ডিসেম্বর ১৯, ২০২০ ১৩:০০ Asia/Dhaka

শ্রোতা ভাই ও বোনেরা, আপনাদের সবাইকে অনেক অনেক প্রীতি আর শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি চিঠিপত্রের আসর প্রিয়জন। আশা করি সবাই ভালো ও সুস্থ আছেন। আজকের প্রিয়জন পরিবেশনায় রয়েছি আমি নাসির মাহমুদ, আমি আকতার জাহান এবং আমি আশরাফুর রহমান।

আশরাফুর রহমান: প্রতি সপ্তার মতো আজও আসরের শুরুতেই আমি একটি বাণী শোনাতে চাই। আমিরুল মোমেনীন হযরত আলী (আ.) বলেছেন, “যার জিহ্বা সত্য সঠিক, তার কাজ পরিচ্ছন্ন যে ব্যক্তির নিয়ত সঠিক থাকে, তার জীবিকা বৃদ্ধি পায় আর যে স্বীয় পরিবারের সাথে সদাচরণ করে, তার আয়ু বৃদ্ধি পায়

আকতার জাহান: আমরা সবাই এই মূল্যবান বাণী নিজেদের জীবনে কাজে লাগানোর চেষ্টা করব- আহ্বান জানিয়ে নজর দিচ্ছি চিঠিপত্রের দিকে বাংলাদেশের রাজবাড়ি জেলার খোশবাড়ি থেকে শাওন হোসাইন পাঠিয়েছেন আসরের প্রথম চিঠিটি। সালাম ও আন্তরিক ভালোবাসা জানানোর পর তিনি লিখেছেন, “সারাদিনের সকল ব্যস্ততা শেষে আমি রাতে নিয়মিত রেডিও তেহরানের সান্ধ্য অধিবেশন শুনি যা আমার দিনের সকল ক্নান্তির অবসান ঘটায়। আপনাদের সুন্দর ও সাবলীল বাচনভঙ্গি আমাকে রেডিও তেহরান শুনতে উৎসাহিত করে। 

নাসির মাহমুদ: এরপর শাওন ভাই লিখেছেন, “গত ৯ নভেম্বর রেডিও তেহরানের অনুষ্ঠান শুনছিলাম। এ দিন অন্যান্য নিয়মিত পরিবেশনার পাশাপাশি শ্রোতাদের অত্যন্ত প্রিয় ‘প্রিয়জন’ প্রচারিত হয়েছিল। সেদিনের প্রিয়জন আমার নিকট বেশ উপভোগ্য ছিল কারণ সেদিন আমার সাক্ষাৎকার প্রচার হয়েছিল যা আমিসহ আমার পরিবারের সবাই একসাথে শুনেছিলাম। রেডিও তেহরান থেকে আমার সাক্ষাৎকার প্রচার হওয়ায় আমার পরিবারের সবাই ভীষণ আনন্দিত এবং রেডিও তেহরানের সকলের প্রতি কৃতজ্ঞ। আমার পরিবারের মতো প্রতিটি শ্রোতা পরিবারে রেডিও তেহরান আনন্দের বার্তা বয়ে আনুক এই কামনায় আজকের মতো ইতি টানছি।”

আশরাফুর রহমানআপনার সাক্ষাৎকার শুনে পরিবারের সবাই আনন্দিত হয়েছেন জেনে ভালো লাগল। এমন আনন্দ আমরা প্রতিটি শ্রোতার পরিবারে ছড়িয়ে দিতে চাই। এক্ষেত্রে শ্রোতাবন্ধুদেরকেই কিন্তু এগিয়ে আসতে হবে। মতামতসমৃদ্ধ চিঠি লেখার পাশাপাশি সাক্ষাৎকারও দিতে হবে। তো, চিঠি লিখে আপনার এবং আপনার  পরিবারের সদস্যদের অনুভূতি জানানোয় শাওন ভাই আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

আকতার জাহান: গাজীপুরের টঙ্গীর সফিউদ্দিন সরকার একাডেমী এন্ড কলেজের প্রভাষক ফিরোজ আলম পাঠিয়েছেন পরের মেইলটি। তিনি লিখেছেন, “আমাকে যদি প্রশ্ন করা হয়, রেডিও তেহরানের এই সময়ের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় অনুষ্ঠান কোনটি? 

আমি বলব, ‘ইরান-ইরাক যুদ্ধের ইতিহাস’।  এই অনুষ্ঠান শুনে আমরা শুধু সঠিক ইতিহাস জানছি না, বিশ্ব রাজনীতিতে আমাদের অবস্থান কী হওয়া উচিত সেটার দিকনির্দেশনাও পাচ্ছি।” 

সবশেষে তিনি এ অনুষ্ঠানের সবগুলো পর্ব শেষ হলেও যেন নতুন করে প্রচার শুরু হয় সেই অনুরোধ জানিয়েছেন। 

নাসির মাহমুদ: ‘ইরান-ইরাক যুদ্ধের ইতিহাস’ অনুষ্ঠানটি আপনার মতো অনেকেই পছন্দ করেন। অনুষ্ঠানটি প্রচারের পর তা আমাদের ওয়েবসাইটেও আপডেট করা হয়। প্রয়োজনে সেখান থেকেও সংগ্রহ করা বা শোনা যাবে। তারপরও ভবিষ্যতে পুনঃপ্রচারের ইচ্ছা আমাদের রয়েছে। চিঠি লিখার জন্য ফিরোজ আলম ভাই আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুর থেকে বেশকিছু ইমেইল এসেছে। আর এগুলো পাঠিয়েছেন আমাদের বহু পুরোনা শ্রোতা বিধানচন্দ্র সান্যাল। একটি মেইলে তিনি লিখেছেন, ‘হিংসার উন্মত্ত পৃথ্বি, নিত্যনতুন দ্বন্দ্ব’- আশা-নিরাশার দোলায় দোদুল্যমান  আমাদের চিন্তা-চেতনা ও মানবিকতার ক্ষেত্র। অহংকার মানুষের চিত্রপটে আঁকা হয়ে চলেছে সেই ছবি। গোটা পৃথিবী আজ কলুষিত, কলুষিত মানুষের মন। মুক্তি কোথায়? মানুষের চেতনায়, মননে, হৃদয়বত্তায়। মানুষের এই গুণগুলি এনে দিতে পারে তার চেতনার উন্মেষে। রেডিও তেহরান কেবল পারে তার চেতনার উন্মেষ ঘটাতে। তাই প্রয়োজন রেডিও তেহরানের বিস্তার, প্রয়োজন শ্রোতা সংখ্যা বৃদ্ধি। রেডিও তেহরানের শ্রোতাদের সে কাজই করতে হবে, শ্রোতা ক্লাবগুলোকেও এগিয়ে আসতে হবে।

আশরাফুর রহমান: আপনার আহ্বানে শ্রোতাবন্ধুরা এবং শ্রোতা ক্লাবগুলো এগিয়ে আসুক- এ প্রত্যাশা আমাদেরও। তো চিঠি লিখার জন্য বিধানচন্দ্র সান্যাল আপনার প্রতি রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা।

জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ থানার পূর্ব নলছিয়া গ্রাম থেকে হারুন অর রশীদ পাঠিয়েছেন পরের চিঠিটি। আমি তার চিঠিটি হুবহু পড়ে শোনাচ্ছি। তিনি লিখেছেন, “রেডিও তেহরানের বাংলা অনুষ্ঠান শুনে শুনে উপলব্ধি করতে পারছি যে, সত্য- সুন্দর, মানবতা ও ইসলামের প্রকৃত চেতনাকে ধারণ করে ইরান বিশ্ব দরবারে সুমহান ও শক্তিধর এক আদর্শ রাষ্ট্র হিসেবে  প্রতিষ্ঠিত ও পরিচিত। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী ইসলামের পক্ষে এক চির ভাস্বর ও সুমহান ব্যক্তিত্ব। ইরান সবসময় বিশ্ব আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার ও প্রতিবাদী ভূমিকা পালন করে থাকে- যা আমাদেরকে সত্য ও ন্যায়ের পথে ধাবিত করে সবসময়। তাইতো রেডিও তেহরান বাংলা বিভাগের মাধ্যমে আমি ইরানকে জানতে চেষ্টা করি প্রতিদিন। ধন্যবাদ রেডিও তেহরান বাংলা বিভাগের সকল কলাকুশলীকে।” 

আকতার জাহান: রেডিও তেহরান শ্রোতাদেরকে সত্য ও ন্যায়ের পথে চলতে অনুপ্রাণিত করছে জেনে ভালো লাগল। সুন্দর মতামতের জন্য হারুন ভাই আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার বারুইপাড়া থেকে এস এম নাজিম উদ্দিন পাঠিয়েছেন অন্তত ১০টি মেইল।

নাসির মাহমুদ: এত্তো চিঠি! কিন্তু তার কোনো চিঠিই যে আজ পড়া সম্ভব হবে না!!

আকতার জাহান: কিন্তু কেন?      

আশরাফুর রহমান: কারণটা মনে হয় আমি জানি। আজ আমরা নাজিমউদ্দিন ভাইয়ের সঙ্গে সরাসরি কথা বলব- তাই না?

নাসির মাহমুদ: হ্যাঁ, আপনি একদম ঠিক বলেছেন। তাহলে আর কথা না বাড়িয়ে শ্রোতাবন্ধুদের সঙ্গে নাজিমউদ্দিন ভাইয়ের পরিচয়পর্বটা হয়ে যাক।  

নাসির মাহমুদ: আসরের এবারে কিশোরগঞ্জের গুরুদয়াল সরকারি কলেজের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোঃ শাহাদত হোসেনের পাঠানো দুটি মেইলের দিকে নজর দিচ্ছি।

একটি মেইলে তিনি লিখেছেন, ৭ নভেম্বর রেডিও তেহরান বাংলা বিভাগ থেকে প্রচারিত প্রতিটি অনুষ্ঠানই আমাদের খুব ভালো লেগেছে। বিশেষ করে বিশ্বসংবাদ ও দৃষ্টিপাত। বিশ্বসংবাদে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফের ল্যাটিন আমেরিকা সফর নিয়ে খবরটি ভালো লেগেছে। একই দিনের ইরান ভ্রমণ অনুষ্ঠানটিও আমাদের খুব ভালো লেগেছে। এতে কেরমান প্রদেশের জিরোফত শহর নিয়ে আলোচনা করা হয়। অন্য মেইলে শাহাদত ভাই একটি প্রশ্ন করেছেন। জানতে চেয়েছেন, ইরানে শিক্ষার হার কত?

আকতার জাহান: বর্তমানে ইরানে স্বাক্ষরতার হার শতাংশ শতকরা হিসেবে পুরুষ ৪৮ এবং নারী শিক্ষার হার ৫২ শতাংশ

আশরাফুর রহমান: ভাই শাহাদত হোসেন, আপনার প্রশ্নের উত্তর দেয়া হলো। চিঠি ও প্রশ্নের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

নারায়ণগঞ্জের আলী সাহারদির ‘উৎস ডিএক্স কর্ণার’-এর প্রেসিডেন্ট এইচ, এম, তারেক পাঠিয়েছেন পরের চিঠিটি।

তিনি লিখেছেন, রেডিও তেহরানের সবচেয়ে জনপ্রিয় অনুষ্ঠান হলো- রংধনু। অনুষ্ঠানটি আমি ও আমার ক্লাবের ছোট বন্ধুদের নিয়ে প্রতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবার নিয়মিত উপভোগ করে থাকি। এতে এমন কিছু গল্প নিয়মিতই প্রচার করা হয়- যা একদিকে শিক্ষণীয় ও আরেকদিকে চমকপ্রদ। গত ৫ নভেম্বর প্রচারিত গল্প যাদুর যাতা শুনলাম, যা ছিল খুবই আকর্ষণীয়।

নাসির মাহমুদ: রংধনু আসর সম্পর্কে মতামতসমৃদ্ধ পরের চিঠিটি এসেছে কিশোরগঞ্জের খড়ম পট্টি থেকে। আর পাঠিয়েছেন শরিফা আক্তার পান্না। তিনি লিখেছেন, রংধনু আসর শুধু আমার নয়, আমার পুরো পরিবারের পছন্দের একটি অনুষ্ঠান। অধিকাংশ দিন আমরা ছেলে-মেয়েদেরসহ এ অনুষ্ঠান শুনে থাকি। এ আসরে প্রচারিত দারুণ শিক্ষণীয় গল্পগুলো বাচ্চারা খুব উপভোগ করে।

গত ২২ অক্টোবর রংধনু আসরে যে গল্পটি প্রচারিত হয়, তার নাম হল ‘দুঃসাহসী হাঁসের ছানা’। রংধনুতে প্রচারিত প্রতিটি রূপকথার গল্পই আমাদের প্রিয়। তবে আজকের গল্পটি বেশি ভালো লাগার কারণ হল, এটি লিখেছেন বাংলাদেশের একজন লেখক। বাংলাদেশের জনপ্রিয় শিশু সাহিত্যিক ও গল্পকার বি এম বরকতুল্লাহ'র লেখা গল্পটির সাথে পরিচিত হতে পেরে বেশ ভালো লাগছে। আমার ছেলে-মেয়েরা হাঁসের ছানাটির বুদ্ধিমত্তা ও সাহস দেখে মুগ্ধ। গল্প শুনে ওরা বুঝতে পেরেছে, সাহস ও বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে যে কেউ কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পেতে পারে, পেতে পারে বীরের মর্যাদা। এমন শিক্ষণীয় একটি গল্প আমাদের শোনানোর জন্যে আপনাদেরকে ধন্যবাদ জানাই।

আকতার জাহান: ভাই এইচ এম তারেক ও বোন শরিফা আক্তার পান্না, রংধনু আসর আপনাদের ভালো লাগছে জেনে আমাদেরও ভালো লাগছে। তো চিঠি লিখে বিষয়টি জানানোয় আপনাদেরকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

আশরাফুর রহমান: বগুড়ার চাঁদনী বাজার থেকে মো. সাইফুল ইসলাম পাঠিয়েছেন আসরের শেষ চিঠিটি। তিনি লিখেছেন, ভ্রমণ বিষয়ক অনুষ্ঠান 'ইরান ভ্রমণ' আমার প্রিয় একটি আসর। আমি নিয়মিতভাবে মনোযোগ সহকারে এ আসরটি উপভোগ করে থাকি।

গত কয়েক সপ্তাহ যাবত এ আসরে ইরানের কেরমান প্রদেশের নানা ইতিহাস, ঐতিহ্য ও প্রাকৃতিক নিদর্শনের সাথে পরিচিত হচ্ছি। গত আসরে পরিচিত হয়েছিলাম মনোমুগ্ধকর শাহজাদা পার্কের সাথে এবং মোহন বাগিচার সাথে, যেটি কেরমান প্রদেশ থেকে ৩৫ কি.মি. দুরে অবস্থিত। একটি প্রদেশের কতো ইতিহাস আর ঐতিহ্য যে আছে, তা আসরগুলো না শুনলে জানতেই পারতাম না। যা হোক গত ১৭ অক্টোবরের 'ইরান ভ্রমণ' এর আসরে পরিচিত হলাম কেরমান প্রদেশের এক প্রাচীন গ্রাম মেইমানের সাথে। ৩ হাজার বছরের আগের গ্রাম এটি। সত্যি, অবাক করার মতো। জানলাম বিশ্ব ঐতিহ্যর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া এই গ্রামটি কেরমান থেকে ২২০ কি.মি. দূরে অবস্থিত। ভীষণ ভালো লাগল কেরমানের এমন প্রাচীন একটি গ্রামের সাথে পরিচিত হয়ে। চিঠির একাংশে সাইফুল ভাই 'ইরান ভ্রমণ' অনুষ্ঠানগুলো দ্রুত পার্সটুডে ওয়েবসাইটে আপলোড করার অনুরোধ জানিয়েছেন।

নাসির মাহমুদ: 'ইরান ভ্রমণ' অনুষ্ঠান সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন জেনে ভালো লাগল। আর ওয়েবসাইটে অনুষ্ঠান আপলোড করার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।  

আসরের এ পর্যায়ে আমি কয়েকজন শ্রোতার চিঠির প্রাপ্তিস্বীকার করছি।

  • আউড়াপাড়া ইন্টারন্যাশনাল রেডিও ক্লাব, বগুড়া থেকে এম শামসুল ইসলাম
  • খোন্দকার রফিকুল ইসলাম, সাহাপুর কে পাড়া, সান্তাহার, নওগাঁ থেকে।
  • মো. জাহিদুল ইসলাম, বার্লিন, জার্মানি থেকে।
  • চৌগাছা, যশোর থেকে মোঃ উবাঈদ হুসাইন আল্-সামি

আকতার জাহান: চিঠি লেখার জন্য আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ। আসরের এ পর্যায়ে যারা শ্রবণমান রিপোর্ট পাঠিয়েছেন আমি তাদের কয়েকজনের নাম-ঠিকানা জানিয়ে দিচ্ছি।

  • জাওয়াদ সাবের মরক্কো থেকে
  • ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে হাফিজুর রহমান, রতন কুমার পাল, বিধান সান্যাল ও  নাজিম উদ্দিন
  • জাকির খান মিয়ানওয়ালি, পাকিস্তান থেকে
  • বাংলাদেশের জামালপুর থেকে হারুন অর রশিদ
  • এবং গাজীপুরের টঙ্গী থেকে ফিরোজ আলম

আশরাফুর রহমান: অনুষ্ঠান শোনার পর কষ্ট করে শ্রবণমান রিপোর্ট পাঠানোর জন্য আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ। তো বন্ধুরা, আজকের আসরও শেষ করব একটি গান শুনিয়ে। গানের কথা লিখেছেন জাকির আবু জাফর, সুর করেছেন হাবিব মোস্তফা। মুখোশ মানুষ শিরোনামের গেয়েছেন আমিরুল মোমেনীন মানিক।

আকতার জাহান: তো বন্ধুরা, আপনারা গানটি শুনতে থাকুন আর আমরা বিদায় নিই প্রিয়জনের আজকের আসর থেকে।৳

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/ মো.আবুসাঈদ/১৯

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।