ইভিএম কিনতে ৮ হাজার ৭১১ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন দিল ইসি
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i113442-ইভিএম_কিনতে_৮_হাজার_৭১১_কোটি_টাকার_প্রকল্প_অনুমোদন_দিল_ইসি
বাংলাদেশের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যবহারের লক্ষ্যে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) কেনার জন্য ৮ হাজার ৭১১ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
(last modified 2026-04-10T03:25:29+00:00 )
সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২২ ১১:২৬ Asia/Dhaka
  • ইভিএম কিনতে ৮ হাজার ৭১১ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন দিল ইসি

বাংলাদেশের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যবহারের লক্ষ্যে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) কেনার জন্য ৮ হাজার ৭১১ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

আজ (সোমবার) কমিশন বৈঠকে নতুন প্রকল্প প্রস্তাবটি অনুমোদন করে নির্বাচন কমিশন। করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বৈঠকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত থেকে সিদ্ধান্তগ্রহণ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ বলেছেন, "আমরা আজকের বৈঠকে বিষয়টি চূড়ান্ত করেছি। মোট দুই লাখ ইভিএম কেনা হবে। এক্ষেত্রে ইভিএমের সংরক্ষণের জন্য ওয়্যারহাউজ, গাড়ি, প্রশিক্ষণ প্রভৃতি খাতে এই অর্থ ধরা হয়েছে।"

বৈঠকের পর নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর সাংবাদিকদের বলেন, "আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে সর্বোচ্চ ১৫০ আসনে ইভিএমে ভোট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। বর্তমানে আমাদের কাছে যে ইভিএম আছে, তা দিয়ে সর্বোচ্চ ৭০ থেকে ৮০টি আসনে ভোট করার সম্ভব। তাই ১৫০টি আসনে নির্বাচন করতে হলে নতুন করে ইভিএম কিনতে হবে। এজন্য ইসি সচিবালয় নতুন একটি প্রকল্প প্রস্তাব কমিশন সভায় তুলেছিল। আমরা এটার অনুমোদন দিয়েছি। এখন পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হবে। তারা অনুমোদন করবে কী করবে না এটা তাদের বিষয়।"

বেশিরভাগ রাজনৈতিক দলের বিরোধিতা সত্ত্বেও আগামী জাতীয় নির্বাচনে অনূর্ধ্ব ১৫০ আসনে ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গত ফেব্রুয়ারিতে বর্তমান নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব নেওয়ার পর শিক্ষাবিদ, বিশিষ্ট নাগরিক ও সাংবাদিকসহ অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপ করেছিল। তাদের বেশিরভাগই ইভিএমের বিপক্ষে বা সংশয় প্রকাশ করেছিলেন। নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধিত ৩৯টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ২৮টি দল কমিশনের সঙ্গে সংলাপে বসেছে। তাদের মধ্যে ১০টি দল সরাসরি ইভিএমের বিপক্ষে মত দিয়েছে। দলগুলো হচ্ছে—জাতীয় পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, গণফোরাম, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (বাংলাদেশ ন্যাপ), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, খেলাফত মজলিস ও বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (বিএমএল)।

সংলাপে ইভিএমের পক্ষে মত দিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও তাদের শরীক ৩টি দল— বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (এমএল), বিকল্পধারা বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন। এর মধ্যে তরিক ফেডারেশন ১৫০ আসনে ইভিএমের পক্ষে মত দিয়েছে।

সংলাপে অংশ নেওয়া ২৮ দলের মধ্যে ২টি দলের ইভিএম নিয়ে কোনো মতামত নেই। আর বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদসহ ১২টি দল শর্তসাপেক্ষে ইভিএম ব্যবহার করা যায় বলে মত দিয়েছে।#

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/১৯

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।