ডিসেম্বর ১৫, ২০২০ ১৩:৪০ Asia/Dhaka

শ্রোতা ভাই ও বোনেরা, আপনাদের সবাইকে অনেক অনেক প্রীতি আর শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি চিঠিপত্রের আসর প্রিয়জন। আশা করি সবাই ভালো ও সুস্থ আছেন। প্রত্যেক আসরের মতো আজও অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় রয়েছি আমি নাসির মাহমুদ, আমি আকতার জাহান এবং আমি আশরাফুর রহমান।

আশরাফুর রহমান: আসরের শুরুতেই আমি একটি বাণী শোনাতে চাই। আমিরুল মোমেনীন হযরত আলী (আ.) বলেছেন, “নিশ্চয়ই প্রজ্ঞার কথা বলা হতে নীরব থাকার মধ্যে কোনো কল্যাণ নেই। তদ্রূপ অজ্ঞতা সহকারে কথা বলার মধ্যেও কোনো কল্যাণ নেই।”

আকতার জাহান: আমরা সবাই প্রজ্ঞাপূর্ণ কথা বলব এবং অজ্ঞতা দূর করার চেষ্টা করব- এ কামনায় নজর দিচ্ছি চিঠিপত্রের দিকে।

আসরের প্রথম চিঠিটি এসেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাট থেকে। আর পাঠিয়েছেন রেডিও তেহরানের বহু পুরোনো শ্রোতা বিধানচন্দ্র সান্যাল।

তিনি লিখেছেন, “বর্তমান বিশ্বে রেডিও তেহরানের প্রয়োজনীয়তা বহুমুখী। নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ খবরাখবর প্রচারের এমন মাধ্যম আর দ্বিতীয়টি নেই। রেডিও তেহরান ইরানের চিন্তাধারার তথা সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক অবস্থার একখানি স্বচ্ছ দর্পণ। শুধু ইরান নয়, ইসলামী বিশ্বের প্রকৃত সংবামাধ্যম রেডিও তেহরান। তাই সমাজ গঠনে রেডিও তেহরানের দান অস্বীকার করা যায় না। আধুনিক গণজীবনে রেডিও তেহরানের অপরিসীম প্রভাব সেই সত্যই প্রকাশ করে।”

নাসির মাহমুদ: রেডিও তেহরানের বিশ্বসংবাদ সম্পর্কে এ শ্রোতাবন্ধু লিখেছেন, “রাষ্ট্রীয় বেতার সবসময় নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশন করবে এমনটা নাও হতে পারে। অনেক রাষ্ট্রীয় বেতারই নিজ নিজ দেশের পররাষ্ট্রনীতি মোতাবেক সংবাদ পরিবেশন করে থাকে। একমাত্র রেডিও তেহরান সত্য, নিরপেক্ষ এবং তরতাজা সংবাদ প্রচারে বিশ্বাসী। আর সে কারণেই রেডিও তেহরানের বিশ্বসংবাদ, সংবাদভাষ্যের অনুষ্ঠান শ্রোতাদের কাছে জনপ্রিয়তার শীর্ষে।”

আশরাফুর রহমান: রেডিও তেহরান সম্পর্কে শ্রোতাবন্ধু বিধানচন্দ্র সান্যালের মূল্যায়ন জেনে ভালো লাগল। চিঠি ও মতামতের জন্য ধন্যবাদ।

আসরের পরের মেইলটি এসেছে বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার জগন্নাথদী গ্রাম থেকে। আর পাঠিয়েছেন ‘ইন্ডিপেন্ডেন্ট রেডিও লিসনার্স ক্লাব’-এর পরিচালক কামাল হোসাইন।

রেডিও তেহরান সম্পর্কে এ শ্রোতাভাই লিখেছেন, “আন্তর্জাতিক বেতার কেন্দ্রগুলো যখন ডিজিটালাইজ হচ্ছে, শর্টওয়েভ বাদ দিয়ে অনলাইনভিত্তিক হচ্ছে, শ্রোতাদের চাহিদা অনুযায়ী অনুষ্ঠান প্রচার করা হচ্ছে না, শ্রোতাগণ যখন আন্তর্জাতিক বেতার কেন্দ্রগুলোর প্রতি নিরুৎসাহিত হচ্ছিল- ঠিক তখন রেডিও তেহরান শ্রোতাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। সেইসাথে শ্রোতাদের চাহিদা অনুযায়ী অনুষ্ঠান প্রচার এবং কয়েক প্রকারের প্রতিযোগিতা দিয়ে শ্রোতাদের আকৃষ্ট করতে সক্ষম হচ্ছে। বিনিময়ে শ্রোতাগণও তাদের ভালোবাসা উজাড় করে দিচ্ছে রেডিও তেহরানের প্রতি। শ্রোতাদের এই ভালোবাসা অব্যাহত থাকবে।

আকতার জাহান: রেডিও তেহরানের প্রতি শ্রোতাদের ভালোবাসা আমাদের মুগ্ধ করেছে। আর আমরাও চেষ্টা করছি প্রতিদান দেয়ার। তো, শ্রোতাদের মনের অনুভূতি লিখে জানানোর জন্য কামাল হোসাইন ভাই আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

বাংলাদেশের রাজবাড়ী জেলার খোশবাড়ী থেকে শাওন হোসাইন পাঠিয়েছেন এবারের মেইলটি। তিনি লিখেছেন, আমি রেডিও তেহরানের একজন নিয়মিত শ্রোতা। সপ্তাহের প্রতিটি দিনই চেষ্টা করি রেডিও তেহরানের অনুষ্ঠান শোনার। ব্যক্তিগত কোনো কারণবশত অনুষ্ঠান শুনতে না পারলে রাতে ঘুমানোর আগে ফেসবুক অথবা ওয়েবসাইট থেকে অনুষ্ঠান শোনার চেষ্টা করি। রেডিও তেহরানের অনুষ্ঠান শোনা আমার নিকট একপ্রকার নেশায় পরিণত হয়েছে।

নাসির মাহমুদ: এরপর শাওন ভাই লিখেছেন, "গত ২১ অক্টোবর প্রতিদিনের ন্যায় আমার প্রিয় বেতারকেন্দ্র রেডিও তেহরানের অনুষ্ঠান মন লাগিয়ে শুনছিলাম। নিয়মিত পরিবেশনা বিশ্বসংবাদ, দৃষ্টিপাতের পর সাপ্তাহিক আয়োজন স্বাস্থ্য কথা'য় মানবদেহের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ চোখের বিভিন্ন রোগ ও তার প্রতিরোধ ব্যবস্থা সম্পর্কে বাংলাদেশের বারডেম হাসপাতালের সাবেক বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ শুনলাম। সাক্ষাৎকারটি শুনে অনেক কিছু জানতে ও শিখতে পারলাম। এছাড়া আমার প্রিয় একটি অনুষ্ঠান পবিত্র কুরআনের তাফসীর বিষয়ক অনুষ্ঠান কুরআনের আলো'য় সুরা শুরা'র ১ থেকে ৪ নম্বর আয়াতের তেলাওয়াত ও তরজমা শুনে মন প্রশান্তিতে ভরে উঠেছিল। পরিশেষে সুন্দর অনুষ্ঠান উপহার দেয়ায় রেডিও তেহরান পরিবারের সকলকে আমার পক্ষ থেকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।"

আশরাফুর রহমান: স্বাস্থ্যকথা ও কুরআনের আলো অনুষ্ঠান সম্পর্কে আপনার মতামত জেনে ভালো লাগল। আশা করি চিঠি লিখা অব্যাহত রাখবেন। নওগাঁ জেলার সান্তাহার থানার সোর্স অফ নলেজ ক্লাবের সভাপতি খোন্দকার রফিকুল ইসলাম পাঠিয়েছেন পরের মেইলটি।

তিনি লিখেছেন, "আমাদের শ্রোতা ক্লাবের সাপ্তাহিক বৈঠকে নিয়মিতভাবে সদস্যরা আপনাদের বাংলা অনুষ্ঠানের ভূয়সী প্রশংসা করে থাকে। মান এবং গুণগত দিক থেকেও আপনাদের পাল্লাই ভারী বলে মনে করি।"

নাসির মাহমুদ: এরপর রফিকুল ইসলাম ভাই আরও লিখেছেন, রেডিও তেহরান বাংলা’র ওয়েব সাইট আর ফেসবুক পেজ আমার খুবই ভালো লাগে। আমার মতে, রেডিও তেহরান বাংলা অনুষ্ঠানের শ্রোতা সংখ্যা বাংলাদেশে এবং ভারতে ক্রমান্বয়ে বেড়েই চলেছে। এটি আপনাদের জন্য একটি শুভ লক্ষণ।

সবশেষে এ শ্রোতাবন্ধু একটি প্রশ্ন করেছেন। জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশিদের মতো ইরানিরা কি শীতকালে বিশেষ পিঠাপুলি খায়?

আকতার জাহান: না ভাই, ইরানে বাংলাদেশের মতো পিঠা-পুলির প্রচলন নেই। প্রশ্ন করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব বর্ধমান জেলার চুপী থেকে হাফিজুর রহমান লিখেছেন এই চিঠিটি। তিনি লিখেছেন, “রেডিও তেহরান থেকে প্রচারিত বাংলা অনুষ্ঠান নিয়মিত শুনছি। ভালো লাগছে আপনাদের প্রতিটি পরিবেশনা। ২৪ অক্টোবর তারিখে ইরান-ইরান যুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে আলোচনার আরো একটি পর্ব উপভোগ করলাম। এই পরিবেশনায় বায়তুল মুকাদ্দাস অভিযানের প্রথম পর্বের অর্জন এবং দ্বিতীয় পর্বের সংঘর্ষ নিয়ে অনেক অজানা কথা জানতে পারলাম। সেইসাথে অভিযানের দ্বিতীয় পর্বের ফলাফল সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা খুবই ভালো লাগল।”

আশরাফুর রহমান: হাফিজুর রহমান ভাই আরও লিখেছেন, “শিশু কিশোরদের জন্য সাপ্তাহিক নিয়মিত আয়োজন রংধনু আমার অত্যন্ত ভালো লাগার অনুষ্ঠান। খুবই সুন্দর সুন্দর শিক্ষামূলক রূপকথার গল্প তুলে ধরা হয়। ২২ অক্টোবর তারিখে বাংলাদেশের জনপ্রিয় শিশু সাহিত্যিক ও গল্পকার বিএম বরকতুল্লাহ'র লেখা ‘দুঃসাহসী হাঁসের ছানা' গল্পটি খুবই ভালো লাগল। ঐদিন প্রচারিত ‘দুনিয়া সুন্দর, মানুষ সুন্দর- আসমান সুন্দর’- গানটি শুনে মন ছুঁয়ে গেল।” এছাড়া, অন্য আসরে তোতা পাখিকে নিয়ে মাওলানা জালাল উদ্দিন রুমির লেখা দুটি গল্প এবং বুলবুল পাখিকে নিয়ে গল্প ও গান ভালো লেগেছে বলে এ শ্রোতা ভাই জানিয়েছেন।

নাসির মাহমুদ: ইরান-ইরাক যুদ্ধের ইতিহাস ও রংধনু আসর সম্পর্কে আপনার মতামত জেনে ভালো লাগল। আশা করি আবারো লিখবেন।

আকতার জাহান: বেশকিছু চিঠি তো পড়া হলো। এবার নাহয় আমরা এক শ্রোতাবন্ধুর সঙ্গে কথা বলি?

আশরাফুর রহমান: হ্যাঁ, আসরের এ পর্যায়ে আমরা সরাসরি কথা বলব ভারতের এক শ্রোতাবন্ধুর সঙ্গে। তার নাম শাহাদত আলী।   

আশরাফুর রহমান: সাক্ষাৎকারের পর আবারো চিঠিপত্রের দিকে নজর দিচ্ছি। বগুড়ার চাঁদনী বাজার থেকে মোঃ সাইফুল ইসলাম পাঠিয়েছেন এবারের চিঠিটি। বেশ বড় করে লেখা চিঠির অংশবিশেষ আমি পড়ে শোনাচ্ছি। তিনি লিখেছেন, রেডিও তেহরানের বাংলা বিভাগ সবসময় বিশেষ দিনে বিশেষ অনুষ্ঠান পরিবেশন করে থাকেন। আর এজন্যই আপনাদের বেতারকে এতো ভালো লাগে। গত ২৮শে অক্টোবর এবং গত ২রা নভেম্বর প্রচারিত হয় "বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পবিত্র জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে প্রচারিত অনুষ্ঠান দুটি বেশ মনোযোগ সহকারে শুনলাম। এই বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠান প্রচারের জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি রেডিও তেহরানের বাংলা বিভাগকে।

নাসির মাহমুদ: বিশেষ অনুষ্ঠান মনোযোগ দিয়ে শোনার জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ। গাজীপুরের টঙ্গীর সফিউদ্দিন সরকার একাডেমী এন্ড কলেজের প্রভাষক ফিরোজ আলম পাঠিয়েছেন পরের মেইলটি।

সালাম ও শুভেচ্ছা জানানোর পর তিনি লিখেছেন, “রেডিও তেহরান- ভাললাগা এক বেতার কেন্দ্রের নাম। মানবিক গুণাবলীর উৎকর্ষ সাধনে এর কোন বিকল্প মাধ্যম আজও চোখে পড়েনি। তাইতো শুনি আর রেডিও তেহরানের প্রচারের ও প্রসারের জন্য সর্বদা সচেষ্ট থাকি। ‘রেডিও তেহরান হোক নিত্যদিনের সঙ্গী’- এই কামনা ব্যক্ত করে আজকের মত বিদায় নিলাম।

আকতার জাহান: ফিরোজ আলম ভাইকে ধন্যবাদ রেডিও তেহরান সম্পর্কে এমন আবেগময় মন্তব্যের জন্য।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার বারুইপাড়া থেকে এস এম নাজিম উদ্দিন পাঠিয়েছেন পরের মেইলটি। তিনি ইন্টারন্যাশনাল ডি এক্স রেডিও শ্রোতা সংঘের সভাপতি। 

তিনি লিখেছেন, আমি রেডিও তেহরান বাংলা বিভাগের নিয়মিত শ্রোতা এবং ওয়েব সাইটের ভিজিটর। গত ৩০ অক্টোবর ‘পাশ্চাত্যে জীবন ব্যবস্থা’ শীর্ষক সাপ্তাহিক পরিবেশনা শুনলাম। এতে পাশ্চাত্যে আত্মহত্যার প্রবণতা নিয়ে পরিবেশিত আলোচনাটি ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও বাস্তবসম্মত।

আশরাফুর রহমান: এরপর নাজিম উদ্দিন ভাই লিখেছেন, “পাশ্চাত্যের সমাজ ব্যবস্থা ভোগবাদ ও অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছলতার মধ্যে সুখ খুঁজে ফেরে। আধ্যাত্মিকতা ও খোদাভীরুতা না থাকায় এসকল প্রাচুর্যের মাঝে তাদের সামাজিক ও পারিবারিক বিচ্ছিন্নতা বিষন্ন করে তোলে। সুখের সংজ্ঞা তাদের কাছে ভিন্ন হওয়ায় মাদক ও লাম্পট্য তাদেরকে আরো হতাশায় নিমজ্জিত করে। যার প্রভাব পড়ে তাদের জীবন ব্যবস্থায়; ফলস্বরূপ আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়ছে। অন্যদিকে ইসলামী দর্শন ও ধর্মীয় অনুশাসন এর মাধ্যমে একজন মানুষ প্রকৃত অর্থে তার জীবন বিধান পরিচালনায় খোদাভীরু ও আধ্যাত্মিকতা থাকায় ঐ সকল কুপ্রবৃত্তির বাইরে অবস্থান করতে সক্ষম হয়। তাই, পাশ্চাত্যের চাকচিক্যময় ভোগবাদ কাম্য নয়। এতে সাময়িক আনন্দ থাকলেও দীর্ঘময়াদি প্রশান্তি থাকে না।”

নাসির মাহমুদ: ‘পাশ্চাত্যে জীবন ব্যবস্থা’ শীর্ষক আলোচনা সম্পর্কে আপনার মতামত জেনে ভালো লাগল। আশা করি এভাবেই আমাদের অন্যান্য অনুষ্ঠান সম্পর্কেও লিখে জানাবেন।

বাংলাদেশের বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ থানার ‘বাংলা ইন্টারন্যাশনাল রেডিও অ্যান্ড নভেল ক্লাব’-এর সভাপতি মোঃ মাসুদুর রহমান পাঠিয়েছেন পরের মেইলটি। রেডিও তেহরান সম্পর্কে তিনি লিখেছেন, “সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন ব্যক্তির সুষম বিনোদন ও সঠিক খবরের জন্য রেডিও তেহরান। রেডিও তেহরান এমন এক বেতার- এখানে যে অনুষ্ঠানগুলো প্রচার হয় তা আমাদের অন্তরের আবেগ দিয়ে অনুধাবন করলে বুঝতে পারব কত দামি। আজ হয়তো রক্ত গরম বুঝতে পারছি না,একদিন রক্ত স্তিমিত হবে সেদিন বুঝতে পারব। বাঙ্গালী দাঁত থাকতে আমরা দাঁতের মর্যাদা বুঝি না। রেডিও তেহরানের সাফল্য কামনা করে আজ শেষ করছি।”

আকতার জাহান: ভাই মোঃ মাসুদুর রহমান, রেডিও তেহরান সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে। আশা করি আমাদের বিভিন্ন অনুষ্ঠান সম্পর্কেও মতামত জানাবেন।

আজকের আসরের শেষ চিঠিটি এসেছে কিশোরগঞ্জ থেকে আর পাঠিয়েছেন গুরুদয়াল সরকারি কলেজের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোঃ শাহাদত হোসেন।

২৪ অক্টোবর প্রচারিত অনুষ্ঠান সম্পর্কে তিনি লিখেছেন, আজ বিশ্বসংবাদ ও দৃষ্টিপাতের পর একটি বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচারিত হয়। হযরত ইমাম হাসান আসকারী (আ.)-এর শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে প্রচারিত বিশেষ অনুষ্ঠানটি আমাদের খুব ভালো লেগেছে। এ অনুষ্ঠান থেকে তাঁর জীবনের গুরুত্বপূর্ণ কিছু ঘটনাবলী ও শাহাদাত হওয়ার প্রেক্ষাপট জানতে পারলাম। আব্বাসীয় শাসকরা যে কতটা অমানুষ ছিল, তাও উপলব্ধি করতে পারলাম।

বিশেষ অনুষ্ঠানের পর কথাবার্তা প্রচারিত হয়। বাংলাদেশে ইলিশ সংরক্ষণ এবং মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইলের দৈন্যতা নিয়ে সিরাজুল ইসলামের দু’টি বিশ্লেষণ খুব খুব ভালো লেগেছে। ভালো লেগেছে শেষ প্রান্তিকে প্রচারিত ইরান-ইরাক যুদ্ধের ইতিহাসও।

নাসির মাহমুদ: আমাদের অনুষ্ঠান সম্পর্কে ভালোলাগার অনুভূতি জানানোয় আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। আমাদের অনুষ্ঠানের শ্রবণমান রিপোর্ট যারা পাঠিয়েছেন আসরের এ পর্যায়ে আমি তাদের কয়েকজনের নাম-ঠিকানা জানিয়ে দিচ্ছি।

  • জাওয়াদ সাবের মরক্কো থেকে
  • জাকির খান ও মোহাম্মদ আকিল বশির পাকিস্তান থেকে
  • আর্জেন্টিনার বুয়েনোস আইরেস থেকে এরিয়েল ওসভালডো তোরেস
  • ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ থেকে নাজিম উদ্দিন ও শিবেন্দু পাল
  • শাওন হোসাইন রাজবাড়ি থেকে
  • এবং গাজীপুরের টঙ্গী থেকে ফিরোজ আলম

আশরাফুর রহমান: অনুষ্ঠান শোনার পর কষ্ট করে শ্রবণমান রিপোর্ট পাঠানোর জন্য আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ। তো বন্ধুরা, আজকের আসরেও আপনাদের জন্য রয়েছে একটি গান। গানের কথা লিখেছেন স্নেহাশীষ ঘোষ। সুর করেছেন মোহাম্মদ মিলন আর গেয়েছেন সুরকার নিজেই।

আকতার জাহান: তো বন্ধুরা, আপনারা গানটি শুনতে থাকুন আর আমরা বিদায় নিই প্রিয়জনের আজকের আসর থেকে।#

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/ মো.আবুসাঈদ/১৫

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।