাইলি যুদ্ধ-বিমান ও হেলিকপ্টারগুলো অতীতের মত আর সরাসরি গাজায় এসে হামলা চালানোর সাহস পায় না ফিলিস্তিনিদের বিমান-বিধ্বংসী প্রতিরোধ ব্যবস্থার কারণে। ইসরাইল কেবল দূর থেকে নির্দিষ্ট লক্ষ্যের দিকে গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র বা কামানের গোলা নিক্ষেপ করছে। 

এদিকে একই দিনে ইসরাইলিদের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনি সংগ্রামীদের তিনটি শাহাদাত-পিয়াসী হামলায় ইসরাইল হতভম্ব হয়ে পড়েছে। ইসরাইল হিজবুল্লাহর সঙ্গেও যুদ্ধ এড়িয়ে চলার চেষ্টা করছে। তাই ইসরাইল দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরাইলের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জন্য লেবানন সরকারকে দায়ি করেছে। 

ইসরাইল অধিকৃত পশ্চিম তীরে শুক্রবার সকালের গুলিবর্ষণের ঘটনাকে ‘বীরোচিত’ আখ্যায়িত করে এর প্রশংসা করেছে গাজা-ভিত্তিক ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস।

সংগঠনটি বলেছে, এ ঘটনায় প্রমাণিত হয়েছে, প্রতিরোধ শক্তি ইহুদিবাদী ইসরাইলের যেকোনো আগ্রাসনের তাৎক্ষণিক জবাব দেয়ার ক্ষমতা রাখে। হামাস আরও বলেছে, প্রতিরোধ অক্ষ ফিলিস্তিনি জনগণের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে বলে আল-আকসা মসজিদে হামলাকারীরা বিনা জবাবে পার পাবে না। তিনি আল-আকসা মসজিদকে ফিলিস্তিনিদের রেড লাইন বলে মন্তব্য করেন। হামাস নেতা ইসমাইল হানিয়াও বলেছেন, আমরা ইসরাইলকে কুদস শরিফের ইহুদিকরণ ও আল-আকসা মসজিদের বিভাজন ঘটানোর সুযোগ দেব না। 

বলদর্পি ইহুদিবাদী ইসরাইলও ভেতর থেকেই ক্রমেই বিপর্যস্ত হচ্ছে। ফলে ২০১৫ সালে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ির ঘোষিত সময়সীমা তথা ২৫ বছরের আগেই ইসরাইলের অবৈধ অস্তিত্ব বিলুপ্ত হতে পারে বলে সম্প্রতি তিনি উল্লেখ করেছেন। ইসরাইলের রাজনৈতিক সংকট ও বিক্ষোভের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেছেন:   ইসরাইল নিজেই তার পতনকে আরও কাছে নিয়ে আসছে! #

পার্সটুডে/এমএএইচ/০৮