কথাবার্তা
বাংলাদেশ ও ভারতের পত্রপত্রিকার গুরুত্বপূর্ণ খবর
ক) সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা: আজ ২৫ জানুয়ারি বুধবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি বাবুল আখতার। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি।
বাংলাদেশের শিরোনাম :
- শুধু প্রয়োজনীয় প্রকল্প গ্রহণ করুন: প্রধানমন্ত্রী -যুগান্তর
- চালু হলো পল্লবী স্টেশন, ৭ মিনিটে পল্লবী টু আগারগাঁও-প্রথম আলো
- বিদ্যুৎ ও শিল্প উৎপাদন-গ্যাস কিনতে খরচ বাড়বে ২৭ হাজার কোটি টাকা-ইত্তেফাক
- আর্থিক সংকটে ইভিএম কেনা হচ্ছে না: ইসি সচিব -মানবজমিন
- ২০ ঋণখেলাপির কাছে পাওনা ১৯ হাজার কোটি টাকা -কালের কণ্ঠ
- পরীক্ষার হলে মোবাইল পেলেই বহিষ্কার, সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি জারি-বাংলাদেশ প্রতিদিন
কোলকাতার শিরোনাম:
- বিতর্কের মাঝেই বাড়ল আবাস যোজনা অনুমোদনের সময়সীমা, নবান্নকে চিঠি কেন্দ্রের -সংবাদ প্রতিদিন
- চিনা সেনার ‘সালামি স্লাইসিং’! পূর্ব লাদাখে ২৬টি পেট্রোলিং পয়েন্ট হাতছাড়া ভারতের?-আনন্দবাজার
- ‘দশম শ্রেণির ছাত্রীকে হেনস্থার প্রতিবাদ করায় বাবাকে খুন, শ্যামপুর কাণ্ডে গ্রেপ্তার ২ –আজকাল
খ) এবার বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিস্তারিত:
শুধু প্রয়োজনীয় প্রকল্প গ্রহণ করুন: প্রধানমন্ত্রী -যুগান্তর
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কোভিড-১৯ এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে সৃষ্ট অর্থনৈতিক মন্দায় সারা বিশ্ব এখন হিমশিম খাচ্ছে। অর্থনৈতিক মন্দার দেশ হিসাবে অনেক উন্নত দেশ নিজেদের ঘোষণা দিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, কোনো প্রকল্প নেওয়া হলে সেটা ওই এলাকার জন্য কতটুকু কার্যকর তা জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) বিবেচনা করতে হবে। এতে মানুষ কতটুকু লাভবান হবে এবং অপচয় কতটুকু বন্ধ করা যায়-সেদিকে আপনাদের নজরদারি থাকা উচিত।একটা জেলার দায়িত্ব আপনাদের ওপর থাকায় স্বাভাবিকভাবে এগুলো আপনারা দেখবেন। কারণ, শুধু পয়সা খরচের জন্য যত্রতত্র প্রকল্প গ্রহণ করা আমি পছন্দ করি না।
ক) ২০ ঋণখেলাপির কাছে পাওনা ১৯ হাজার কোটি টাকা -কালের কণ্ঠ
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সংসদে জানিয়েছেন, দেশে মোট ঋণখেলাপির সংখ্যা সাত লাখ ৮৬ হাজার ৬৫ জন। শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপির কাছে ১৯ হাজার কোটি টাকারও বেশি পাওনা রয়েছে। এর মধ্যে খেলাপি ঋণ হচ্ছে ১৬ হাজার ৫৮৭ কোটি ৯২ লাখ টাকা। এ ছাড়া অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, অর্থপাচারের কিছু সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারের আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশনে ঋণখেলাপি বিষয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করেন সরকারি দলের সংসদ সদস্য শহীদুজ্জামান সরকার। লিখিত জবাবে মন্ত্রী দেশের মোট ঋণখেলাপির সংখ্যা ও শীর্ষ ২০ জনের তালিকা তুলে ধরেছেন। ওই ২০ জনের মোট ঋণের পরিমাণ ১৯ হাজার ২৮৩ কোটি ৯৩ লাখ টাকা।
খ) বিদ্যুৎ ও শিল্প উৎপাদন-গ্যাস কিনতে খরচ বাড়বে ২৭ হাজার কোটি টাকা-ইত্তেফাক
দেশে বিদ্যুৎ ও শিল্প খাতের গ্যাসের দাম বৃদ্ধির কারণে উৎপাদনে রেকর্ড ব্যয় বাড়বে। গ্যাসের দাম নতুন করে বৃদ্ধির কারণে জ্বালানি গ্যাসের খরচ বাবদ বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো এবং শিল্প-কারখানাগুলোকে বাড়তি ২৭ হাজার ৩১৪ কোটি টাকা ব্যয় করতে হবে। জ্বালানি খরচ বাড়ায় ছোট, বড় এবং মাঝারি আকারের শিল্পে উৎপাদিত পণ্য ও সেবার সার্বিক দাম বাড়বে। সব মিলিয়ে উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির হার ও পরিমাণ বিবেচনায় নিয়ে পণ্যের দাম নির্ধারণে হিসাব কষছেন শিল্পমালিকরা। পেট্রোবাংলা এবং কয়েক জন ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলে এ চিত্র পাওয়া গেছে। দেশে গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাসের জোগান বাড়ানো এবং এ খাতে ভর্তুকি কমানোর উদ্দেশ্যে গত বুধবার বিদ্যুৎ, ক্যাপটিভ বিদ্যুৎ, শিল্প ও বাণিজ্য শ্রেণির গ্রাহকদের জন্য গ্যাসের দাম বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।
ক) পরীক্ষার হলে মোবাইল পেলেই বহিষ্কার, সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি জারি-বাংলাদেশ প্রতিদিন
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত কলেজগুলোর পরীক্ষার হলে মোবাইল নিয়ে প্রবেশ এবং ব্যবহার সংক্রান্ত অনিয়ম বিষয়ে সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বদরুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়েছে, পরীক্ষার হলে কোনও শিক্ষার্থীর কাছে মোবাইল পাওয়া গেলে তাকে বহিষ্কার করতে হবে। এছাড়া এই অপরাধের জন্য তার সংশ্লিষ্ট বছরের পরীক্ষা বাতিল হয়ে যাবে। এতে আরও বলা হয়, সম্প্রতি পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করা ও মোবাইল ফোন বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করে অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগ উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। এ বিষয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিধান অনুযায়ী পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন নেওয়া যাবে না।
খ) এবার ভারতের বিস্তারিত খবর তুলে ধরছি
চিনা সেনার ‘সালামি স্লাইসিং’! পূর্ব লাদাখে ২৬টি পেট্রোলিং পয়েন্ট হাতছাড়া ভারতের?-আনন্দবাজার
পূর্ব লাদাখে ৬৫টি নজরদারি কেন্দ্র (পেট্রোলিং পয়েন্ট বা পিপি)-এর মধ্যে ২৬টি ইতিমধ্যেই ভারতের হাতছাড়া হয়েছে! গবেষণাপত্রে উঠে এল এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য। গত সপ্তাহের দিল্লির বার্ষিক পুলিশ বৈঠকে এই গবেষণাপত্র জমা দেওয়া হয় বলে সংবাদমাধ্যম ‘দ্য হিন্দু’-র প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে। সেনা জওয়ানদের ‘অনিয়মিত’ টহলদারির কারণেই এই নজরদারি কেন্দ্রগুলি ভারতের হাতছাড়া হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।
গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, “বর্তমানে, কারাকোরাম পাস থেকে চুমুর পর্যন্ত ৬৫টি পিপি রয়েছে যেগুলিতে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর টহলদারি চলার কথা। কিন্তু ৬৫টি পিপি-র মধ্যে ২৬টি পিপি-তে নিরাপত্তা বাহিনীর কোনও নজরদারি না থাকার কারণে সেগুলি ভারতের হাতছাড়া হয়েছে। এই কেন্দ্রগুলিতে দীর্ঘ দিন ধরে ভারতীয় জওয়ান বা সাধারণ মানুষের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়নি, তাই এই অঞ্চলগুলি পিএলএ দখল নিয়েছে।’’ চিন এ ভাবে ইঞ্চি ইঞ্চি করে ভারতের জমি দখল করছে এবং পিএলএ-র এই কৌশল ‘সালামি স্লাইসিং’ নামে পরিচিত বলেও গবেষণাপত্রে উল্লেখ রয়েছে।
ক) দশম শ্রেণির ছাত্রীকে হেনস্থার প্রতিবাদ করায় বাবাকে খুন, শ্যামপুর কাণ্ডে গ্রেপ্তার ২ –আজকাল
দশম শ্রেণির ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির চেষ্টার প্রতিবাদ করায় বাবাকে পিটিয়ে খুন করে একদল যুবক। ইতিমধ্যেই তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। যাদের মধ্যে ২ জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। রবিবার সন্ধেয় হাওড়ার শ্যামপুরে ঘটনাটি ঘটে। দশম শ্রেণির ওই ছাত্রী সন্ধেবেলায় সাইকেল চালিয়ে টিউশন থেকে ফিরছিল। তখনই এলাকার তিন যুবক তার সাইকেল আটকে অভব্য আচরণ করা শুরু করে। শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে বলেও অভিযোগ উঠেছে। খবর পেয়ে এলাকায় পৌঁছন ছাত্রীর বাবা। ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করলে, ব্যক্তিকে বেধড়ক মারধর করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করানো হয়। স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটলে নিয়ে যাওয়া হয় উলুবেড়িয়া মহকুমা হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসা চলাকালীন মৃত্যু হয় ব্যক্তির। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই মামলা দায়ের করা হয়েছে। খুন এবং পকসো আইন-সহ একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে পরিবারের তরফে। ধৃতদের বুধবার আদালতে পেশ করা হবে।#
পার্সটুডে/বাবুল আখতার /২৫
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।