‘সমাবেশের অনুমতি দেয়ায় প্রমাণ হয়েছে আওয়ামী লীগ কতটা গণতান্ত্রিক’
প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ১০ নভেম্বর শুক্রবারের কথাবার্তার আসরে আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। শুরুতেই ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম।
বাংলাদেশের শিরোনাম:
- গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে ১০ নভেম্বর অবিস্মরণীয় দিন : প্রধানমন্ত্রী- দৈনিক নয়াদিগন্ত
- গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে নূর হোসেন আমাদের প্রেরণা -খালেদা জিয়া- দৈনিক ইনকিলাব
- ১৪ দলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে নাসিমের আহ্বান- দৈনিক ইত্তেফাক
- ‘সমাবেশের অনুমতি দেয়ায় প্রমাণ হয়েছে আওয়ামী লীগ কতটা গণতান্ত্রিক’- দৈনিক মানবজমিন অনলাইন
- ‘নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া বিএনপি নির্বাচনে যাবে না’- দৈনিক যুগান্তর
- নির্বাচনে না এলে বিএনপির অবস্থা করুণ হবে: তোফায়েল- দৈনিক প্রথম আলো
- গুম-নিখোঁজ ব্রিটিশ আমল থেকেই চলছে: আইজিপি- দৈনিক সমকাল
ভারতের শিরোনাম:
- বাংলায় আসুন, হাসিনাকে আমন্ত্রণ মমতার- দৈনিক বর্তমান
- স্বচ্ছ ভারত অভিযানের জেরে ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা- দৈনিক আজকাল
- দূষণের জেরে সমস্যায় দিল্লি হাফ ম্যারাথন- দৈনিক আনন্দবাজার
প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ-
গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে ১০ নভেম্বর অবিস্মরণীয় দিন : প্রধানমন্ত্রী- দৈনিক নয়াদিগন্ত

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে ১০ নভেম্বর একটি অবিস্মরণীয় দিন। তিনি বলেন, ১৯৮৭ সালের এই দিন যুবলীগ নেতা নূর হোসেনের রক্তে ঢাকার রাজপথ রঞ্জিত হয়েছিল। ১০ নভেম্বর শহীদ নূর হোসেন দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে নূর হোসেন তার বুকে ও পিঠে ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক’ স্লোগান লিখে ১৯৮৭ সালের এই দিনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৫-দলীয় ঐক্যজোটের মিছিলে যোগ দিয়েছিলেন।
তিনি বলেন, মিছিলটি যখন জিরো পয়েন্টে পৌঁছে, তখন স্বৈরাচার সরকারের নির্দেশে মিছিল লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করা হয়। গুলিতে নূর হোসেনের বুক ঝাঁঝরা হয়ে যায়। এ ছাড়া যুবলীগ নেতা নূরুল হুদা ও কিশোরগঞ্জের বাতপুরের ক্ষেতমজুর নেতা আমিনুল হুদা টিটো শহীদ হন। তাদের এ আত্মত্যাগ তৎকালীন স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রকামী মানুষের আন্দোলনকে বেগবান করে।
গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে নূর হোসেন আমাদের প্রেরণা -খালেদা জিয়া- দৈনিক ইনকিলাব

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, ‘আমাদের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে নূর হোসেন একটি অবিস্মরণীয় নাম।’ তিনি আরো বলেন, ‘আজও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে শহীদ নূর হোসেন আমাদের প্রেরণা।’ শহীদ নূর হোসেন দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে খালেদা জিয়া এ কথা বলেন।খালেদা জিয়া বলেন, ‘শহীদ নুর হোসেন দিবস উপলক্ষে আমি স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের বীর শহীদ নূর হোসেনের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। আমি তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করি।’
তিনি বলেন, ‘১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের এক লড়াকু সৈনিক হিসেবে তিনি রাজপথে নেমে এসেছিলেন বুকে পিঠে ‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক, স্বৈরাচার নিপাত যাক’ স্লোগান লিখে। গণতন্ত্রের দাবিতে সোচ্চার এই যুবকের কণ্ঠকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল স্বৈরাচারের বন্দুক। স্বৈরাচারের বুলেট বুকে বরণ করে নিয়েছিলেন নূর হোসেন। নূর হোসেনের সে অবদান বৃথা যায়নি। তাঁর রক্তের ধারা বেয়েই ‘৯০ এর গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরশাসকের পতন ঘটে, মুক্ত হয় আমাদের গণতন্ত্র।’
তিনি আরো বলেন, ‘যে স্বপ্ন চোখে নিয়ে জীবন উৎসর্গ করে ছিলেন নুর হোসেন, তাঁর সে স্বপ্ন আজো পুরোপুরি সফল হয়নি। ১৯৯০ এর মুক্ত হওয়া গণতন্ত্র আবার শৃঙ্খলিত হয়েছে, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি একতরফা নির্বাচন করার ব্যবস্থা পুনরায় চালু করা হয়েছে। স্বৈরাচারী শক্তির এ চক্রান্ত রুখতে হবে যেকোনো মূল্যে।’
১৪ দলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে নাসিমের আহ্বান- দৈনিক ইত্তেফাক

বর্তমান প্রেক্ষাপটে এখন ১৪ দলকে ঐক্যবদ্ধ থাকা প্রয়োজন মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, ১৪ দলের ভেতরে কোনো দ্বন্দ্ব নেই। কোনো বিভ্রান্তমূলক কথা বলে নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি করার সময় এটা নয়। আবেগের বশবর্তী হয়ে যে (জাসদ নেতা ইনু) কেউ মন্তব্য করতে পারেন। সেটা তার ব্যক্তিগত বিষয়। এর সঙ্গে ১৪ দলের কোনো সম্পর্ক নেই। আওয়ামী লীগ জনগণের ভোটেই বার বার নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করেছে, কারো অনুকম্পায় নয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভার শুরুতেই সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি আরো বলেছেন, কোন দলের বা ব্যক্তির দেয়া নির্বাচনী রুপরেখা নিয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হতে পারে না। বিশ্বের অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশের মত বাংলাদেশেও সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধিনেই নির্বাচন হবে।
তিনি বিএনপিসহ সকল গণতান্ত্রিক ও নিবন্ধিত দলকে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আস্থা রেখে নির্বাচনে অংশ নেবার আহ্বান জানিয়েছেন।
‘সমাবেশের অনুমতি দেয়ায় প্রমাণ হয়েছে আওয়ামী লীগ কতটা গণতান্ত্রিক’- দৈনিক মানবজমিন অনলাইন

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপিকে সমাবেশ করতে অনুমতি দেয়ায় প্রমাণ হয়েছে আওয়ামী লীগ কতটা গণতান্ত্রিক, আর কতটা আন্তরিক- এমনটাই বললেন সড়কপরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। আজ শুক্রবার সকালে শহীদ নূর হোসেন দিবস উপলক্ষে রাজধানীর গুলিস্তানে নূর হোসেন চত্বরে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর এ কথা বলেন তিনি।
ওবায়দুর কাদের বলেন, নূর হোসেন গণতন্ত্রের জন্য নিজের রক্ত দিয়ে গেছেন। জীবন দিয়ে গেছেন। নূর হোসেনের স্বপ্নের গণতন্ত্রই এই সরকার ধারণ করছে।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আরো বলেন, আওয়ামী লীগ আহ্বান জানালেও বিএনপি আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে, না জানালেও করবে। তবে আওয়ামী লীগ চায়, বিএনপিসহ সব দলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন।
‘নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া বিএনপি নির্বাচনে যাবে না’- দৈনিক যুগান্তর

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, তার দল নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া কোনো নীল নকশার নির্বাচনে যাবে না। শহীদ নূর হোসেন দিবস উপলক্ষে শুক্রবার সকাল ৯টায় রাজধানীর গুলিস্তানে শহীদ নূর হোসেন চত্বরে বিএনপির পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
রিজভী বলেন, বিএনপি অবশ্যই নির্বাচনে যাবে। তবে আমরা নির্দলীয় সহায়ক সরকার চাই। সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ চাই। নীল নকশার নির্বাচনে বিএনপি যাবে না।শহীদ নূর হোসেনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এ বিএনপি নেতা বলেন, গণতন্ত্র অবরুদ্ধ, নিষ্পেষিত, বুটের তলায় অবরুদ্ধ। অবরুদ্ধ গণতন্ত্রকে মুক্ত করতে নূর হোসেন আজও আমাদের অনুপ্রেরণা যোগায়।
তিনি বলেন, গণতন্ত্রের কন্ট্রোল সুইচ আওয়ামী লীগের হাতে থাকলে সেটাকে তারা যতই গণতন্ত্র বলুক আসলে এটি গণতন্ত্র নয়, স্বৈরতন্ত্র। আমরা বহু দল, বহু মতের গণতন্ত্র চাই।‘সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপিকে সমাবেশের অনুমতি দেয়ায় প্রমাণ হয়েছে আওয়ামী লীগ কতটা গণতান্ত্রিক, কতটা আন্তরিক’ ওবায়দুল কাদেরের এমন বক্তব্য প্রসঙ্গে জানতে চাইলে রিজভী বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময় সমাবেশে বাধা দেয়া হয়েছে। এখন আগে ১২ নভেম্বর সমাবেশ হোক।
নির্বাচনে না এলে বিএনপির অবস্থা করুণ হবে: তোফায়েল- দৈনিক প্রথম আলো

নির্বাচনে না এলে বিএনপির অবস্থা আরও করুণ হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। আজ শুক্রবার ভোলা সদর উপজেলার ভেলুমিয়া ইউনিয়নের খাসেরহাট বাজারে ভেলুমিয়া-কুলগাজি ছয় কিমি পল্লী বিদ্যুৎ সংযোগ লাইনের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেছেন।
বিএনপির সমালোচনা করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপি সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবে। না এসে উপায় নেই। নির্বাচনে না এলে তাদের করুণ অবস্থা হবে। আর সে নির্বাচনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান থাকবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমার শেষ দুটি স্বপ্ন। একটি ভোলা-বরিশাল সড়ক নির্মাণ করা। আপনারা ৪-৫ ঘণ্টায় ঢাকা যেতে পারবেন। আরেকটি স্বপ্ন ভোলার বাংলাবাজার উপশহরে একটি মেডিকেল কলেজ নির্মাণ করা। সেখানে ২০০ শয্যার হাসপাতাল হবে।’
গুম-নিখোঁজ ব্রিটিশ আমল থেকেই চলছে: আইজিপি- দৈনিক সমকাল

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক বলেছেন, নিখোঁজ, গুম, অপহরণের বিষয়গুলো আজকের নয়, এটি ব্রিটিশ আমল থেকেই চলছে। এর জন্য পেনাল কোড তৈরি হয়েছে।শুক্রবার সকালে চাঁদপুর পুলিশ লাইনস-এ নবনির্মিত ফটক উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
আইজিপি বলেন, 'আজকের যেই গুম, নিখোঁজের ঘটনা ঘটছে, তা বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। আমরা এর জন্য তৎপর রয়েছি। আর এই ধরনের ঘটনায় আমরা ৭৫ ভাগই সফলতা পাই, ২৫ ভাগ পাওয়া যায় না। তবে সেই ২৫ ভাগ পাওয়ার জন্য আমরা সবসময় তৎপর থাকি।'
সাংবাদিক উৎপল দাস, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মোবাশ্বার হাসান সিজার ও প্রকাশনা ব্যবসায়ী তানভীর ইয়াসিনের নিখোঁজ কিংবা অপহরণ সম্পর্কে তিনি বলেন, 'এসব ঘটনার মোটিভ উদ্ধারে আমাদের পুলিশ বাহিনী তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। ভিকটিম উদ্ধার হলেই রহস্য উন্মোচিত হবে। এতে আমরা অবশ্যই সাফল্য পাবো। আপনারা আমাদের উপর ভরসা রাখুন।'
এবারে কোলকাতার বাংলা দৈনিকগুলোর বিস্তারিত খবর:
বাংলায় আসুন, হাসিনাকে আমন্ত্রণ মমতার- দৈনিক বর্তমান
বৃহস্পতিবার কলকাতা-খুলনার মধ্যে ‘বন্ধন এক্সপ্রেস’ চলাচলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন নবান্নে। আর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওয়াজেদ ছিলেন ঢাকায়। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শামিল হলেন দুই নেত্রী। সেখানেই এই বাংলায় আসার জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। হাসিনাও বাংলাদেশে এসে ইলিশ খাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তবে সেই আমন্ত্রণ ছিল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এদেশে উপস্থিত সবার উদ্দেশেই। দিল্লি থেকে এই ভিডিও কনফারেন্সে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মুখ্যমন্ত্রী নবান্ন থেকে তাঁর সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে গভীর বন্ধুত্বের সম্পর্কের প্রসঙ্গ উল্লেখ করার পাশাপাশি ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর ঢাকা সফরের কথা স্মরণ করেন। এই অনুষ্ঠানে তাঁকে আমন্ত্রণ করার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান মুখ্যমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে অবশ্য মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে সরাসরি কোনও মন্তব্য না করলেও বলেন, এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমরা ফের একবার মিলিত হলাম।
ওয়াকিবহাল মহলের মতে, নরেন্দ্র মোদি এই মন্তব্যের মাধ্যমে গত এপ্রিলে দিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে বাংলাদেশ ও ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতির কথা স্মরণ করতে চেয়েছেন। তিস্তা জলবন্টন নিয়ে ওই বৈঠকে আলোচনা হয়েছিল। কিন্তু বৈঠকের পর বেরিয়ে এসে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, তিস্তা না হলেও তোর্ষাসহ কয়েকটি নদীর জল বাংলাদেশকে দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করতে তিনি রাজি। হাসিনা ঢাকায় ফিরে ফের জানিয়েছিলেন, তাঁর তিস্তার জলই চাই। কেন্দ্র রাজি থাকলেও, রাজ্য সরকারের আপত্তি থাকার কারণেই মূলত এখনও পর্যন্ত ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে তিস্তার জলবণ্টন চুক্তি সই হয়নি। বাংলাদেশ এব্যাপারে ভারতের উপর চাপ অব্যাহত রেখেছে।
দূষণের জেরে সমস্যায় দিল্লি হাফ ম্যারাথন- দৈনিক আনন্দবাজার
দিল্লি দূষণের মাত্রা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে হাফ ম্যারাথনে আয়োজকরা অন্য সময়ের কথা ভাবতে বাধ্য হচ্ছে। প্রতিবারই এই সময় দিল্লিতে হাফ ম্যারাথন আয়োজন হয়। যেখানে দেশ বিদেশের সেরা অ্যাথলিটরা অংশ নেন। এ বারও আয়োজন পুরো হয়ে গিয়েছে। প্রতিযোগিরাও তৈরি দিল্লির পৌঁছনোর জন্য। তার আগে দিল্লি ঢেকে গিয়েছে বায়ু দূষণে। আয়োজকদের তরফে জানানো হয়েছে, ‘‘সম্ভাবনা রয়েছে ইভেন্টের সময় বদল করার। আমরা পরবর্তীতে আগে অথবা পরে এই ম্যারাথন আয়োজন করার কথা ভাবব। আমাদের হাতে বিকল্প রয়েছে। বিজ্ঞাপনদাতাদের সঙ্গে এই নিয়ে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’’
এই ইভেন্টের মূল স্পনসরের তরফে জানানো হয়েছে, প্রতিযোগিরা এখনও এই পরিস্থিতি নিয়ে কোনও অভিযোগ জানায়নি। না আসারও বার্তা তাদের কাছে এসে পৌঁছয়নি। সংস্থার তরফে বলা হয়, ‘‘সব বিদেশি প্রতিযোগিরা দিল্লির পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত। তার পরও তারা অংশ নিচ্ছে। গত বছর রিও অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন ইলিউড কিপচোগে এই পরিস্থিতির মধ্যেই অংশ নিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। কোনও অভিযোগ করেনি।’’
স্বচ্ছ ভারত অভিযানের জেরে ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা- দৈনিক আজকাল

জোর করে ছাত্র–ছাত্রীদের দিয়ে স্বচ্ছ ভারত অভিযানের নামে স্কুলের শৌচাগার পরিষ্কার করানোর অভিযোগ উঠল। মধ্যপ্রদেশের দামো জেলায় একটি সরকারি স্কুলের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে। পড়ুয়াদের অভিভাবকরা রীতিমতো ক্ষুব্ধ। তাঁদের বক্তব্য, ‘শৌচাগার পরিষ্কার করার জন্য আমরা স্কুলে ছেলেমেয়েদের পাঠাই না।’ তবে অভিযোগ মানতে নারাজ স্কুল কর্তৃপক্ষ। তাদের দাবি, ‘শৌচাগার পরিষ্কার করানো হয়নি ছাত্রছাত্রীদের দিয়ে। স্কুলে স্বচ্ছ ভারত অভিযান চলছিস। পড়ুয়ারা স্কুলের বাগান ও মাঠ পরিষ্কার করেছে।’ বিষয়টি নিয়ে অভিভাবকরা দ্বারস্থ হয়েছেন পুলিসের। দামো দেলার ডিসিপি খেরওয়াল বলেন, ‘স্কুলে সাফাই অভিযান চলছিল বলে দাবি করেছে কর্তৃপক্ষ। পড়ুয়াদের দিয়ে শৌচালয় পরিষ্কার করানো কখনই উচিত নয়। যদি অভিভাবকদের অভিযোগ সত্যি প্রমাণিত হয় তাহলে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! কথাবার্তার আজকের আসর এ পর্যন্তই। আবারো কথা হবে আগামী আসরে।
পার্সটুডে/মুজাহিদুল ইসলাম/১০