আওয়ামী লীগ আর গণতন্ত্র এই দুটি কখনো একসাথে যায় না: মির্জা ফখরুল
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i105424-আওয়ামী_লীগ_আর_গণতন্ত্র_এই_দুটি_কখনো_একসাথে_যায়_না_মির্জা_ফখরুল
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আর গণতন্ত্র এই দুটি কখনো একসাথে যায় না, এ কথাটি পরীক্ষিত সত্য।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
মার্চ ১৯, ২০২২ ১৫:৪২ Asia/Dhaka
  •  আওয়ামী লীগ আর গণতন্ত্র এই দুটি কখনো একসাথে যায় না: মির্জা ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আর গণতন্ত্র এই দুটি কখনো একসাথে যায় না, এ কথাটি পরীক্ষিত সত্য।

আজ শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে)-এর বার্ষিক কাউন্সিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা দেখছি অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশকে একটি কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্রে পরিণত করা হয়েছে। একইসাথে একটি ছদ্মবেশী বাকশাল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। তার ওপরে গণতন্ত্রের মোড়ক লাগানো হয়েছে। একটি নির্বাচনী তামাশা  হয়, সেখানে তারা তাদের মত নির্বাচন সাজিয়ে দেখায় তারা নির্বাচিত প্রতিনিধি। আর এভাবেই তারা মিথ্যার মধ্য দিয়ে তাদের ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করে চলেছে।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ১৯৭১ সালে আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের অন্যতম লক্ষ্য ছিল দেশে স্বাধীন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠা করা।কারণ,  গণতন্ত্র ও স্বাধীন গণমাধ্যম একে অপরের সাথে অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িত। দুর্ভাগ্যজনক বিষয় যে, গণতন্ত্র ও স্বাধীন গণমাধ্যমের সবচেয়ে বেশি যারা ক্ষতি করেছে সেই দলটি হলো আওয়ামী লীগ।  

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ যখনই যেকোনো উপায়ে ক্ষমতা দখল করে তাদের প্রধান লক্ষ্য থাকে সংবাদপত্রের স্বাধীনতাকে ধ্বংস করা। আমরা ১৯৭২-৭৫ এর ইতিহাস জানি। কিভাবে সকল সংবাদমাধ্যমগুলোকে নিষিদ্ধ করে দিয়ে একদলীয় বাকশাল কায়েম করা হয়েছিল। গত এক যুগ ধরে এই আওয়ামী লীগের প্রধান টার্গেট হচ্ছে গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ। গণমাধ্যমকে আক্রমণ করে তাদের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সত্য যে কথা বলা তাকে সম্পূর্ণভাবে নির্বাসিত করা।বিএনপি মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশ গত ১২ বছরে আওয়ামী শাসনামলে এমন একটি পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছে সত্যিকার অর্থে রাষ্ট্র বলতে আর কিছু নেই। আমরা রাষ্ট্র বলতে যে জিনিসগুলো বুঝি বিশেষ করে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র, যেখানে মানুষের কথা বলার স্বাধীনতা থাকবে, মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে, ভিন্নমত পোষণের স্বাধীনতা থাকবে, সেগুলো একেবারেই ধ্বংস করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের বিচার হবে, সেই বিচার হবে সংবিধান ধ্বংস করার জন্য। পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তারা পুরোপুরি তিনটি অনুচ্ছেদ পরিবর্তন করেছে। আজকে যেসকল আইন করা হচ্ছে বিশেষ করে সংবাদমাধ্যম নীতিমালার কথা যেটা বলা হচ্ছে, তার  প্রতিটি আইন হচ্ছে সংবাদ মাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য।

এসময় তিনি আরো বলেন, আমাদের সমাজে একটা স্থায়ী ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে। সেই ক্ষতটা হচ্ছে বিভাজন। এই সাংবাদিক ইউনিয়নে দুই ভাগ, সংবাদ কর্মীরা দুই ভাগ। অর্থাৎ কেউ আর একটা জায়গায় নেই। ফলে সাংবাদিকতার সার্বজনীন যে বিষয় তা এখন বিলুপ্ত ##

পার্সটুডে/এআরকে/ এমবিএ/ ১৯