-
ইরান হচ্ছে অন্ধকারাচ্ছন্ন পৃথিবীর ধ্রুবতারা: খন্দকার হাবিব
মে ২৫, ২০২২ ১৫:১২১৯৮৯ সালের ২৪শে জুলাই নৈশ্য অধিবেশনে কোরআন তেলাওয়াত ও বাংলায় তরজমা অনুষ্ঠানের মুগ্ধতায় অভিভুত হয়েই রেডিও তেহরান এর সঙ্গে আমার প্রথম সর্ম্পকের সূত্রপাত।বর্হিবিশ্ব প্রচার তরঙ্গের ১৬ টি বাংলা বিভাগের অনুষ্ঠান শ্রবণ ও মূল্যায়ন করে অনুষ্ঠান মালার বিভিন্ন দিক পর্যালোচনান্তে নি:সন্দেহে বলা যায় আইআরআইবি সত্যি ব্যতিক্রম এবং অন্যতম।
-
রেডিও তেহরানের অনুষ্ঠান শ্রোতাদের জীবনে এনেছে অনেক পরিবর্তন: কামাল হোসেন
মে ২২, ২০২২ ১৬:২০আস্সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। রেডিও তেহরান গৌরবময় ৪০ বছরে পদার্পন করতে যাচ্ছে। এটা যেকোন প্রতিষ্ঠানের জন্য গর্বের। এই দীর্ঘ সময় ধরে রেডিও তেহরান শ্রোতাদের জন্য প্রচার করে গেছে অনেক সময়োপযোগী অনুষ্ঠান। যা শ্রোতাদের জীবনে এনেছে অনেক পরিবর্তন। আমরা শুনেছি অনেক অজানা তথ্য। আমরা শুধু পেয়েছি, জেনেছি, জানতে পারছি, মুগ্ধ হয়েছি বা হচ্ছি।
-
বিশ্ব মানবতাকে সমুজ্জ্বল করেছে রেডিও তেহরান: হারুন অর রশীদ
মে ১১, ২০২২ ১৬:১৭বিশ্ব মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে, নিরাশার বুকে স্বপ্ন সোনালী আশা হয়ে, মজলুম ও পর্যুদস্ত মানুষের বন্ধু হয়ে আন্তর্জাতিক গণ মাধ্যমে ১৯৮২ সালের ১৭ এপ্রিল আত্নপ্রকাশ ঘটে এক বিপ্লবী গণমাধ্যমের। প্রতিষ্ঠিত হয় আইআরআইবি। সময়ের পরিক্রমায় কোটি শ্রোতাদের মন জয় করে বিশ্বব্যাপী সমাদৃত হয় স্বগৌরবে।
-
একজন গুণমুগ্ধ নিয়মিত শ্রোতা ছিলেন নানাজি: হামিম মণ্ডল
মে ১০, ২০২২ ১০:৫১সেই ছোটবেলা থেকেই আমাদের বাড়িতে রেডিও ছিল। তখন থেকেই আমার রেডিও শোনার অভ্যাস গড়ে ওঠে। আকাশবাণী কলকাতা, ঢাকা, খুলনা এইসব প্রচারতরঙ্গই কেবল শোনা হতো ঘুরে ফিরে। কিছু বছর পর বাড়িতে টিভি এলো।
-
রেডিও তেহরান নিরপেক্ষ গণমাধ্যম হিসেবে সর্বাধিক প্রিয়: হাকিম মিঞা
মে ০৮, ২০২২ ১১:৪২আমার বয়স যখন প্রায় ৩-৪ বছর তখন অর্থাৎ ১৯৮২ সালের ১৭ এপ্রিল রেডিও তেহরানের বাংলা অনুষ্ঠান সম্প্রচার শুরু হয়। আমি ৮০'র দশকের শেষদিক থেকে রেডিও তেহরানের বাংলা অনুষ্ঠান শর্টওয়েভ মিটার ব্যান্ডে শোনা শুরু করি। সে সময় অনুষ্ঠান শুনে হাতে লেখা চিঠিপত্র ডাকযোগে রেডিও তেহরানে পাঠাতাম। চিঠির জবাব রেডিওতে পেতাম এবং ডাকে আমার নিকট ইরান ভ্রমণ গাইড, নিউজ লেটারসহ বিভিন্ন জিনিস রেডিও তেহরানের পক্ষ থেকে আসতো। এতে আমার মনপ্রাণ আনন্দে ভরে উঠতো ও চিঠিপত্র লেখার আগ্রহ আরও বেড়ে যেতো।
-
রেডিও তেহরানে নেশাগ্রস্ত বাংলাভাষী মানুষ: তরুণ মৈত্র
মে ০৫, ২০২২ ১৩:১৯তুমি সৃষ্টি হয়েছো ১৯৮২ সালে। আজ তুমি কিশোর। যৌবন অতিক্রম করে চলেছো নব প্রাক বার্ধক্যের দিকে। চলার পথে কোথাও তোমার জরাজীর্ণ ভাবাবেগ পরিলক্ষিত হয় নি । চল্লিশ বছরে যেমন ছিলে, আজও তেমনিভাবে হাজার তারার মাঝে তুমি (রেডিও তেহরান) বাঙালীর হৃদয়ে অম্লান হয়ে আছো। যেন মনে হয় রেডিও তেহরানে নেশাগ্রস্ত বাংলাভাষী মানুষ ।
-
আমি এবং রেডিও তেহরান
এপ্রিল ২৫, ২০২২ ০৮:১৫১৯৯৫ সাল। আমি তখন অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র। বাড়িতে থাকা রেডিওটি আমার দখলে তখন। কেসিবো রেডিওটির বিশেষ বৈশিষ্ট্য ছিল- টিভি অনুষ্ঠান শোনা যেত। বিশেষ করে শীতের সময় শুক্রবারের রাতে বাড়ির বাইরে গিয়ে অন্যের বাড়িতে টিভি দেখা চরম অন্যায় হিসেবে ধরা হতো। তবে আলিফ লায়লা অনুষ্ঠানটির জন্য মনটা আনচান করতো। দুধের স্বাদ ঘোলে মেটাতে রেডিওতে শুনেই শান্ত থাকতে হতো।
-
রেডিও তেহরান আমার ইথার তরঙ্গের বন্ধু
এপ্রিল ২৪, ২০২২ ১৪:৫৬ছোট বেলায় পারিবারিক সূত্রে রেডিও শোনা আমার হাতে খড়ি। সৌখিন বাবার কাঠের বাক্সের মতো বড় আকারের একটি রেডিও ছিল। যত দূর মনে পড়ে, রেডিওটি মার্কনী যুগের ছিল। 'মেড ইন ইংল্যান্ড'। তখন আমরা রেডিওকে ট্রানডেস্টার বলতাম। আমাদের এলাকায় তৎসময়ে ট্রানডেস্টার বা রেডিও কারো ছিল না বললেই চলে। প্রতিদিন বিশেষ করে সন্ধ্যায় আমাদের বাড়িতে পাড়া পড়শীদের বেশ সমাগম হতো। উদ্দেশ্য ছিল ট্রানডেস্টারে গান, খবর ও নাটক শোনা। কোনো কোনো দিন যাত্রা পালাও শোনা হতো।
-
‘রমজান: আত্মশুদ্ধির মহোৎসব’ সম্পর্কে মতামত
এপ্রিল ২৩, ২০২২ ১০:২৪প্রিয় মহোদয়, আসসালামু আলাইকুম। আমার প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানবেন। আজ (২২/০৪/২০২২, শুক্রবার) রেডিও তেহরানের বাংলা বিভাগ থেকে প্রচারিত অনুষ্ঠানগুলো হল বিশ্বসংবাদ, দৃষ্টিপাত, রমজান: আত্মশুদ্ধির মহোৎসব ও আলাপন। অনুষ্ঠান শোনা শেষ করেই চিঠি লিখতে বসেছি। পরিকল্পনা ছিল সাক্ষাৎকারভিত্তিক অনুষ্ঠান আলাপন নিয়ে আজকের মতামত দেবো।
-
‘আমার স্মৃতিতে রেডিও তেহরান- পায়ে পায়ে চল্লিশ’
এপ্রিল ২৩, ২০২২ ০৮:৫৪আইআরআইবি ওয়ার্ল্ড সার্ভিস, বাংলা বিভাগ অর্থাৎ রেডিও তেহরান বাংলা’র ৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে সবাইকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও অকৃত্রিম প্রাণঢালা শুভেচ্ছা। ২০২২ সালের ১৭ এপ্রিল রেডিও তেহরান, আইআরআইবি বাংলা বিভাগ ৪০ বছর পূর্ণ করে ৪১-এ পা দিল। এ এক অনন্য নজীর। বিশ্বের মুষ্টিমেয় কয়েকটি বেতার এই নজীর সৃষ্টি করতে পেরেছে।