কাতারে প্রথম করোনাভাইরাস রোগীর মৃত্যু; লকডাউনের মেয়াদ বাড়াল সৌদি এবং আমিরাত
কাতারে মরণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম কোনো ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। সৌদি আরব বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিমান চলাচল স্থগিত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত রাতে তার নাগরিকদের চলাচলের ওপর কারফিউ জারির মেয়াদ আরো বাড়িয়েছে।
সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গতকাল রোববার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সব ধরনের আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। এছাড়া করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধ করার জন্য সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মী উপস্থিতির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। আভ্যন্তরীণ বিমান উড্ডয়ন, ট্রেন,বাস এবং ট্যাক্সি চলাচল স্থগিত থাকবে বলেও বিবৃতিতে বলা হয়েছে।
অন্যদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত রাস্তা-ঘাটসহ সর্বজনীন স্থানগুলোকে জীবাণুমুক্ত করার জন্য তার নাগরিকদের চলাচলের ওপর রাত্রিকালীন কারফিউ জারি আগামী ৫ এপ্রিল পর্যন্ত বহাল থাকার ঘোষণা দিয়েছে। আমিরাতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ফরিদা আল হুসাইনি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, "আমরা আশার করছি এই সময়ের মধ্যে সব নাগরিক, অধিবাসী এবং পর্যটক বাসায় অবস্থান করবেন।"
গতকাল (শনিবার) সৌদি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশে করোনাভাইরে নতুন করে ৯৯ জন আক্রান্ত হয়েছে এবং একজন মারা গেছে। ফলে দেশে মোট মৃতের সংখ্যা ৪ জনে দাঁঁড়িয়েছে। এছাড়া, এদিন আরব আমিরাতে ৬৩ জন, ওমানে ২১ জন এবং কুয়েতে ১০ জন নতুন করে আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে।
পারস্য উপসাগরীয় দেশভুক্ত কাতারে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম যে ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে তিনি বাংলাদেশি নাগরিক বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়।মন্ত্রণালয় আরো জানিয়েছে , মারা যাওয়া বাংলাদেশির বয়স ৫৮ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন।
এদিকে গত শুক্রবার দেশটিতে নতুন আরও ২৮ জন কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। যার মাধ্যমে কাতারে এ রোগে আক্রান্তের সংখ্যা পাঁচশ ৯০ জনে দাঁড়িয়েছে।#
পার্সটুডে/এমবিএ/২৯
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।