আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন
আমাদের এখন আরও বিপদ, আমি চাই নতুন নেতৃত্ব আসুক: শেখ হাসিনা
সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা: আজ ২৪ ডিসেম্বর শনিবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি গাজী আবদুর রশীদ। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি।
বাংলাদেশের শিরোনাম :
- আমি চাই নতুন নেতৃত্ব আসুক: শেখ হাসিনা-যুগান্তর
- ডেইলি স্টারের শিরোনাম- আমাদের এখন আরও বিপদ: শেখ হাসিনা
- মতামত আওয়ামী লীগের কাউন্সিল: বিকল্পহীন শেখ হাসিনার পর কে?-প্রথম আলোবাংলাদেশকে বাঁচাতে হলে আওয়ামী লীগকে
- বাঁচাতে হবে: ওবায়দুল কাদের-বাংলাদেশ প্রতিদিন
- যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র শীতের ঝড়ের কবলে ২০ কোটি মানুষ, মৃত্যু ১২-ইত্তেফাক
- আওয়ামী লীগের সম্মেলনে জিএম কাদের ও কাদের সিদ্দিকী, যোগ দেয়নি বিএনপি -মানবজমিন
- ভোলায় বিএনপির গণমিছিলে পুলিশের বাধা -কালের কণ্ঠ
কোলকাতার শিরোনাম:
- ৩ হাজার কোটি বেআইনি ঋণ প্রদান! গ্রেপ্তার ICICI ব্যাংকের প্রাক্তন সিইও ছন্দা কোচর -সংবাদ প্রতিদিন
- বোসের বিরুদ্ধে ফোঁস শুভেন্দুর! রাজ্যপাল তৃণমূলের প্রতি ‘পক্ষপাতদুষ্ট’, নালিশ দিল্লির কাছে -আনন্দবাজার পত্রিকা
এবার বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিস্তারিত:
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আজ আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন হলো উৎসবমুখর পরিবেশে। এবারের সম্মেলনে ২০৪১ সালের মধ্যে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার প্রত্যয় তুলে ধরা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জীবন থাকতে দেশের স্বার্থ নষ্ট হতে দেব না। আওয়ামী লীগের ২২ তম জাতীয় সম্মেলনে তিন বলেছেন, আমি চাই নতুন নেতৃত্ব আসুক। তবে প্রথম আলোর মতামত কলামের একটি শিরোনাম করা হয়েছে এরকম, আওয়ামী লীগের কাউন্সিল: বিকল্পহীন শেখ হাসিনার পর কে?
এদিকে, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তির বিশ্বস্ত ঠিকানা হোক শেখ হাসিনা। আগুন সন্ত্রাসকে রুখতে ক্ষমতার মঞ্চে শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নেই। বাংলাদেশকে বাঁচাতে হলে আওয়ামী লীগকে বাঁচাতে হবে। শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় আনতে হবে। তিনি বলেন, ক্ষমতার মঞ্চে শেখ হাসিনার বিকল্প নেই। ওবায়দুল কাদের আরও বলেন,খেলা হবে আবারও, নির্বাচনে আন্দোলনে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সপরিবারে সাক্ষাৎ করেছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী। শুক্রবার সন্ধ্যায় গণভবনে এ সাক্ষাৎ হয়। এসময় কাদের সিদ্দিকীর স্ত্রী নাসরিন কাদের ও তাদের দুই মেয়ে উপস্থিত ছিলেন। বিষয়টি নানা বিশ্লষণ প্রথম আলোসহ বিভিন্ন পত্রিকায় এসেছে। এমন কথা বলা হচ্ছে- কাদের সিদ্দিকী কি আওয়ামী লীগে যোগ দিচ্ছেন?
অন্যদিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা এমরান সালেহ বলেছেন, আওয়ামী লীগের সম্মেলন নিয়ে বিএনপির কোনো আগ্রহ নেই। প্রথম আলোতে খবরটি পরিবেশিত হয়েছে। আর কালের কণ্ঠ লিখেছে, ভোলায় বিএনপির গণমিছিলে পুলিশ বাধা দিয়েছে। পরে সড়কে দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ গণমিছিল করেছে বিএনপির নেতাকর্মীরা।
পাকিস্তানের সহযোগিতায় বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে জিয়া: শেখ সেলিম-যুগান্তরের এ শিরোনামের খবরে লেখা হয়েছে, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও পাকিস্তান মিলে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। আওয়ামী লীগের এই প্রবীন নেতা বলেন, শুধু তাই নয়, বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচার বন্ধ করতে ইনডেমনিটি জারি করে জিয়া। এমনকি বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানাকে দেশে আসতে দেওয়া হয়নি।
মানবজমিনের মত-মতান্তর কলামে-কনসালটেন্ট সাইকিয়াট্রিস্ট, যুক্তরাজ্যের সাবেক পুলিশ সার্জন ডাঃ আলী জাহান লিখেছেন, বুয়েট ছাত্র ফারদিনের মৃত্যুতে খুন হলেন ক'জন?
বুয়েট ছাত্র ফারদিন নিখোঁজ হয় ৪ নভেম্বর। নারায়ণগঞ্জের একটি নদী থেকে তার লাশ উদ্ধার হয় ৭ নভেম্বর। মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) সকালে ময়নাতদন্ত শেষে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার শেখ ফরহাদ হোসেন বলেন 'ফারদিনের মাথায় ও বুকে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। আমরা ধারণা করছি, তাকে হত্যা করা হয়েছে।ব্যাপক 'তদন্ত' শেষে ডিবি পুলিশ এবং RAB বলছে, ফারদিন নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। পুলিশের কথা সত্য হলে সর্বপ্রথম কাউকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে যে ব্যক্তির নাম সবার আগে চলে আসবে তিনি হচ্ছেন আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ ফরহাদ হোসেন। কারণ তার বক্তব্য পুলিশ এবং RAB এর বক্তব্যের সাথে মিলছে না।একসঙ্গে দুই পক্ষ ঠিক হতে পারেন না। কেউ একজন ভুল করছেন। আসলে কে ভুল করছেন?
তবে পুলিশের এই বক্তব্যকে ফারদিনের বাবা প্রত্যাখ্যান করেছেন। বুয়েট ছাত্ররা ফারদিনের মৃত্যুর সঠিক তদন্তের দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি দিয়ে আসছিল। সেই কর্মসূচির মাঝেই ডিবি পুলিশের পক্ষ থেকে তাদেরকে ডিবি অফিসে ডাকা হয়। সেখানে বিভিন্ন তথ্য প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়। তথ্য প্রমাণ দেখে আন্দোলনরত ছাত্ররা পুলিশের সাথে একমত হয় যে, ফারদিন 'আত্মহত্যা' করেছে। নিহত ছাত্রের বাবা অবশ্য পুলিশের বক্তব্যের সাথে একমত নন।
৬. বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী নিখোঁজ, হত্যা বা আত্মহত্যার শিকার হয়েছে। খুব স্বাভাবিকভাবেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে অস্থিরতা এবং অসন্তোষ বিরাজ করছে। বিশেষ করে আবরারের মতো ছাত্রকে পিটিয়ে মেরে ফেলার ঘটনা ঘটার পর থেকে এই ভয় অন্য মাত্রা পেয়েছে। তাদের অনুভূতির সাথে আমি একমত। তবে ফারদিন হত্যায় যে মামলা হয়েছে সেই মামলায় বুয়েটের কোনো ছাত্র-ছাত্রী বাদী নন। এখন প্রশ্ন উঠতে পারে, আইনের কোন ধারায় ডিবি পুলিশ বুয়েটের একদল ছাত্রছাত্রীদের সাথে ডিবি অফিসে মামলার অতি গোপনীয় বিভিন্ন তথ্য প্রমাণ উপস্থাপন করে বৈঠক করতে পারেন।
অনেকেই যুক্তি উপস্থাপন করতে পারেন এই বলে যে, বুয়েটের মেধাবী শিক্ষার্থী ফারদিন হত্যাকাণ্ড/আত্মহত্যা সারা দেশকে নাড়া দিয়েছে। তাই পুলিশ কর্তৃপক্ষ বুয়েটের একদল ছাত্র-ছাত্রীদের ডেকে নিয়ে মিটিং করেছেন। তাতে তো দোষের কিছু নেই।
গত কয়েক বছরে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের হত্যা, আত্মহত্যা, নিখোঁজ বা গুমের শিকার হয়েছেন এমন ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা কয়েকশ হবে। পুলিশ কর্তৃপক্ষ কি হারিয়ে যাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এসব ছাত্র-ছাত্রীদের সহপাঠীদের বা শিক্ষকদের সাথে বৈঠক করে তদন্তের আপডেট দিয়েছেন বা দেবেন? কেন দেবেন না? আইনের দৃষ্টিতে বুয়েটের হতভাগা ছাত্র ফারদিন আর ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৩ সালে হারিয়ে যাওয়া দুই ছাত্র অলিউল্লাহ এবং আল মুকাদ্দাসের মধ্যে কোন পার্থক্য থাকার কথা নয়। অলিউল্লাহ এবং আল মুকাদ্দাসের সন্ধান চেয়ে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অনেক মানববন্ধন ও সভা-সমাবেশ করেছে। আইন সবার জন্য সমান হলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে কি পুলিশ কর্তৃপক্ষ কোনো বৈঠক করবেন বা করেছেন?
ফারদিনের মৃত্যুতে খুন হলো ক'জন?
শারীরিকভাবে মৃত্যু হয়েছে দু'জনের। বুয়েট শিক্ষার্থী ফারদিনের মৃত্যুর তদন্ত করতে গিয়ে মাদক বস্তি হিসেবে পরিচিত চনপাড়া বস্তির শাহীন র্যাবের সাথে গোলাগুলিতে ১০ নভেম্বর মারা যান। ক্রসফায়ারের এই ঘটনার কোনো তদন্ত হয়নি। তদন্ত হলেও তা মিডিয়ায় আসেনি। কিন্তু সে যে বন্দুকযুদ্ধে মারা গেছে তা পত্র-পত্রিকায় এসেছে। আপাতদৃষ্টিতে মনে হচ্ছে ফারদিনের মৃত্যুর সাথে এ হতভাগা শাহীনের কোন সম্পর্ক নেই। সম্পর্ক না থাকলেও পরিস্থিতির কারণে সে মারা পড়েছে।
সামাজিক/পারিবারিক/ আত্মিক মৃত্যু হলো কত জনের? প্রথম মৃত্যুটি হয়েছে ফারদিনের মা-বাবা এবং পরিবারের।
তদন্তের খুব প্রাথমিক পর্যায়ে পুলিশ ফারদিনের বান্ধবী বুশরাকে গ্রেফতার করে। শুধু গ্রেফতার করে পুলিশ থেমে থাকেনি। বুশরার ব্যক্তিগত এবং পারিবারিক বিস্তারিত পরিচয় পুলিশ এবং মিডিয়া প্রকাশ করেছে। ছবি প্রকাশ করা হয়েছে।
একজন সন্দেহভাজন আসামির পরিচয় প্রকাশ করে গুরুতর অপরাধ করেছে কে? এর বিচার করবে কে? মেয়েটিকে যেদিন গ্রেফতার করা হয়, সেদিনকার পত্রপত্রিকার কমেন্ট বক্সে সাধারণ মানুষের যে কমেন্ট এসেছে তা সবটুকুই তার বিরুদ্ধে চলে গেছে। মেয়েটির চরিত্র নিয়ে অশ্রাব্য ভাষায় গালাগালি করা লোকের সংখ্যা প্রচুর। ধরে নিতে পারি যে, বুশরার ব্যক্তিগত ও পারিবারিক পরিচয়ের মৃত্যু হয়েছে। এই মৃত্যুর জন্য কেউই দায়ী নন? এই খুনগুলো করল কারা?
ফারদিন কি আত্মহত্যা করেছে না তাকে মেরে ফেলা হয়েছে সে বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে অপারগ। কিন্তু মৃত্যুর পরেও যে তাকে কয়েকবার হত্যা করা হয়েছে সে ব্যাপারে আমার কোনো সন্দেহ নেই।
এবারে কোলকাতার কয়েকটি খবরের বিস্তারিত:
৩ হাজার কোটি বেআইনি ঋণ প্রদান! গ্রেপ্তার ICICI ব্যাংকের প্রাক্তন সিইও ছন্দা কোচর-সংবাদ প্রতিদিনের এ খবরে লেখা হয়েছে, অবৈধভাবে ৩ হাজার কোটি টাকার ঋণ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ। গ্রেপ্তার আইসিআইসিআই ব্যাংকের প্রাক্তন সিইও ছন্দা কোচর (Chanda Kochor)। ছন্দার স্বামী দীপক কোচরকেও গ্রেপ্তার করেছে সিবিআই।
গত বছর দুর্নীতি করে ভিডিওকন (Videocon) কর্তা বেণুগোপাল ধূতকে ঋণ পাইয়ে দেওয়ায় অভিযোগ উঠেছিল দেশের ‘মোস্ট সেলিব্রেটেড ব্যাংকারে’র বিরুদ্ধে। অভিযোগ, নিজের পদ ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিয়ম নীতি লঙ্ঘন করে ব্যক্তিগত সুবিধার বিনিময়ে ভিডিওকন সংস্থাকে বিপুল অঙ্কের ঋণ পাইয়ে দিয়েছেন ছন্দা। ওই ঋণ পাইয়ে দেওয়ায় ছন্দা এবং তাঁর পরিবারের অন্য সদস্যরা লাভবান হয়েছেন।
প্রাথমিকে বাতিল ৫৩ বেআইনি নিয়োগ, নির্দেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বড় সিদ্ধান্ত। ফের প্রাথমিক টেটের চাকরি বাতিল করলেন কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। শুক্রবার ৫৩ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দেন বিচারপতি। এক জনকে ১০ হাজার টাকা জরিমানাও করেন তিনি।
প্রাথমিক স্কুলে বেআইনি ভাবে চাকরি পেয়েছেন— এই অভিযোগে ২৬৯ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ আগেই দিয়েছিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। কিন্তু ওই নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। এদিন ৫৪ জন বরখাস্ত হওয়া প্রাথমিক শিক্ষক হলফনামা জমা দেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের সিঙ্গল বেঞ্চে। হলফনামা খতিয়ে দেখে প্রথম দফায় তাঁদেরই ৫৩ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। নিয়োগ বেআইনি নয়, এ কথা প্রমাণ করতে না পারলে আরও বেশ কয়েকজনের চাকরি বাতিল হওয়ার আশঙ্কা।
আনন্দবাজার পত্রিকার খবর-তিনি বাংলার রাজ্যপাল হয়েছেন এক মাস আগে, নভেম্বরের ২৩ তারিখে। এরই মধ্যে সেই রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসকে কার্যত তৃণমূলের প্রতি ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ বলে দিল্লির কাছে নালিশ জানাতে শুরু করল রাজ্য বিজেপি। আর তার পুরোধা বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলে বিজেপি সূত্রের খবর। তিনি বাংলার রাজ্যপাল হয়েছেন এক মাস আগে, নভেম্বরের ২৩ তারিখে। এরই মধ্যে সেই রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসকে কার্যত তৃণমূলের প্রতি ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ বলে দিল্লির কাছে নালিশ জানাতে শুরু করল রাজ্য বিজেপি। আর তার পুরোধা বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলে বিজেপি সূত্রের খবর। বোসের পূর্বসূরি জগদীপ ধনখড় সম্পর্কে ঠিক এই অভিযোগ তুলত শাসক তৃণমূল।#
পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/২৪