ইরানি তেল বিক্রির প্রশ্নে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে যাচ্ছে আমেরিকা
-
খার্ক দ্বীপে ইরানের একটি তেলস্থাপনা
আমেরিকা শিগগিরি ঘোষণা করতে যাচ্ছে যে, সমস্ত আমদানিকারককে দ্রুত ইরান থেকে তেল কেনা বন্ধ করতে হবে, অন্যথায় মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হবে। মার্কিন দৈনিক ওয়াশিংটন পোস্ট এ খবর দিয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের দুজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে পত্রিকাটি জানিয়েছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও আজ (সোমবার) আরো পরে এ বিষয়ে ঘোষণা দেবেন। মাইক পম্পেও হচ্ছেন- ইরানের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ ও ইরানি তেল বিক্রি শূণ্যের কোঠায় নামিয়ে আনার নীতি গ্রহণের মূল কারিগর।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর ঐতিহাসিক পরমাণু চুক্তি থেকে আমেরিকাকে বের করে নেন এবং ইরানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। গত নভেম্বর মাসে আমেরিকা সে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার কথা বললেও ইরান থেকে তেল আমদানিকারক গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোকে ছাড় দেন। চীন, ভারত, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান, তুরস্ক, ইতালি ও গ্রিস এ সুবিধা পাচ্ছে। আগামী ২ মে ছাড়ের মেয়াদ শেষ হচ্ছে।
ইরানি তেল বিক্রি বন্ধ হলে বিশ্ববাজারে যাতে সংকট দেখা না দেয় সেজন্য শূণ্যতা পূরণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। তারপরেও আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে গেছে। বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলে ব্যারেলপ্রতি ৩.২ ভাগ দাম বেড়ে ৭৪.৩০ ডলারে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে আমেরিকার ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটে তেলের দাম ২.৯ ভাগ বেড়ে প্রতি ব্যারেল তেল বিক্রি হচ্ছে ৬৫.৮৭ ডলারে।#
পার্সটুডে/এসআইবি/২২