আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা: অচিরেই গুপ্তহত্যা বন্ধ হবে- তোফায়েল
-
ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শ্রদ্ধা নিবেদন
বাণিজ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, “সরকার সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদের বিষয়ে জিরো টলারেন্স অবস্থানে রয়েছে। এগুলো নির্মূল করা হবে। অচিরেই এ সব গুপ্তহত্যা বন্ধ হবে।”
আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠার ৬৮ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দলের পক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এ মন্তব্য করেন তিনি।
দেশের চলমান গুপ্ত হত্যা বিষয়ে খালেদা জিয়ার বক্তব্যের সমালোচনা করে তোফায়েল আহমেদ বলেন, খালেদা জিয়া হতাশ হয়ে এসব হত্যাকাণ্ড নিয়ে আওয়ামী লীগের ওপর দোষ চাপাচ্ছেন।
এ সময় আওয়ামী লীগের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের কথা তুলে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগের ইতিহাস সংগ্রামের ইতিহাস। আওয়ামী লীগের ইতিহাস অর্জনের ইতিহাস।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ যখন উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন দেশবিরোধী চক্র ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তাদের ষড়যন্ত্র সফল হবে না।
সকাল সাড়ে ৮টায় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর সড়কে পৌঁছে প্রথমে সরকারপ্রধান হিসেবে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এসময় তিনি কিছুক্ষণ সেখানে নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। পরে দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়ে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী হিসাবে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দেন।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর শান্তির প্রতীক সাদা পায়রা অবমুক্ত করেন ও বেলুন উড়িয়ে দেন। সেখান থেকে তিনি বঙ্গবন্ধু ভবনের ভেতরে যান ও বেশ কিছু সময় অতিবাহিত করেন। প্রধানমন্ত্রী ধানমণ্ডির কর্মসূচি শেষে বেরিয়ে গেলে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলো একে একে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানায়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমদ ও ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, ওবায়দুল কাদের, মোশাররফ হোসেন, সাহারা খাতুন ও সতীশ চন্দ্র রায়, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব উল-আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক ও দীপু মণিসহ সংগঠনের নেতারা।#
পার্সটুডে/এআর/২৩