প্রিয়জন: ‘রংধনু আসর ধুমকেতুর মতো জেগে থাক লক্ষ-কোটি শ্রোতার মনে'
শ্রোতাবন্ধুরা, অনেক অনেক প্রীতি আর শুভেচ্ছা নিন। আশা করি বাংলাদেশ ও ভারতসহ পৃথিবীর যে প্রান্তে বসেই আমাদের অনুষ্ঠান শুনছেন, সবাই ভালো ও সুস্থ আছেন। প্রতি সপ্তার মতো প্রিয়জনের আসর সাজিয়ে আপনাদের মাঝে উপস্থিত হয়েছি আমি নাসির মাহমুদ, আমি আকতার জাহান এবং আমি আশরাফুর রহমান।
আশরাফুর রহমান: চিঠিপত্রের দিকে নজর দেওয়ার আগে আমি একটি হাদিস শোনাতে চাই। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “আমার নিকট কিয়ামতের দিন সর্বাপেক্ষা প্রিয় এবং নিকটতম সেই ব্যক্তি, যে তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশী শিষ্টাচারী ও নম্র।”
আকতার জাহান: বরাবরের মতোই চমৎকার একটি হাদিস শোনালেন আশরাফ ভাই। আমরা সবাই যেন শিষ্ঠাচারী ও নম্র হতে পারি এ আশা প্রকাশ করে নজর দিচ্ছি চিঠিপত্রের দিকে।
আসরের প্রথম চিঠিটি এসেছে বাংলাদেশের বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ থানার আটমুল আউড়াপাড়া ইন্টারন্যাশনাল রেডিও ক্লাব থেকে। আর পাঠিয়েছেন ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এম শামসুল ইসলাম।
নাসির মাহমুদ: শামসুল ভাই মনে হয় অনেকদিন পর চিঠি লিখলেন!
আশরাফুর রহমান: হ্যাঁ, নতুন আঙ্গিকে প্রিয়জন শুরুর পর এটাই তার প্রথম পূর্ণাঙ্গ চিঠি। অবশ্য তিনি কুইজ চালুর প্রশংসা করে গত জুনে একটা চিঠি লিখেছিলেন। এছাড়া, ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বার্তাও জানিয়েছিলেন আরেকটা চিঠিতে। পাশাপাশি তিনি ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন।
আকতার জাহান: চিঠি কম লিখলেও বিভিন্নভাবে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখায় শামসুল ভাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে আমি তার চিঠিটা পড়ে শোনাচ্ছি। তিনি লিখেছেন,
“আকাশে জেগে ওঠা রংধনু যেমন মানব হৃদয়ের স্মৃতিপটে নিষ্পাপ, নিষ্কলঙ্ক ও সৌন্দর্যের এক অপরূপ চিত্র হয়ে রয় ঠিক তেমনি রেডিও তেহরানের বহুল প্রচারিত ও প্রশংসিত প্রোগ্রাম ‘রংধনু আসর’ এপার বাংলা-ওপার বাংলা’র অসংখ্য শ্রোতার মনে জায়গা দখল করে নিয়েছে বহুলাংশে। প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বের বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমের মধ্যে কেবলমাত্র রেডিও তেহরান রংধনু অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমাদের কোমলমতি শিশু-কিশোরদের প্রাধান্য দিয়ে তথ্যবহুল, উৎসাহমূলক ও জ্ঞানবৃদ্ধিমূলক অনুষ্ঠান প্রচার করে থাকে। সার্বিক বিবেচনায় রেডিও তেহরানের উত্তম প্রয়াস ‘রংধনু আসর’ ধুমকেতুর মতো জেগে থাক যুগ যুগান্তরে লক্ষ-কোটি শ্রোতা মনে।”
নাসির মাহমুদ: রংধনু আসর সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন জেনে ভালো লাগল। আশা করি আমাদের বিশ্বসংবাদসহ অন্যান্য অনুষ্ঠান সম্পর্কেও মতামত জানিয়ে চিঠি লিখবেন।
আসরের পরের চিঠিটি এসেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার বারুইপাড়া থেকে..।
আশরাফুর রহমান: আর লিখেছেন শ্রোতাভাই নাজিম উদ্দিন- তাই না?
আকতার জাহান: বারুইপাড়া থেকে কিন্তু নাফিসা খাতুনও মাঝেমধ্যে লিখে থাকেন।
নাসির মাহমুদ: তবে এবার নাজিম উদ্দিন ভাই-ই লিখেছেন। আর তার চিঠির সংখ্যাও ৫/৬টা। আমি তার একটি চিঠি পড়ে শোনাচ্ছি। তিনি লিখেছেন, গত ৯ নভেম্বর তারিখের ‘প্রিয়জন’ অনুষ্ঠানটি শুনলাম। দীর্ঘ দুই সপ্তাহ বাদে প্রিয়জনের আসর বসেছিল। তাই ফেসবুক লাইভে উপস্থিতি ছিল অন্যান্য দিনের চাইতে বেশি। এর হবেই বা না কেন? এ আসর তো শ্রোতাদের একান্ত আপন, নিজেদের আসর। যাইহোক আজকের আসরে সুন্দর সুন্দর সব চিঠি পড়া হলো। সাক্ষাৎকার ছিল নিয়মিত শ্রোতা রাজবাড়ী বাংলাদেশের শাওন হোসেন-এর। খুব সুন্দর করে বলেছেন ভাই শাওন যে, রেডিও তেহরানের কিছু মৌলিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। সেই সাথে ইরানের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির নানা বিষয় সম্পর্কে আরও বিস্তারিত আলোচনা করলে ইরানের অগ্রগতি অর্জন সম্বন্ধে জানতে পারব আমরা। এ বিষয়ে খুব ভালো প্রস্তাব। এটা আমরাও চাই। অনুষ্ঠানের শেষে বাংলা গানটি ভালো লেগেছে। তবে অনুরোধ জানাব ফার্সি গান শোনানোর জন্য।
আশরাফুর রহমান: ফার্সি গান শোনানোর অনুরোধ আমাদের বিবেচনায় থাকল। তবে, আমরা চাই গানের অনুরোধ শ্রোতাদের কাছ থেকেই আসুক। তো চিঠি লিখে মতামত জানানোর জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
আসরের পরের মেইলটি এসেছে কিশোরগঞ্জ থেকে। আর পাঠিয়েছেন গুরুদয়াল সরকারি কলেজের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোঃ শাহাদত হোসেন। ১৪ নভেম্বর প্রচারিত ‘ইরান ভ্রমণ’ অনেক ভালো লাগায় তিনি এই চিঠিটি লিখেছেন। আমি বরং তার চিঠি থেকেই খানিকটা পড়ে শোনাচ্ছি। তিনি লিখেছেন, “আজও জিরোফত শহরের বিভিন্ন নিদর্শন ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। কেরমান প্রদেশে জিরোফত শহর প্রাচীন সভ্যতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি শিল্প ও কৃষিপণের একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর। তবে জিরোফত শহর সম্পর্কে এখনো গবেষণা চলছে, জানার চেষ্টা চলছে এর প্রচীন কীর্তি, ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে।
জিরোফত শহরে একটি অতি প্রাচীন মসজিদ রয়েছে। ধারণা করা হয়, মসজিদটির বয়স প্রায় ১০০০ বছর। অনেক গবেষকের মতে, এটি ইরানে স্থাপিত প্রথম মসজিদ। সত্যিই অভাবনীয় বিষয়। অনুষ্ঠান থেকে আরো জানতে পারলাম যে, লাল গালিচা হল জিরোফতের অন্যতম নিদর্শন। এসব গালিচা বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হয়। বিবরণ শুনতে শুনতে মনে হচ্ছিল, আমিও বুঝি জিরোফত শহর ভ্রমণ করছি।”
আকতার জাহান: জিরোফত শহরের বর্ণনা আপনার ভালো লাগায় আমাদেরও ভালো লাগছে। নিয়মিত চিঠি লেখার জন্য শাহাদত ভাই আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুর থেকে বিধানচন্দ্র সান্যাল বেশকিছু ইমেইল পাঠিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, “মনের অজান্তেই গড়ে ওঠে আমাদের শখ। কর্মব্যস্ত জীবনে অনাবিল আনন্দে আমরা যে কাজে প্রবৃত্ত হই তাই হলো শখ। কর্মজীবনের হৃদয়ের বাসনাকে হয়তো এড়িয়ে যেতে হয়। শখ পুরণে তার পরিপূর্ণ প্রকাশ ঘটে। আমাদের সুপ্ত মানবমনে শখ হলো বারি সিঞ্চন। হৃদয়ের কুমোরটুলি অনায়াসে ডানা মেলে দেয়।"
নাসির মাহমুদ: শখ সম্পর্কে চমৎকার কিছু কথা শুনলাম। তো এই শ্রোতাবন্ধুর শখ কী?
আশরাফুর রহমান: বিধান সান্যালের শখ একটু অন্য ধরনের। তিনি জানিয়েছেন, “ছোটবেলা থেকেই বিভিন্ন বেতারে গলার স্বর শোনা আমার এক অভ্যেস। তাই আমার প্রিয় শখ রেডিও শোনা। বিভিন্ন বিভিন্ন অনুষ্ঠান শোনা আমার নেশা বলতে পারি। আমার অবসর সময় কাটাই রেডিও নিয়ে। রেডিও শোনায় আমি ভিন্ন জগতের স্বাদ পাই। আমার সারাদিনের ক্লান্তি আমি মুছে ফেলি। রেডিও শোনায় আমার চিত্ত রঞ্জিত হয়। আমি আবার নতুন কর্মোদ্যমে উদ্দীপ্ত হই।”
আকতার জাহান: বর্তমান যুগে রেডিও শুনে ক্লান্তি মুছে ফেলা কিংবা কর্মোদ্যমে উদ্দীপ্ত হওয়া অনেক বড় ব্যাপার! আপনাদের মতো একনিষ্ঠ শ্রোতাদের কারণেই রেডিও’র গুরুত্ব এখনও আছে। তো বিধানচন্দ্র সান্যাল চিঠি লেখার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
নাসির মাহমুদ: বরিশাল জেলার কাশিপুর থেকে জিল্লুর রহমান জিল্লু পাঠিয়েছেন পরের মেইলটি। তিনি লিখেছেন, যারা আমার প্রিয় নবীকে নিয়ে ব্যঙ্গ কিংবা কটূক্তি করে তাদের ঘৃণা ও নিন্দা জানাই। এরই প্রতিবাদ হিসেবে নিবেদন করছি আমার লেখা এই ছড়াটি। আশা করি প্রিয়জনে শুনতে পাব।
আশরাফুর রহমান: জিল্লুর ভাইয়ের ছড়াটির কিছু অংশ নাসির ভাইই পড়ে শোনান না!
নাসির মাহমুদ: ঠিকাছে, চেষ্টা করছি। ‘মহামানব’ শিরোনামের কবিতায় জিল্লু ভাই লিখেছেন,
মানব কুলের রহমত নবী
রহমাতুল্লিল আলামীন
তাঁকে দিয়ে আল্লাহতাঁয়ালা
পূর্ণ করল তাঁরই দ্বীন।
সকল সৃষ্টির সেরা তিনি
খুলুকিন আজীম
মহাগ্রন্থ আল কোরআন
আলিফ, লাম, মীম।
মহাকালের মহামানব
সবার প্রিয় নবী
অন্ধকার দূর করে
নিয়ে এলেন রবি।
মানবতায়, মহানুভবতায়
তাঁর মতো আর নাই
নবী তরে শ্রদ্ধা ভরে
দরুদ ও সালাম পাঠাই।
আকতার জাহান: রাসূল (সা.)-কে নিবেদিত কবিতার জন্য জিল্লু ভাইকে ধন্যবাদ জানাই। আশাকরি আমাদের অনুষ্ঠান সম্পর্কেও মতামত জানাবেন।
আসরের পরের মেইলটি এসেছে। নওগাঁ জেলার সান্তাহার থানার সোর্স অফ নলেজ ক্লাব থেকে আর পাঠিয়েছেন ক্লাব সভাপতি খোন্দকার রফিকুল ইসলাম।
তিনি লিখেছেন, আমরা আপনাদের নিয়মিত শ্রোতা। আপনাদের ওয়েব পেজ, ফেসবুক পেজ আমরা খুব পছন্দ করি। আপনাদের গঠনমূলক অনুষ্ঠানগুলো আমাদের হৃদয়, মন বার বার কেড়ে নেয়।
সবশেষে তিনি একটি প্রশ্ন করেছেন। জানতে চেয়েছেন- ইরানের নাগরিকেরা কোন ধরনের মাছ বেশি পছন্দ করে। আপনাদের দেশে ছোট মাছ কি পাওয়া যায়?
আশরাফুর রহমান: ইরানিরা সামুদ্রিক ও খামারে চাষ করা বড় আকারের মাছ খেতে বেশি পছন্দ করে। কার্ফু, স্যালমন, টুনা ছাড়াও নানারকম সামুদ্রিক মাছ পাওয়া যায় ইরানে। তবে ছোট মাছ তেমন একটা পাওয়া যায় না। ছোট মাছের মধ্যে রয়েছে চিংড়ি, কিলকা ইত্যাদি।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব বর্ধমান জেলার চুপী থেকে হাফিজুর রহমান পাঠিয়েছেন এই চিঠিটি। ১৫ নভেম্বর প্রচারিত অনুষ্ঠান শোনার পর তিনি লিখেছেন, বিশ্বসংবাদ, দৃষ্টিপাত, আসমাউল হুসনা, কথাবার্তা এবং প্রাচ্যবিদদের চোখে মহানবী (সা) নিয়ে সাজানো আজকের পুরো অনুষ্ঠান দারুণভাবে উপভোগ করলাম। রেডিও তেহরান বাংলা বিভাগ থেকে প্রচারিত প্রতিদিনের বিশ্ব সংবাদের কোনো তুলনাই হয় না। আর চলমান বিশ্ব পরিস্থিতির উপর গুরুত্ব দিয়ে প্রচারিত হয় সংবাদ ভাষ্যের অনুষ্ঠান দৃষ্টিপাত। দৃষ্টিপাতের মতো এতো গুরুত্বপূর্ণ বিশ্লেষণ আর কোনো বেতার থেকে প্রচার হয় বলে আমার জানা নেই।
এরপর মহান আল্লাহর গুণবাচক নাম সংক্রান্ত ধারাবাহিক অনুষ্ঠান "আসমাউল হুসনা" উপহার দেওয়ার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন এ শ্রোতা বন্ধু।
নাসির মাহমুদ: ভাই হাফিজুর রহমান, চিঠি ও মতামতের জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
আসরের পরের এসেছে কিশোরগঞ্জের খড়মপট্টি থেকে। আর লিখেছেন শরিফা আক্তার পান্না। তিনি লিখেছেন, ১৩ নভেম্বর রেডিও তেহরানের বাংলা অনুষ্ঠানে বিশ্বসংবাদ, দৃষ্টিপাত, পাশ্চাত্যে জীবন ব্যবস্থা ও কথাবার্তার পর শেষ প্রান্তিকে প্রচারিত হয় সাক্ষাৎকারভিত্তিক অনুষ্ঠান আলাপন। এতে অতিথি ছিলেন কামরুজ্জামান কায়সার, আর আলোচনা হয় তৈরি পোশাক নিয়ে। আলাপন থেকে জানতে পারলাম যে, বাংলাদেশ বিভিন্ন দেশ থেকে পর্যাপ্ত অর্ডার পাচ্ছে। করোনাকালে পোশাক খাতে সরকার প্রণোদনাও দিয়েছে। সেটা অনেক কাজেও লেগেছে। সম্প্রতি বাংলাদেশের অর্থনীতি কিন্তু খারাপ যাচ্ছে না। পোশাক ব্যবসায়ীরা সামনে আরো অর্ডার পাবার আশা রাখছেন। এটি বড় সুখবর।
সব মিলে গাজী আব্দুর রশিদের সঞ্চালনায় কামরুজ্জামান কায়সারের সাক্ষাৎকারটি ভালো লেগেছে। এ থেকে বাংলাদেশের পোশাক খাতের বর্তমান অবস্থা, বিশেষত দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পাওয়া গেল।
আশরাফুর রহমান: সাক্ষাৎকারভিত্তিক অনুষ্ঠান আলাপন সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন জেনে ভালো লাগল। তো, চিঠি লিখার জন্য বোন শরিফা আক্তার পান্না আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
এবারের চিঠিটি এসেছে রংপুরের ‘আলোকিত মানুষ চাই, আন্তর্জাতিক বেতার শ্রোতা ক্লাব’ থেকে। আর পাঠিয়েছেন এ, টি, এম, আতাউর রহমান রঞ্জু।
তিনি লিখেছেন, আমি রেডিও তেহরানের একজন সামান্য শ্রোতা। রেডিও তেহরান বাংলা অনুষ্ঠানের ভক্তও বটে। আগে গ্রামে থাকতে অনুষ্ঠান শুনতাম রেডিওতে। এখন মোবাইল, কম্পিউটারের মাধ্যমে অনলাইনে শুনে থাকি। ভালো লাগে তাই, আমার হৃদয়জুড়ে রেডিও তেহরান বাংলা।
এ শ্রোতাভাই চিঠির শেষাংশ রেডিও তেহরানের নিরপেক্ষ, বস্তুনিষ্ঠ ও সঠিক খবেরর প্রশংসা করেছেন।
আকতার জাহান: চিঠি লিখার জন্য রঞ্জু ভাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে আজকের আসরের শেষ চিঠিটি হাতে তুলে নিচ্ছি। এটি এসেছে ঢাকা সেনানিবাসের ফ্রেন্ডস ডি-এক্সিং ক্লাব থেকে। আর পাঠিয়েছেন ক্লাবের প্রেসিডেন্ট সোহেল রানা হৃদয়।
ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা জানানোর পর তিনি লিখেছেন, নিয়মিত আপনাদের প্রতিটি পর্বের সাথে রয়েছি। বর্তমানে আপনাদের প্রচারিত সব অনুষ্ঠানই যথেষ্ট ভালোমানের এবং সম-সাময়িক। প্রচারমান এবং উপস্থাপনায় বেশ উন্নতি লক্ষ্য করা যায়।
সংবাদ ভাষ্যের অনুষ্ঠান দৃষ্টিপাত, রংধনু, প্রিয়জন, কুরআনের আলো, ইরান ভ্রমণ, পত্র পত্রিকার বিশ্লেষণধর্মী অনুষ্ঠান কথাবার্তাসহ সব অনুষ্ঠান এ শ্রোতা ভাইয়ের পছন্দের বলে তিনি চিঠিতে উল্লেখ করেছেন।
নাসির মাহমুদ: চিঠি লেখার জন্য সোহেল রানা হৃদয় ভাইকে ধন্যবাদ। আসরের এ পর্যায়ে যারা শ্রবণমান রিপোর্ট পাঠিয়েছেন আমি তাদের কয়েকজনের নাম-ঠিকানা জানিয়ে দিচ্ছি।
- বাংলাদেশের রাজবাড়ি থেকে শাওন হোসাইন।
- গাজীপুরের টঙ্গী থেকে ফিরোজ আলম
- জামালপুর থেকে হারুন অর রশিদ
- মরক্কো থেকে জাওয়াদ সাবের
- ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে বিধ্যান সান্যাল ও নাজিম উদ্দিন
- এবং পাকিস্তানের মিয়ানওয়ালি থেকে জাকির খান
আশরাফুর রহমান: তো অনুষ্ঠান শোনার পর কষ্ট করে শ্রবণমান রিপোর্ট পাঠানোর জন্য আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ। শ্রোতাবন্ধুরা, আজকের আসরও শেষ করব একটি গান শুনিয়ে। গানের কথা লিখেছেন এইচ আল বান্না, সুর করেছেন হৃদয় হাসিন। রহমের বৃষ্টি শিরোনামের গানটি গেয়েছেন গীতিকার নিজেই।
আকতার জাহান: তো বন্ধুরা, আপনারা গানটি শুনতে থাকুন আর আমরা বিদায় নিই প্রিয়জনের আজকের আসর থেকে।#
পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/ মো.আবুসাঈদ/২৩
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।