প্রিয়জন: ব্যস্ত যান্ত্রিক জীবনে রেডিও তেহরান মনে আনে প্রশান্তি
সুপ্রিয় শ্রোতা ভাই-বোন ও বন্ধুরা, আপনাদের সবাইকে অনেক অনেক প্রীতি আর শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি আপনাদেরই চিঠিপত্রের আসর প্রিয়জন। আশা করি সবাই ভালো ও সুস্থ আছেন। আজকের আসরে আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি আমি গাজী আবদুর রশিদ, আমি আকতার জাহান এবং আমি আশরাফুর রহমান।
আশরাফুর রহমান: চিঠিপত্রের দিকে নজর দেয়ার আগে আজও আমি একটি হাদিস শোনাতে চাই। বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে শক্তিধর ব্যক্তি হলো সে- যে রাগের সময় আত্মসংবরণ করতে পারে। আর সবচেয়ে বড় ভারোত্তলনকারী হলো সেই ব্যক্তি যে (প্রতিশোধ গ্রহণের) ক্ষমতা থাকার পরও ক্ষমা প্রদর্শন করে।”
আকতার জাহান: আমরা সবাই যেন রাগ নিয়ন্ত্রণ এবং ক্ষমা করার মানসিকতা অর্জন করতে পারি- এ কামনা করে শ্রোতাদের মতামতসমৃদ্ধ চিঠিপত্রের দিকে নজর দিচ্ছি।
আসরের প্রথম চিঠিটি এসেছে বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার মধ্য আলিপুরের নন্দন বেতার শ্রোতা ক্লাব থেকে। আর পাঠিয়েছেন মোঃ আফজাল আলী খান।
তিনি লিখেছেন, “রেডিও তেহরান থেকে প্রচারিত বাংলা অনুষ্ঠানে বিশ্ব সংবাদ এবং দৃষ্টিপাতে বাংলাদেশ সংক্রান্ত বিশেষ প্রতিবেদন আমার খুবই প্রিয়। গত ২১ ডিসেম্বর তারিখে শ্রোতাদের অত্যন্ত প্রিয় অনুষ্ঠান প্রিয়জনে শ্রোতাবন্ধুদের চিঠিপত্রের উত্তর শুনছিলাম। এতে পশ্চিমবঙ্গের শ্রোতা নাজিমুদ্দিন ভাইয়ের সুমিষ্ট কণ্ঠে ও প্রাঞ্জল ভাষায় বিষয়ভিত্তিক সাক্ষাৎকারটি আমাকে মুগ্ধ করেছে। এই শ্রোতাবন্ধুকে আমি কখনো দেখিনি, তার ছবি দেখেছি। তার কণ্ঠ শুনলাম। তিনি আমাদের মনের কথাই বলেছেন। আন্তর্জাতিক বেতার শ্রোতা নাজিম উদ্দিন ভাইয়ের সাক্ষাৎকার গ্রহণ ও প্রচারের জন্য রেডিও তেহরানকেও ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।”
গাজী আবদুর রশিদ: নাজিমউদ্দিন ভাইয়ের সাক্ষাৎকারটি আপনিসহ বহু শ্রোতার প্রশংসা পেয়েছে। তবে আফজাল ভাই, আপনিও কিন্তু আমাদেরকে সাক্ষাৎকার দিতে পারেন। আগ্রহী হলে আপনার মোবাইল নাম্বারটি পাঠিয়ে দিন, আমরাই ফোন করে আপনার সাক্ষাৎকার নেওয়ার চেষ্টা করব। তো চিঠি ও মতামতের জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
আশরাফুর রহমান: কিশোরগঞ্জের গুরুদয়াল সরকারি কলেজের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোঃ শাহাদত হোসেন পাঠিয়েছেন পরের মেইলটি।
আকতার জাহান: শাহাদত ভাইতো ২০২০ সালে রেডিও তেহরানের শ্রেষ্ঠ শ্রোতা নির্বাচিত হয়েছেন- তাই না?
আশরাফুর রহমান: একদম ঠিক বলেছেন। শ্রেষ্ঠ শ্রোতা নির্বাচিত হওয়ার পর অনুভূতি জানিয়েই তিনি এই মেইলটি পাঠিয়েছেন। আমি বরং তার চিঠিটিই পড়ে শোনাচ্ছি। শাহাদত ভাই লিখেছেন, “রেডিও তেহরান বাংলা বিভাগের ২০২০ সালের শ্রেষ্ঠ শ্রোতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছি জেনে ভীষণ ভীষণ ভালো লাগছে। এ অনুভূতি ভাষায় প্রকাশের নয়। আসলে কিছু অনুভূতি আছে ভাষায় প্রকাশ করা যায় না, হৃদয়ের স্পন্দনেই তা বুঝতে হয়। দারুণ খুশি হয়েছি আমি এবং আমার পরিবারের সবাই। আমাকে ২০২০ সালের শ্রেষ্ঠ শ্রোতা হিসেবে নির্বাচিত করায় রেডিও তেহরানের সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।”
গাজী আবদুর রশিদ: বর্ষসেরা শ্রোতা পুরস্কার জেতায় শাহাদত ভাইকে প্রিয়জনের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। আমরা গত বছরের আগস্ট থেকে মাসিক শ্রেষ্ঠ শ্রোতা নির্বাচন শুরু করেছি। বিগত পাঁচ মাসের চিঠি, রিসিপশন রিপোর্ট এবং সোস্যাল মিডিয়াতে রেডিও তেহরানের পক্ষে তৎপরতার ভিত্তিতে এবার একজনকে বর্ষসেরা পুরস্কারে ভূষিত করেছি। তবে ২০২১ সালের শেষে আমরা দু’জনকে বর্ষসেরা শ্রোতা হিসেবে ঘোষণা করব ইনশাআল্লাহ। আশা করি আমাদের শ্রোতাবন্ধুরা মাসিক ও বার্ষিক শ্রেষ্ঠ শ্রোতার শিরোপা জেতার জন্য এখন থেকেই বেশি বেশি চিঠি লিখবেন এবং রিসিপশন রিপোর্ট পাঠাবেন।
আকতার জাহান: নরসিংদী জেলার বানিয়াছল বেতার বন্ধু সংসদের সভাপতি মোঃ হোসাইন মুসা পাঠিয়েছেন এবারের ইমেইলটি। তিনি লিখেছেন, “আমাদের জীবনে আজ মূল্যবোধ ক্ষয়ে গেছে। তাইতো এত সামাজিক ও মানবিক অবক্ষয়ের কারণে মানুষ মূল্যবোধ ভুলে বহুদূরে অন্ধকারে গিয়ে জীবনকে নানান অবিচার, অন্যায়ের পথে বিচরণ করাচ্ছে। তবে রেডিও তেহরানের ‘কুরআনের আলো’ অনুষ্ঠান আমাদের জীবনে ফিরে দিচ্ছে মূল্যবোধ, গড়ে উঠছে সামাজিক ও মানবিক উন্নয়নের আলোয় নতুন জীবন। এ জন্য রেডিও তেহরানের প্রতি কৃতজ্ঞ এমন সুন্দর অনুষ্ঠানের জন্য। কুরআনের আলোয় আলোকিত হোক গোটা মানব জাতি, গোটা পৃথিবী, গোটা সমাজ। বিশেষভাবে অনুরোধ করব, কুরআনের আলো অনুষ্ঠানটি যেন কোনোদিন বন্ধ না হয়। সারাজীবন মানব জাতিকে আলোকিত রাখতে এ অনুষ্ঠানের ভূমিকা অপরিসীম।”
আশরাফুর রহমান: ‘কুরআনের আলো’ অনুষ্ঠান সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন জেনে খুব ভালো লাগল। অনুষ্ঠানটি যেন কখনো বন্ধ না হয় সে চেষ্টা অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ। তো চিঠি লিখার জন্য হোসাইন মুসা ভাই আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
এবারের চিঠিটি পাঠিয়েছেন এস এম জাকির হোসেন, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার নওপাড়া শিমুলিয়া থেকে। তিনি লিখেছেন, “আমি রেডিও তেহরানের ৯০ দশকের শ্রোতা। রেডিও তেহরানের বাংলা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অনেক কিছু জেনেছি যা অন্য বেতার দেয় না। বিশ্বসংবাদ শুনে এক নজরে গোটা বিশ্বকে জানা যায়। নির্ভুল সঠিক সংবাদ রেডিও তেহরান থেকে পাই।”
গাজী আবদুর রশিদ: চিঠির শেষাংশে জাকির ভাই লিখেছেন, "প্রতি মাসে শ্রেষ্ঠ শ্রোতা নির্বাচনসহ রেডিও তেহরানের অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতা এক অভিনব ব্যাপার। সেই জন্য দিন দিন শ্রোতা সংখ্যা বাড়ছে। গত নভেম্বর মাসের অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়েছি। তার জন্য আপনাদের সকলের প্রতি অফুরন্ত ভালোবাসা রইল। জানি না পুরস্কার কিভাবে পাব?
আকতার জাহান: করোনা পরিস্থিতির কারণে ভারতের সঙ্গে ইরান, বাংলাদেশসহ বেশকিছু দেশের ডাক যোগাযোগ বন্ধ আছে। আমরা ইরানের পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকেও পুরস্কার পাঠানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছি। আবার ডাক যোগাযোগ চালু হলে ভারতের শ্রোতাবন্ধুদের সবার পুরস্কার একসঙ্গে পাঠানো হবে। তো চিঠি ও মতামতের জন্য জাকির হোসেন ভাই আপনাকে ধন্যবাদ।
আশরাফুর রহমান: ইমেইলে আসা শ্রোতাবন্ধুদের বেশকিছু মতামতসমৃদ্ধ চিঠি পড়া হলো। এবার আমরা সরাসরি মতামত জানব বাংলাদেশের ময়মনসিংহের শ্রোতাবন্ধু শুকুর মাহমুদের।

গাজী আবদুর রশিদ: তো আজকের এই সাক্ষাৎকার পর্বে অংশ নেওয়ার জন্য শুকুর মাহমুদ ভাই আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। আশা করি সময় সুযোগ পেলে আমাদের কাছে চিঠি লিখবেন।
আশরাফুর রহমান: সাক্ষাৎকারের পর আবারো ইমেইলের দিকে নজর দিচ্ছি। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাট ঢাকা কলোনী থেকে বিধান চন্দ্র স্যানালের একটি মেইল পড়ে শোনাচ্ছি। প্রিয়জন অনুষ্ঠান সম্পর্কে তিনি লিখেছেন, “প্রতিদিনের মত গরম চায়ের সঙ্গে ৪ জানুয়ারি রেডিও তেহরানের অনুষ্ঠানমালার সঙ্গে সম্পৃক্ত হই। আজকের অনুষ্ঠানমালায় ছিল পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, বিশ্ব সংবাদ, দৃষ্টিপাত, প্রিয়জন, কথাবার্তা আর সংক্ষিপ্ত বিশ্ব সংবাদ। দৃষ্টিপাতের পর প্রচারিত হয় সবার আকাঙ্ক্ষিত প্রিয়জন অনুষ্ঠান। আজকের প্রিয়জন বেশ উপভোগ্য ছিল। দশটি চিঠির পাশাপাশি বেশ কয়েকটি পত্রের প্রাপ্তি স্বীকার করা হয়। মাঝে ছিল পশ্চিমবঙ্গের শ্রোতা ভাই হাফিজুর রহমানের সাক্ষাৎকার। শেষে ছিল ফারসি গান। অপূর্ব সুন্দর সুরের মূর্ছনায় ডুবে গিয়েছিলাম। সাথে আবৃত্তি আকারে বাংলা অনুবাদ- অর্থ হৃদয়াঙ্গম করতে বিশেষ সাহায্য করে। শ্রোতা বন্ধুদের পত্র, সাক্ষাৎকার, ফারসি গান ও অনুবাদের মেলবন্ধনে প্রিয়জন হয়ে ওঠে খুবই আকর্ষণীয়।”
গাজী আবদুর রশিদ: ৪ জানুয়ারি প্রচারিত প্রিয়জন অনুষ্ঠান সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন জেনে ভালো লাগল। আশা করি চিঠি লেখা অব্যাহত রাখবেন।
ভারতের পর আবারো বাংলাদেশের একটি চিঠির দিকে নজর দিচ্ছি। নারায়ণগঞ্জের আলী সাহারদির উৎস ডিএক্স কর্ণার-এর প্রেসিডেন্ট এইচ এম তারেক পাঠিয়েছেন এটি। তিনি লিখেছেন, “পাশ্চাত্যে জীবন ব্যবস্থার ১২তম পর্বে পাশ্চাত্যে তালাক বা বিবাহ বিচ্ছেদের প্রবণতা সম্পর্কে জানলাম। সাধারণত যেসব কারণে ডিভোর্স বা বিবাহ বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটে তার মধ্যে কয়েকটি হল- আর্থসামাজিক সমস্যা, মানসিক রোগ, ক্রোধ, হতাশা, দায়িত্বজ্ঞানহীনতা, আকাশচুম্বী প্রত্যাশা, বিশ্বাসঘাতকতা এবং গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমের অদূরদর্শী ভূমিকা। মুসলিম দেশে তালাক নিন্দনীয় বলে গণ্য করা হয়। এ কারণে ওইসব দেশে তালাকের হার কম। অন্যদিকে পাশ্চাত্যের দেশগুলোতে তালাককে স্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে গণ্য করা হয়। এ কারণে ওইসব দেশগুলোতে তালাকের হার বেশি এবং ক্রমেই তা বাড়ছে।”
আকতার জাহান: মতামতের জন্য তারেক ভাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে পরের মেইলটির দিকে নজর দিচ্ছি। জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ থানার জাগো রেডিও লিসেনার্স ক্লাব থেকে এটি পাঠিয়েছেন হারুন অর রশীদ।
সালাম, আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানানোর পর তিনি লিখেছেন, "ব্যস্ত যান্ত্রিক জীবনে রেডিও তেহরান মনে আনে প্রশান্তি। অপসংস্কৃতি আর নানা অপঘাতে জীবন যখন বিপন্ন, রেডিও তেহরান তখন বিশুদ্ধ বিনোদনের স্নিগ্ধ পরশে জীবনকে করে তোলে পরিশুদ্ধ ও সজীবতায় পরিপূর্ণ। ভুল রথে চড়ে ভুল পথে যাওয়া ভ্রান্ত পথিককে মায়ের মতোই নির্ভুল বন্ধু হয়ে সত্য ও সঠিক পথ দেখায় রেডিও তেহরান। তাই তো রেডিও তেহরান আমার দুঃখ-সুখের পরম বন্ধু। আমার যাপিত জীবনের সমস্ত আবেগ আর ভালোবাসাজুড়ে আছে রেডিও তেহরান।"
আশরাফুর রহমান: রেডিও তেহরান সম্পর্কে আপনার চমৎকার কথামালা আমাদের অনুপ্রাণিত করে। আশা করি এভাবেই চিঠি লিখে আমাদের সাথে থাকবেন।
ঢাকার গেন্ডারিয়া থেকে মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান পাঠিয়েছেন এই মেইলটি। বিশ্বব্যাপী মার্কিন নীতির কড়া সমালোচনা করে তিনি লিখেছেন, “আমেরিকা কথায় কথায় গণতন্ত্রের ছবক দেয়, বিশ্বের মোড়লীপনা দাবি করে এবং সব সময় তথাকথিত মানবাধিকারের বুলি আওড়ায়। আসলে এসবের আড়ালে ইহুদীবাদী ইসরাইলের স্বার্থ সুরক্ষা করাই আমেরিকার গণতন্ত্রের মূলমন্ত্র। করোনা ভাইরাসের এ চরম ক্রান্তিকালে যেখানে সহমর্মিতা ও সহযোগিতার মাধ্যমে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দেওয়া প্রয়োজন, সেখানে ইরানের উপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করে মার্কিন সরকার প্রমাণ করেছে তারা কত নীচু প্রকৃতির মূল্যবোধ ধারণ করেন! আমরা এর তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানাই।”
গাজী আবদুর রশিদ: আমেরিকার ইরানবিদ্বেষী ও মানবতাবিরোধী নীতি সম্পর্কে জিল্লুর রহমান ভাই আপনার বক্তব্য তুলে ধরা হলো। আশাকরি পরবর্তী চিঠিতে আমাদের অনুষ্ঠান সম্পর্কেও মতামত জানাবেন। আসরের শেষ চিঠিটি এসেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর থানার সূচনা সমাজ কল্যাণ সংঘ থেকে। আর পাঠিয়েছেন মোঃ মিজানুর রহমান।
আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানানোর পর তিনি লিখেছেন, আপনাদের অনুষ্ঠান আমরা নিয়মিত শোনার চেষ্টা করছি এবং অনুষ্ঠান থেকে অনেক জ্ঞান অর্জন করতে পারছি। দীর্ঘদিন যাবৎ কুইজ বন্ধ থাকায় তা আবার চালু হওয়ায় আমরা ভীষণ খুশি এবং এতে করে শ্রোতা সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে বলে আমাদের বিশ্বাস।
আকতার জাহান: আমাদের অনুষ্ঠান, ওয়েবসাইটসহ বিভিন্ন বিষয়ে আরও যারা মতামত জানিয়েছেন কিন্তু সময়ের অভাবে তাদের চিঠি পড়া সম্ভব হচ্ছে না আমি তাদের কয়েকজনের পরিচয় তুলে ধরছি।
- কিশোরগঞ্জের খড়ম পট্টি থেকে শরিফা আক্তার পান্না
- বগুড়ার চাঁদনী বাজার থেকে মোঃ সাইফুল ইসলাম
- শাওন হোসাইন রাজবাড়ী থেকে
- ঢাকার গুলশান থেকে মোঃ জাহাঙ্গীর আলম
- এবং ফয়সাল আহমেদ সিপন গোপালগঞ্জের ঘোড়াদাইড় থেকে।
আশরাফুর রহমান: চিঠি লিখার জন্য আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তো শ্রোতাবন্ধুরা, অনুষ্ঠান থেকে বিদায় নেয়ার আগে আপনাদের জন্য রয়েছে একটি দেশের গান। ‘এক নয় সাত এক’ শিরোনামের ভীন্নধর্মী গানটির গীতিকার মাহফুজ বিল্লাহ শাহী, সুরকার গোলাম মাওলা। আর গেয়েছেন লিনু বিল্লাহ।
গাজী আবদুর রশিদ: তো বন্ধুরা, আপনারা গানটি শুনতে থাকুন আর আমরা বিদায় নিই চিঠিপত্রের আজকের আসর থেকে।
পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/১৯
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।