করাচিতে বাংলাদেশ মিশনে আগুনের গোলা নিক্ষেপ: ঢাকায় পাক হাইকমিশনারকে তলব
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i31785-করাচিতে_বাংলাদেশ_মিশনে_আগুনের_গোলা_নিক্ষেপ_ঢাকায়_পাক_হাইকমিশনারকে_তলব
করাচিতে বাংলাদেশের উপহাইকমিশনে ‘আগুনের গোলা’ নিক্ষেপের ঘটনায় ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার রাফিউজ্জামান সিদ্দিকীকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তাকে তলব করে কড়া প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি পাকিস্তানে বাংলাদেশের কূটনীতিক ও কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানানো হয়।
(last modified 2026-06-27T09:59:16+00:00 )
জানুয়ারি ২৫, ২০১৭ ২৩:১৩ Asia/Dhaka
  • ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার রাফিউজ্জামান সিদ্দিকী
    ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার রাফিউজ্জামান সিদ্দিকী

করাচিতে বাংলাদেশের উপহাইকমিশনে ‘আগুনের গোলা’ নিক্ষেপের ঘটনায় ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার রাফিউজ্জামান সিদ্দিকীকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তাকে তলব করে কড়া প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি পাকিস্তানে বাংলাদেশের কূটনীতিক ও কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানানো হয়।

পরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকায় পাকিস্তানের হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ এশিয়া অনুবিভাগের মহাপরিচালক মনোয়ার হোসেনের দপ্তরে তলব করা হয়। তাঁকে ইসলামাবাদে বাংলাদেশের হাইকমিশনার, করাচিতে উপহাইকমিশনারসহ তাঁদের কর্মীদের নিরাপত্তা জোরদারের ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানানোর বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। এ সময় পাকিস্তানের হাইকমিশনারকে মনে করিয়ে দেয়া হয়, কোনো রকম অপ্রত্যাশিত কিংবা আক্রমণাত্মক হামলা থেকে সার্বক্ষণিকভাবে কূটনৈতিক মিশনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাটা স্বাগতিক রাষ্ট্রের দায়িত্ব। পাকিস্তানে বাংলাদেশের মিশনগুলোতে নিরাপত্তাকর্মীর সংখ্যা বাড়াতে পাকিস্তানের হাইকমিশনারকে বলা হয়েছে।

করাচিতে বাংলাদেশের উপহাইকমিশনার নূর-এ-হেলাল সাইফুর রহমান বুধবার রাতে বাংলাদেশের গণমাধ্যমকে জানান, ‘মঙ্গলবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে কয়েকজন দুর্বৃত্ত আমাদের মিশন লক্ষ্য করে একটি আগুনের গোলা ছুড়ে মারে। মিনিট খানেক জ্বলে ওঠার পর সেটি নিভে যায়। এ সময় মিশনে উপস্থিত কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি স্থানীয় চ্যান্সেরি পুলিশকে জানানোর পর সেখানকার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় থানার কর্মকর্তারা মিশনে আসেন। পরে বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলের সদস্যরা এসে নিক্ষিপ্ত বস্তুটি ‘জ্বলন্ত ফ্লেয়ার’ বলে চিহ্নিত করেন। রাতে মিশনে বাড়তি নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েছে সেখানকার স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

নূর-এ-হেলাল সাইফুর রহমান জানান, বুধবার পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাষ্ট্রাচার বিভাগের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা বাংলাদেশ মিশন পরিদর্শন করেন এবং সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। তবে আগুনের গোলা ছোড়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।

তিনি বলেন, ‘ওই ঘটনার পর করাচি মিশন, কূটনৈতিক এবং কর্মীদের বাসায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। জোরদার করা হয়েছে টহল। বুধবার স্বাভাবিক নিয়মে দাপ্তরিক কাজকর্ম চললেও উদ্বেগ কাটেনি। কারণ, গত বছর আমি এখানে আসার পর এ ধরনের কোনো ঘটনার মুখোমুখি হইনি।’

নূর-এ-হেলাল আরও জানান, করাচির ঘটনাটি তাৎক্ষণিকভাবে ইসলামাবাদে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার তারিক আহসান এবং ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে।#

পার্সটুডে/এআর/২৬