গৌতা রাসায়নিক হামলায় ফ্রান্সের গোয়েন্দাদের হাত রয়েছে: সিরিয়া
-
ফাইল ফটো
জাতিসংঘে নিযুক্ত সিরিয়ার রাষ্ট্রদূত বাশার আল-জাফারি বলেছেন, তার দেশের গৌতা এলাকায় ২০১৩ সালে যে রাসায়নিক হামলা হয়েছিল তার পেছনে ফরাসি গোয়েন্দা সংস্থার হাত রয়েছে। আলেপ্পোয় উগ্র সন্ত্রাসীদের অন্য অপরাধ থেকে জাতিসংঘ অস্ত্র পরিদর্শকদের দৃষ্টি ভিন্ন দিকে নেয়ার জন্য এ হামলা চালানো হয়।
সোমবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের এক বৈঠকে বাশার জাফারি বলেন, জাতিসংঘ অস্ত্র পরিদর্শক ড. আকে সেলস্ট্রমকে আলেপ্পো যাওয়া থেকে বিরত রাখতে এ হামলা চালানো হয়। কারণ জাতিসংঘ অস্ত্র পরিদর্শক দলের প্রধান ড. সেলস্ট্রম আলেপ্পোয় গেলে তিনি জেনে যেতেন আসলে সেখানে কারা অপরাধ চালাচ্ছে। তবে সিরিয়ার প্রতিনিধির এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন ফরাসি দূত ফ্রাঁসোয়া দেলাত্রে।
২০১৩ সালের ২১ আগস্ট গৌতায় চালানো সারিন গ্যাসের হামলায় কয়েকশ মানুষ মারা যায়। এ ঘটনাকে জাতিসংঘ অস্ত্র পরিদর্শকরা হালাবজা হত্যাকাণ্ডের পর সবচেয়ে বড় রাসায়নিক হামলা বলে উল্লেখ করেন। ১৯৮৮ সালে ইরাকের সাবেক স্বৈরশাসক সাদ্দাম হালাবজায় রাসায়নিক হামলা চালিয়েছিলেন।
গৌতা হামলার পর সিরিয়ার সরকার-বিরোধীরা ও তাদের পশ্চিমা মিত্ররা একযোগে দাবি করতে থাকে- সিরিয়ার প্রসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের সরকার এ হামলা চালিয়েছে। তবে দামেস্ক জোরালোভাবে সে দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলেছিল, বিদেশিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য সিরিয়ার ভেতরে তৎপর সন্ত্রাসীরা এ হামলা চালিয়েছে। সিরিয়ার দাবি নিয়ে জাতিসংঘ ও রাশিয়া দুটি আলাদা তদন্ত চালায়। পরে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্রের মজুদ জাতিসংঘ ও রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ সংস্থার কাছে হস্তান্তর করা হয়।#