তুরস্কের প্রথম পরমাণু স্থাপনা নির্মাণ করবে রাশিয়া; আজ জমকালো অনুষ্ঠান
https://parstoday.ir/bn/news/west_asia-i55244-তুরস্কের_প্রথম_পরমাণু_স্থাপনা_নির্মাণ_করবে_রাশিয়া_আজ_জমকালো_অনুষ্ঠান
তুরস্কের প্রথম পরমাণু স্থাপনা ‘আকুইয়ু’ নির্মাণ করে দেবে রাশিয়া এবং এ উপলক্ষে আজ (মঙ্গলবার) জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে আংকারা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি হবে ভূমধ্যসাগর উপকূলীয় শহর মারসিনে।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
এপ্রিল ০৩, ২০১৮ ০৮:১২ Asia/Dhaka
  • তুরস্কের পরমাণু স্থাপনা আকুইয়ু\\\'র পরিকল্পিত কর্মচিত্র
    তুরস্কের পরমাণু স্থাপনা আকুইয়ু\\\'র পরিকল্পিত কর্মচিত্র

তুরস্কের প্রথম পরমাণু স্থাপনা ‘আকুইয়ু’ নির্মাণ করে দেবে রাশিয়া এবং এ উপলক্ষে আজ (মঙ্গলবার) জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে আংকারা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি হবে ভূমধ্যসাগর উপকূলীয় শহর মারসিনে।

আকুইয়ু পরমাণু স্থাপনাটি রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি সংস্থা রোজাটম নির্মাণ করবে। তুর্কি এ স্থাপনায় চারটি ইউনিট থাকবে এবং প্রতিটি ইউনিট ১,২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম হবে।

পরমাণু স্থাপনাটি নির্মাণ করতে মোট ব্যয় হবে দুই হাজার কোটি ডলার এবং প্রতিষ্ঠানটি বছরে আট হাজার ঘণ্টা কাজ করতে পারবে। পরমাণু স্থাপনাটি নির্মাণের বিষয়ে ২০১০ সালে রাশিয়ার সঙ্গে তুরস্কের চুক্তি হয়েছিল।

আল-জাজিরা টেলিভিশন জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে দুটি ইউনিটের কাজ শেষ করা হবে যা থেকে ২,৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে। পরবর্তীতে বাকি দুটি ইউনিটের কাজ শেষ করা হবে। স্থাপনাটি পুরোপুরি চালু হলে সেখান থেকে সাড়ে তিন হাজার কোটি কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে যা তুরস্কের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার শতকরা ১০ ভাগ। এই পরিমাণ বিদ্যুৎ লাগে শুধু ইস্তাম্বুল শহরেই।

পরমাণু স্থাপনাটি চালু করার জন্য প্রাথমিক সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৩ সাল এবং পূর্ণ মাত্রায় চালু হবে ২০২৫ সালে। স্থাপনাটি নির্মাণের জন্য পুরোপুরি কাজ শুরু হলে ১০ হাজার লোক নিয়োগ পাবে আর বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হলে সেখানে সাড়ে তিন হাজার ব্যক্তি চাকরির সুযোগ পাবে। এ স্থাপনায় কাজ করার জন্য তুরস্কের ২৪৮ জন ছাত্রকে রাশিয়ায় লেখাপড়া করানো হয়েছে। এর মধ্যে গত মাসে ৩৫ জন ছাত্র গ্রাজুয়েট হয়েছে যাদের লেখাপড়া শেষ করতে সময় লেগেছে সাড়ে ছয় বছর।#

পার্সটুডে/সিরাজুল ইসলাম/৩