দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে বিশ্বকাপে টিকে রইল পাকিস্তান
https://parstoday.ir/bn/news/world-i71451-দক্ষিণ_আফ্রিকাকে_হারিয়ে_বিশ্বকাপে_টিকে_রইল_পাকিস্তান
ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের ৩০তম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৪৯ রানে হারিয়ে জয়ের ধারায় ফিরেছে পাকিস্তান। ছয় ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে সপ্তম স্থানে উঠে এসেছে তারা। সাত ম্যাচে মাত্র তিন পয়েন্ট নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা নেমে গেছে নবম স্থানে। সেইসাথে আফগানিস্তানের পর দ্বিতীয় দল হিসেবে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিশ্চিত হলো প্রোটিয়াদের।
(last modified 2026-05-09T13:18:37+00:00 )
জুন ২৩, ২০১৯ ১৯:৪৭ Asia/Dhaka
  • জয়ের পর পাকিস্তান
    জয়ের পর পাকিস্তান

ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের ৩০তম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৪৯ রানে হারিয়ে জয়ের ধারায় ফিরেছে পাকিস্তান। ছয় ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে সপ্তম স্থানে উঠে এসেছে তারা। সাত ম্যাচে মাত্র তিন পয়েন্ট নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা নেমে গেছে নবম স্থানে। সেইসাথে আফগানিস্তানের পর দ্বিতীয় দল হিসেবে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিশ্চিত হলো প্রোটিয়াদের।

লন্ডনের লর্ডসে টসে জিতে ব্যাটিং করে ৫০ ওভারে সাত উইকেটে ৩০৮ রান করে পাকিস্তান। জবাবে, ৯ উইকেটে ২৪৯ রানে থেমে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস।

৩০৯ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে প্রোটিয়া ওপেনার হাশিম আমলা ব্যক্তিগত ২ রানে বিদায় নেন। সেট হয়ে যাওয়া আরেক ওপেনার কুইন্টন ডি কক ৬০ বলে তিনটি চার আর দুটি ছক্কায় করেন ৪৭ রান। দলপতি ফাফ ডু প্লেসিস ৭৯ বলে পাঁচটি বাউন্ডারিতে করেন ৬৩ রান। এইডেন মার্কারাম ৭ রান করে ফেরেন সাজঘরে।

রানের চাকা সচল রাখেন ভ্যান ডার ডুসেন। ৪৭ বলে একটি করে চার-ছক্কায় ৩৬ রান করেন। ডেভিড মিলার ৩৭ বলে তিন বাউন্ডারিতে করেন ৩৬ রান। ক্রিস মরিস ১৬ রান করেন। কেগিসো রাবাদা ৩ রানে বিদায় নেন। লুঙ্গি এনগিধি ১ রান করে ৪৯তম ওভারে বিদায় নেন। আন্দেইল ফেলুকাওয়ো ৩২ বলে ৬টি চারের সাহায্যে ৪৬ রান করে অপরাজিত থাকেন। ইমরান তাহির ১ রানে অপরাজিত থাকেন।

শাদাব খান ১০ ওভারে ৫০ রানের বিনিময়ে তুলে নেন তিনটি উইকেট। ১০ ওভারে ৪৮ রান দিয়ে উইকেট পাননি ইমাদ ওয়াসিম। মোহাম্মদ হাফিজ ২ ওভারে ১১ রান দিয়ে কোনো উইকেট পাননি। ওয়াহাব রিয়াজ ১০ ওভারে ৪৬ রান দিয়ে তুলে নেন তিনটি উইকেট। শাহিন শাহ আফ্রিদি ৮ ওভারে ৫৪ রান খরচায় পান একটি উইকেট। মোহাম্মদ আমির ১০ ওভারে ৪৯ রান দিয়ে পান ২টি উইকেট।

এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে পাকিস্তানের দুই ওপেনার ইমাম উল হক আর ফখর জামান তুলে নেন ৮১ রান। দলীয় ১৫তম ওভারে ফখর জামান বিদায় নেন। দলকে ভালো একটা শুরু দিয়ে ফেরেন ৪৪ রান করে। তার ৫০ বলের ইনিংসে ছিল ৬টি চার আর একটি ছক্কার মার। আরেক ওপেনার ইমাম উল হক করেন ৪৪ রান। তার ৫৮ বলের ইনিংসে ছিল ছয়টি বাউন্ডারির মার। তিন নম্বরে নামা বাবর আজম রানের চাকা সচল রাখেন। চলতি বিশ্বকাপে ইনফর্মে থাকা এই পাকিস্তানি তারকা ৮০ বলে সাতটি বাউন্ডারিতে করে ৬৯ রান।

ম্যান অব দ্য ম্যাচ পুরস্কার পান হারিস সোহেল

মোহাম্মদ হাফিজ ৩৩ বলে এক ওভার বাউন্ডারিতে করেন ২০ রান। ২২৪ রানে টপঅর্ডারের চার ব্যাটসম্যান ফিরলেও শোয়েব মালিকের জায়গায় একাদশে সুযোগ পাওয়া হারিস সোহেল দারুণ ব্যাট করতে থাকেন। ইমাদ ওয়াসিম ১৫ বলে তিন বাউন্ডারিতে ২৩ রান করে বিদায় নেন। ওয়াহাব রিয়াজকে একটু উপরে ব্যাট করতে পাঠালেও ৪ রানের বেশি করতে পারেননি। ইনিংসের শেষ ওভারে হারিস সোহেল আউট হওয়ার আগে করেন ৮৯ রান। তার ৫৯ বলের ইনিংসে ছিল ৯টি চার আর তিনটি ছক্কার মার।

দক্ষিণ আফ্রিকার লুঙ্গি এনগিধি ৯ ওভারে ৬৪ রান দিয়ে তিনটি এবং লেগ স্পিনার ইমরান তাহির ১০ ওভারে ৪১ রান খরচায় তুলে নেন দুটি উইকেট। আন্দেইল ফেলুকাওয়ো ও এইডেন মার্কারাম একটি করে উইকেট লাভ করেন।

৫৯ বলে ৮৯ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে ম্যান অব দ্য ম্যাচ পুরস্কার পান হারিস সোহেল।#

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/২৩