সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৭ ১০:০৭ Asia/Dhaka

প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ১৮ সেপ্টেম্বর সোমবারের কথাবার্তার আসরে আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। শুরুতেই ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম:

বাংলাদেশের শিরোনাম:

  • সুচির জন্য শেষ সুযোগ, অন্যথায় কঠিন পরিণতি- দৈনিক মানবজমিন
  • জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী: রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোই একমাত্র সমাধান- দৈনিক যুগান্তর
  • রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ নৈতিক সাফল্য অর্জন করেছে: রুশনারা আলী- দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন
  • খাদ্যের অভাবে প্রাণহানি ঘটতে পারে রোহিঙ্গাদের- দৈনিক প্রথম আলো
  • মাইকে ঘোষণা দিয়ে পোড়ানো হচ্ছে গ্রাম- দৈনিক সমকাল
  • দুর্ভোগ পিছু ছাড়ছে না রোহিঙ্গাদের: প্রবল বৃষ্টিতে অনেক অস্থায়ী ক্যাম্প ভেসে গেছে- দৈনিক নয়াদিগন্ত
  • ৫ অক্টোবর হাজির না হলে: খালেদা জিয়াকে গ্রেফতারি পরোয়ানা- দৈনিক ইনকিলাবের ব্যানার শিরোনাম
  • চালের অবৈধ মজুতদারদের ধরতে দেশজুড়ে অভিযান- দৈনিক ইত্তেফাক

ভারতের শিরোনাম:

  • কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে পাকিস্তানের দৌড় জানা আছে: ভারত- দৈনিক বর্তমান
  • নর্মদার ‘স্পর্শে’ দেশের ভাগ্য বদলাবে: মোদী- দৈনিক আনন্দবাজার
  • হিন্দু নন, তাই মন্দিরে ঢোকার অনুমতি নেই এই কিংবদন্তি শিল্পীরও- দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
  • ডাক্তারের বাড়িতে আয়কর, উদ্ধার নগদ ৩.৫ কোটি- দৈনিক আজকাল

প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ-

সুচির জন্য শেষ সুযোগ, অন্যথায় কঠিন পরিণতি- দৈনিক মানবজমিন

অং সান সুচির জন্য শেষ সুযোগ। তিনি এই সুযোগকে ব্যবহার করে সেনাবাহিনীর চালানো বর্বরতা বন্ধ করতে পারেন। সুচি যদি এখন তা বন্ধে পদক্ষেপ না নেন তাহলে এই ট্র্যাজেডির পরিণতি হবে ভয়াবহ। মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর চালানো রাষ্ট্রীয় নৃশংসতার জবাবে এ মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরাঁ। এর আগে কয়েক দফা তিনি রোহিঙ্গাদের ওপর চালানো নৃশংসতার নিন্দা জানান। আহ্বান জানান সহিংসতা বন্ধে পদক্ষেপ নিতে। কিন্তু কারো কোনো কথায়ই কর্ণপাত করছে না মিয়ানমার সরকার।

তার প্রেক্ষিতে অ্যান্তনিও গুতেরাঁর মুখোমুখি হয় বিবিসি। তাদেরকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে মিয়ানমার সরকারকে হুঁশিয়ার করে দিলেন গুতেরাঁ। সতর্ক করে দিলেন অং সান সুচিকে। জানিয়ে দিলেন, সহিংসতা বন্ধে পদক্ষেপ না নিলে পরিণতি হবে ভয়াবহ। তবে সেই ভয়াবহ পরিণতি কি ধরনের হবে সে বিষয়ে বিস্তারিত বলেন নি তিনি।

জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী: রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোই একমাত্র সমাধান- দৈনিক যুগান্তর

'রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোই একমাত্র সমাধান। জাতিসংঘের চলতি অধিবেশনে এদের ফেরত পাঠানোসহ রোহিঙ্গা সংকটই আলোচনায় প্রাধান্য পাবে।' রোববার ঢাকায় নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী রবার্ট ওয়াটকিন্স সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব তথ্য দেন।

জাতিসংঘের চলতি অধিবেশনের মধ্য দিয়ে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আরও সঠিক ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত আসবে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। অপরদিকে, কমনওয়েলথ মহাসচিব পেট্রিসিয়া স্কটল্যান্ড বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেয়ায় বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। সুইজারল্যান্ড রোহিঙ্গাদের জন্য জরুরি সহায়তা ঘোষণা করেছে।

রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের সঙ্গে এক বৈঠক করেন ঢাকায় নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী রবার্ট ওয়াটকিন্স। বৈঠক শেষে রবার্ট ওয়াটকিন্স সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, বৈঠকে রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। আমরা জেনেছি, ২৫ আগস্টের ঘটনার পর থেকে এ পর্যন্ত ৪ লাখ ১৯ হাজার রোহিঙ্গা এসেছে। তাদের মানবিকভাবে সাহায্যের জন্য আমরা আলোচনা করেছি।

রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ নৈতিক সাফল্য অর্জন করেছে: রুশনারা আলী- দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন

বাংলাদেশে সফররত যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ বিষয়ক বাণিজ্য দূত রুশনারা আলী এমপি বলেছেন, সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা সম্প্রদায়কে বাংলাদেশে আশ্রয় ও বেসরকারি সংস্থাসমূহকে প্রবেশ করতে দিয়ে বাংলাদেশ নৈতিক সাফল্য অর্জন করেছে।

রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, সফররত ব্রিটিশ বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের নেতা রুশনারা আলী পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের সঙ্গে বৈঠককালে এ কথা বলেন। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমার সশস্ত্রবাহিনীর সহিংসতার কারণে সৃষ্ট মানবিক সংকটের কথা তুলে ধরে রুশনারা আলী বলেন, সংখ্যালঘু জাতিসত্ত্বার জনগণের ওপর মিয়ানমার সরকারের এই আচরণ কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

এই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাজ্য থেকে অবশ্যই বাংলাদেশে সাহায্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি আশ্বাস দেন। শক্তিশালী অবকাঠামোসহ রেলওয়ে সেক্টরের উন্নয়নেও বিনিয়োগ করার জন্য তিনি ও তার প্রতিনিধিদল আগ্রহ প্রকাশ করেন।

খাদ্যের অভাবে প্রাণহানি ঘটতে পারে রোহিঙ্গাদের- দৈনিক প্রথম আলো

আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা সেভ দ্য চিলড্রেন সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা শরণার্থীর মৌলিক প্রয়োজন মেটানো সম্ভব হচ্ছে না। আর এভাবে চলতে থাকলে পরিস্থিতি ক্রমেই আরও খারাপের দিকে যাবে এবং প্রাণহানির ঘটনা ঘটবে। রোববার এক বিবৃতিতে এ কথা জানায় সংস্থাটি।

বিবৃতিতে বলা হয়, মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের মধ্যে ১ হাজার ১০০ জনের বেশি শিশু এসেছে বিচ্ছিন্ন বা নিঃসঙ্গ অবস্থায়। বাংলাদেশে পালানোর সময় এদের কেউ কেউ পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এদের অনেকেই বৃষ্টিতে ভিজে ও কাঁদা মাড়িয়ে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়েছে। আর কেউ কেউ সহিংসতায় মা-বাবা খুন হওয়ায় এতিম হয়ে পড়েছে।

আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা সেভ দ্য চিলড্রেনের বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্ক পিয়ের্স বলেন, ‘বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গাদের কষ্ট ও দুর্দশার ভেতরে আরেক মারাত্মক সমস্যা হলো শিশুদের নিরাপত্তাসংকট। আমরা দেখছি, অনেক শিশু একা এখানে পৌঁছেছে। তাদের জরুরি ভিত্তিতে সাহায্য প্রয়োজন।’

মাইকে ঘোষণা দিয়ে পোড়ানো হচ্ছে গ্রাম- দৈনিক সমকাল

পেছনে পড়ে আছে স্বজন হারানোর দুঃসহ বেদনা। সুখের সংসার ধুলোমাটিতে মিশে যাওয়া হাজার হাজার রোহিঙ্গা প্রাণে বাঁচতে মিয়ানমার সীমান্তের নাইক্ষ্যংদিয়ায় আশ্রয় নিয়েছে। গতকাল রোববার ওপার থেকে রোহিঙ্গা আনার কাজে যুক্ত মাঝি এবং গতকালই আসা রোহিঙ্গাদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, অন্তত অর্ধলাখ মানুষ এপারে আসার জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছে। নৌকায় পারাপারের মতো টাকাপয়সা সঙ্গে না থাকায় সেখানে অনাহারে-অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছে তারা। এই যখন পরিস্থিতি, তখনও মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা নির্মূল অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অবশিষ্ট রোহিঙ্গাদেরও বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করছে সে দেশের সেনাবাহিনী।

আন্তর্জাতিক মহলের অব্যাহত চাপ সত্ত্বেও রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যা এবং তাদের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘটনা থামেনি। গতকালও শাহপরীর দ্বীপ থেকে ধোঁয়া দেখা গেছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশ ত্যাগ না করলে গুলি করে মারা হবে- এ ঘোষণা দিয়ে রাখাইন রাজ্যের গ্রামে মাইকিং করা হচ্ছে বলে জানালেন আগত শরণার্থীরা। কোথাও কোথাও ২৪ ঘণ্টা অতিবাহিত হওয়ার আগেই বাড়িঘরে আগুন দেওয়া হচ্ছে। প্রতিদিন নতুন নতুন এলাকায় রোহিঙ্গাদের গ্রাম পোড়ানো হচ্ছে। ফলে এত দিন মাটিকামড়ে ছিল যে রোহিঙ্গারা, এখন তারাও দলে দলে বাংলাদেশে পালিয়ে আসছে।

দুর্ভোগ পিছু ছাড়ছে না রোহিঙ্গাদের: প্রবল বৃষ্টিতে অনেক অস্থায়ী ক্যাম্প ভেসে গেছে- দৈনিক নয়াদিগন্ত

কষ্টের সীমা নেই রোহিঙ্গা শরণার্থীদের। দুর্ভোগ তাদের পিছু ছাড়ছে না। স্বজন ও সহায়-সম্বলহীন হয়ে আশ্রয় নিতে এসেছেন বাংলাদেশে। বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ী আশ্রয়স্থল বানিয়ে সেখানে পরিবার-পরিজন নিয়ে কোনোমতে মাথা গুঁজে আছেন। গত শনিবার রাত থেকে প্রবল বৃষ্টিতে সেই আশ্রয়ও তাদের ভেসে গেছে। পাহাড়ি ঢলে কোনো কোনো এলাকায় রাতভর বুক পানির মধ্যে দাঁড়িয়ে কাটাতে হয়েছে তাদের। এতে অনেকেই গতকাল অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ দিকে বিভিন্ন এলাকায় গতকালও বিশৃঙ্খলভাবে ত্রাণ বিতরণ করতে দেখা গেছে। যারা ত্রাণ নিয়ে যাচ্ছেন তারাও নানা ঝামেলার সম্মুখীন হচ্ছেন। এমনকি গতকাল কয়েকটি স্থানে ত্রাণ লুটপাটের চেষ্টাও হয়েছে।

শরণার্থী শিবিরগুলো থেকে বলা হয়েছে, পুরনো রোহিঙ্গারা এখন লুটপাটে নেমেছে। তারা ত্রাণবাহী গাড়ি আটকে ত্রাণ কেড়ে নিচ্ছে। এর সাথে স্থানীয় কিছু দুর্বৃত্ত হাত মিলিয়েছে। এ দিকে কিছু কিছু এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পরিচয়দানকারী অজ্ঞাত লোকেরা রোহিঙ্গাদের ওপর আক্রমণ করছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। কোনো কোনো এলাকার শরণার্থীরা দিনে এক বেলা খাবারও পাচ্ছেন না। প্রধান সড়কের আশপাশে যারা তারাই কেবল ত্রাণ পাচ্ছেন। আবার কোনো কোনো এলাকায় রোহিঙ্গাদের মধ্যে দায়িত্বরত মাঝির (নেতা) বিরুদ্ধে ত্রাণ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

৫ অক্টোবর হাজির না হলে: খালেদা জিয়াকে গ্রেফতারি পরোয়ানা- দৈনিক ইনকিলাবের ব্যানার শিরোনাম

স্বাধীনতাবিরোধীদের গাড়িতে জাতীয় পতাকা তুলে দিয়ে দেশের মানচিত্র এবং জাতীয় পতাকার মানহানি করার অভিযোগে এক মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছে ঢাকার একটি আদালত। আগামী ৫ অক্টোবর হাজির না হলে ওই দিন আদালতে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার বিষয়ে আদেশ দেয়া হবে। গতকাল রবিবার ঢাকা মহানগর হাকিম নুর নবী এই আদেশ দেন। গত বৃহস্পতিবার খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করার আবেদন করা হয়। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৩ নভেম্বর সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও তার স্ত্রী খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগে এই মামলা করেন জননেত্রী পরিষদ নামের একটি সংগঠনের সভাপতি এ বি সিদ্দিকী। ঢাকা মহানগর হাকিম রায়হানুল ইসলাম সেদিন বাদীর আর্জি শুনে তেজগাঁও থানা পুলিশকে ঘটনার তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের আদেশ দেন।

চালের অবৈধ মজুতদারদের ধরতে দেশজুড়ে অভিযান- দৈনিক ইত্তেফাক

অবৈধভাবে চাল মজুতদারদের ধরতে সারাদেশে সব চালের গুদামে অভিযান চালানো হবে। অতিরিক্ত মজুত রাখলে মিল মালিকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। রবিবার সচিবালয়ে বাংলাদেশ অটো রাইস মিল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, অবৈধ মজুতদারদের ধরতে সব চালের গুদামে অভিযান চালানো হবে। অতিরিক্ত মজুদ রাখলে মিল মালিকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। তারা সিন্ডিকেট করে বাজারে চাল সংকটের গুজব ছড়িয়েছে। সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে ষড়যন্ত্র করছে।  

বাণিজ্যমন্ত্রী বৈঠকে তাত্ক্ষণিকভাবে অবৈধভাবে চাল মজুতের অভিযোগে বাংলাদেশ রাইস মিল অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ এবং সাধারণ সম্পাদক লায়েক আলীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন। তিনি সংশ্লিষ্ট জেলার ডিসি-এসপিদের এ নির্দেশ দেন। বৈঠকে খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।  সম্প্রতি খাদ্যমন্ত্রীও এক সংবাদ সম্মেলনে চালের বাজারে অস্থিরতার পেছনে অবৈধ মজুতদার, আড়তদার, মিল মালিকদের সিন্ডিকেটকে দায়ী করে বলেছেন, চালের দাম ৭০ থেকে ৮০ টাকা হয়ে যাবে। এটা হওয়ার কোনো কারণ থাকতে পারে না। চাল নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ও ভীতি সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে।

এবারে কোলকাতার বাংলা দৈনিকগুলোর বিস্তারিত খবর

কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে পাকিস্তানের দৌড় জানা আছে: ভারত- দৈনিক বর্তমান

I

আজ, সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের সভা। আন্তর্জাতিক মঞ্চে পাকিস্তান যে কাশ্মীর ইস্যু তুলবে, তা আগেই পরিষ্কার করে দিয়েছিল সেদেশের বিদেশ মন্ত্রক। আর সম্মেলন শুরুর ঠিক আগেই ইসলামাবাদকে নিশানা করে মোক্ষম খোঁচা দিল নয়াদিল্লি। জানিয়ে দিল, ‘মিঞার দৌড় মসজিদ পর্যন্তই’। যার অর্থ, নির্দিষ্ট লক্ষ্যের বাইরে চিন্তাই করতে পারে না পাকিস্তান। তাদের পিছিয়ে পড়া তথা সেকেলে চিন্তাধারার বলেও কটাক্ষ করেছেন রাষ্ট্রসংঘে নিযুক্ত ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি সৈয়দ আকবরুদ্দিন।

নিউ ইয়র্কে চলতি মাসের শেষে বসছে রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ ৭২তম সভার আসর। আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর সেখানে ভাষণ দেবেন বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। সেজন্য রবিবারই মার্কিন মুলুকে পৌঁছে গিয়েছেন তিনি। সাধারণ সভায় ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবেন সুষমাই। অন্যদিকে, পাকিস্তানের হয়ে সেখানে ভাষণ দেবেন সেদেশের নয়া প্রধানমন্ত্রী শাহিদ খাকান আব্বাসি।

নর্মদার ‘স্পর্শে’ দেশের ভাগ্য বদলাবে: মোদী- দৈনিক আনন্দবাজার

গুজরাত-সহ দেশের বিভিন্ন রাজ্যে সর্দার সরোবর বাঁধ নিয়ে তৈরি হওয়া ক্ষোভকে আড়াল করতে আজ কার্যত এক রাজসূয় আড়ম্বরের আয়োজন করলেন নরেন্দ্র মোদী। সেই সঙ্গে বুঝিয়ে দিলেন, আসন্ন নির্বাচনী প্রচারে নর্মদার সজল স্বপ্নকে যৎপরোনাস্তি বিপণন করতে চলেছে তাঁর দল।

সকালে নর্মদা পূজন থেকে দুপুরে লাখো মানুষকে ‘নর্মদে সর্বদে’ গর্জনে সামিল করা— সবই এগিয়েছে সেই চিত্রনাট্য মেনে। আর একই সময়ে প্রতিবেশী রাজ্য মধ্যপ্রদেশে বড়ওয়ানি জেলায় মেধা পাটকর-সহ নর্মদা বাঁচাও আন্দোলনের কর্মীরা জলে দাঁড়িয়ে জল-সত্যাগ্রহ চালিয়ে গিয়েছেন। দীর্ঘক্ষণ জলে থাকায় তাঁদের ত্বক ফেটে রক্ত পড়ছে।

হিন্দু নন, তাই মন্দিরে ঢোকার অনুমতি নেই এই কিংবদন্তি শিল্পীরও- দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন

দক্ষিণ ভারতে তাঁর গাওয়া ভক্তিগীতির জনপ্রিয়তা আকাশছোঁয়া। কেরলের একটি মন্দিরে নিয়মিত তাঁর ভক্তিগীতি বাজানো হয়। কিন্তু, তাতে কী! শিল্পী যে হিন্দু নন। তাই সেই মন্দিরে ঢোকার অনুমতি নেই। তাই এবার তিরুঅনন্তপুরমের পদ্মানাভাস্বামী মন্দির ঢোকার জন্য অনুমতি চাইলেন সংগীত শিল্পী জেসুদাস। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর, বিজয়া দশমীর দিন,  মন্দিরে ঢোকার অনুমতি চেয়ে মন্দির কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছেন তিনি। আগামী সোমবার মন্দিরের কার্যকরী কমিটি বৈঠকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে জানিয়েছেন পদ্মানাভাস্বামী মন্দিরের এগজিকিউটিভ অফিসার ভি রথসেন।

কেরলের শরবীমালা মন্দির ও কর্নাটকের কোল্লুর মোকাম্বিকা মন্দিরে নিয়মিতই যান জেসুদাস। কেরলের গুরুভায়ুর শহরের একটি মন্দিরে তো আবার তাঁর গাওয়া ভক্তিগীত বাজিয়ে শ্রীকৃষ্ণের ঘুম ভাঙানো হয়। কিন্তু, এখনও পর্যন্ত সেই মন্দিরে জেসুদাসকে ঢোকার অনুমতি দেয়নি মন্দির কর্তৃপক্ষ। কারণ, শিল্পী হিন্দু নন, তিনি খ্রিস্টান।

ডাক্তারের বাড়িতে আয়কর, উদ্ধার নগদ ৩.৫ কোটি- দৈনিক আজকাল

স্ত্রীরোগ–বিশেষজ্ঞ বাণীকুমার মিত্রের বাড়ি এবং চেম্বারে আয়কর তল্লাশি। টানা দু’‌দিন ধরে তল্লাশি চলছে। শনিবার দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এই বিশিষ্ট চিকিৎসককে। শুক্রবার ৭ জনের একটি দল আচমকাই তাঁর বেহালার বকুলতলার বাড়ি এবং দু’‌টি চেম্বারে হাজির হয়। শুরু হয় তল্লাশি। সারা রাত চলে অভিযান। শনিবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। আয়কর আফিসারদের হাতে এসেছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি। তল্লাশিতে বিপুল সম্পত্তির হদিশও মিলেছে বলে সূত্রের খবর। আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন সম্পত্তির অভিযোগেই তল্লাশির সিদ্ধান্ত। জানা গিয়েছে, ৪ ট্রাঙ্কভর্তি বিপুল টাকা বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে যান আফিসারেরা। যার পরিমাণ নাকি পুরনো ও নতুন নোটে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা। এই বিষয়ে চিকিৎসক কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! আবারও আমরা কথাবার্তার আসর নিয়ে হাজির হবো আগামীকাল। ততক্ষণ পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন।#

পার্সটুডে/মুজাহিদুল ইসলাম/১৮