বাবর-৩ পরীক্ষার মধ্যদিয়ে কি ভারতের জন্য পরমাণু হুমকি বাড়ল?
-
পাকিস্তানের সাবমেরিন থেকে ছোঁড়া বাবর-৩ ক্ষেপণাস্ত্র
পাকিস্তানের বাবর-৩ ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার মধ্যদিয়ে ভারতের সঙ্গে বিরাজমান কৌশলগত হিসাবে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। এর মধ্যদিয়ে পাকিস্তানের পরমাণু অস্ত্র নিক্ষেপের ত্রিমুখী সক্ষমতা পরিপূর্ণতা পেয়েছে। ভূমি, আকাশ এবং সমুদ্র থেকে পরমাণু অস্ত্র ছোঁড়ার সক্ষমতা বোঝাতে ত্রিমুখী সক্ষমতা ব্যবহার করা হয়।
পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম বাবর-৩ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে এমন ধারণাই ব্যক্ত করেছেন অনেক সামরিক বিশ্লেষক; আর এতে ভারতের জন্য পাকিস্তানের পরমাণু বোমা আরো বেশি হুমকি হয়ে উঠল বলেও মত প্রকাশ করেছেন কেউ কেউ।
বাবর-৩ পরীক্ষার মাধ্যমে এ কথা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য বাবর-২ ক্ষেপণাস্ত্রকে রদবদল করার প্রযুক্তি পাকিস্তানের আছে। পাশাপাশি ডিজেল চালিত আগোস্টা সাবমেরিনের প্রয়োজনীয় রদবদল এবং সংস্কার করতে পেরেছে পাকিস্তান।
সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাগর তল থেকে পরমাণু অস্ত্রাবাহী ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়ার সক্ষমতা অর্জনে পাকিস্তানের জন্য এ পরিবর্তন অনিবার্যভাবেই প্রয়োজন ছিল। প্রযুক্তি এবং কারিগরি দিক বিবেচনায় নিয়ে অনেকেই একে পাক বিজ্ঞানী ও প্রযুক্তিবিদদের জন্য বড় ধরণের সাফল্য বলে মনে করছেন।
বাবর-৩ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা থেকে পাওয়া তথ্য-উপাত্ত পাকিস্তানের সাবমেরিন থেকে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়া বা এসএলসিএম উন্নয়নে সহায়তা করবে। পাকিস্তান ভবিষ্যতে বাবর-৩ ক্ষেপণাস্ত্রের আরো পরীক্ষা চালাবে বলে নিশ্চিত ধারণা ব্যক্ত করছেন বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, আগামী দিনগুলোতে এসএলসিএম’র পরমাণু বোমা বহন ক্ষমতা এবং আক্রমণের পাল্লা বাড়ানোর বিষয়কে অগ্রাধিকার দেবে পাকিস্তান।#
পার্সটুডে/মূসা রেজা/১৩