আফগানিস্তানে মার্কিন ব্যর্থতার দায় পাকিস্তান নিতে পারে না: পাক পররাষ্ট্রমন্ত্রী
https://parstoday.ir/bn/news/world-i65978-আফগানিস্তানে_মার্কিন_ব্যর্থতার_দায়_পাকিস্তান_নিতে_পারে_না_পাক_পররাষ্ট্রমন্ত্রী
পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কোরেশি সুস্পষ্ট করে বলেছেন, আফগানিস্তানে মার্কিন ব্যর্থতার দায় ইসলামাবাদ নিতে পারে না। রেডিও পাকিস্তানকে তিনি আজ (মঙ্গলবার) বলেন, আফগানিস্তানে সংহতি ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে বরং পাকিস্তান আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছে।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
নভেম্বর ২০, ২০১৮ ১৭:০২ Asia/Dhaka
  • পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কোরেশি
    পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কোরেশি

পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কোরেশি সুস্পষ্ট করে বলেছেন, আফগানিস্তানে মার্কিন ব্যর্থতার দায় ইসলামাবাদ নিতে পারে না। রেডিও পাকিস্তানকে তিনি আজ (মঙ্গলবার) বলেন, আফগানিস্তানে সংহতি ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে বরং পাকিস্তান আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছে।

মার্কিন টেলিভিশন চ্যানেল ফক্স নিউজ ও টুইটার পোস্টে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পাকিস্তানকে নিয়ে যে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন তার জবাব দিতে গিয়ে কোরেশি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, আমেরিকাসহ আন্তর্জাতিক সমাজ সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী যুদ্ধে পাকিস্তানের ভূমিকার কথা স্বীকার করেছে।

পাক পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পাকিস্তান যদি সমর্থন না দিত তাহলে আমেরিকা আফগানিস্তানে আরো বড় রকমের ক্ষতির স্বীকার হতো। তিনি বলেন, আমেরিকার সঙ্গে সুসম্পর্ক চায় পাকিস্তান তবে সে পথ অবশ্যই মসৃণ রাখতে হবে। পাকিস্তান নিজের স্বার্থ বিবেচনা করেই তার পররাষ্ট্র নীতি অনুসরণ করবে বলেও উল্লেখ করেন শাহ মেহমুদ কোরেশি।  

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

গত রোববার ফক্স নিউজ টেলিভিশন চ্যানেলকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “২০১১ সালে মার্কিন সেনারা বিন লাদেনকে পাকিস্তানের ভেতরে হত্যা করে তবে এর আগে তার অবস্থান সম্পর্কে পাক সরকার জানতো। বিন লাদেন পাকিস্তানের একটি সামরিক একাডেমির পাশে সুন্দর একটি বাড়িতে বসবাস করছিলেন এবং সবাই জানত যে, বিন লাদেন সেখানে থাকে।” এছাড়া, পাকিস্তানকে যে সামরিক খাতে অর্থ সহায়তা দেয়া বন্ধ করেছে মার্কিন সরকার তার পক্ষেও সাফাই গেয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

ট্রাম্পের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান টুইটার বার্তায় বলেছেন, “৯/১১ হামলায় কোনো পাকিস্তানি জড়িত না থাকা সত্ত্বেও ইসলামাবাদ আমেরিকার সন্ত্রাস-বিরোধী যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে। এই যুদ্ধে ৭৫ হাজার পাকিস্তানি নিহত হয়েছে এবং দেশটির আর্থিক ক্ষতি হয়েছে ১২৩ বিলিয়ন ডলার। অথচ আমেরিকা কথিত সাহায্য দিয়েছে মাত্র ২০ বিলিয়ন ডলার।”#

পার্সটুডে/এসআইবি/২০