৭ নভেম্বর জাতীয় জীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ: ফখরুল
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i74870-৭_নভেম্বর_জাতীয়_জীবনে_খুবই_গুরুত্বপূর্ণ_ও_তাৎপর্যপূর্ণ_ফখরুল
আগামী ৭ নভেম্বর 'জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস' উপলক্ষে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। আজ (বুধবার) বিএনপির সম্পাদকমণ্ডলী ও অঙ্গ সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের সমন্বয়ে এক যৌথসভা শেষে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
(last modified 2026-04-22T13:03:13+00:00 )
অক্টোবর ৩০, ২০১৯ ১২:৪৬ Asia/Dhaka
  • মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
    মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

আগামী ৭ নভেম্বর 'জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস' উপলক্ষে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। আজ (বুধবার) বিএনপির সম্পাদকমণ্ডলী ও অঙ্গ সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের সমন্বয়ে এক যৌথসভা শেষে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

এসময় মির্জা ফখরুল বলেন, ৭ নভেম্বর জাতীয় জীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সমুন্বত রাখতে দেশপ্রেমিক সিপাহী জনতার সমন্বয়ে বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল। আজও বাংলাদেশে সেরকম আগ্রাসী তৎপরতা ও স্বৈরাচারী শাসন বিরাজ করছে। বর্তমান সরকার ক্রীড়নকে পরিণত হয়েছে। আমরা দেশের নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা পাচ্ছি না। কৃষক ধানের দামসহ উৎপাদিত পণ্যের মূল্য পাচ্ছে না। আমাদের অর্থনীতি ধ্বংস করে দেয়া হচ্ছে। দেশে গণতন্ত্র না থাকার কারণে দেশ এমন পরিণতি ভোগ করছে।

মির্জা ফখরুল ক্ষোভের সাথে বলেন, দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই সংগ্রাম করেছেন যে নেত্রী, সেই বেগম খালেদা জিয়াকে ২০ মাস ধরে কারাগারে বন্দি করে রেখেছে সরকার। তার প্রাপ্য জামিনও দেয়া হচ্ছে  না। তাকে সুচিকিৎসা থেকেও  বঞ্চিত করা হচ্ছে।  

এরকম পরিস্থিতিতে ৭ নভেম্বরকে সামনে রেখে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের বাকস্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার অঙ্গীকার নিয়ে মাসব্যাপী কর্মসূচির মাধ্যমে জনগণের কাছে যাবার ঘোঘণা দিয়েছে বিএনপি।

ঘোষিত কর্মসূচী অনুযায়ী, ৭ নভেম্বর সকাল ৬টায় ঢাকাসহ সারাদেশে দলীয় কার্যালয়ে দলীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। একইদিন সকাল ১০টায় শেরেবাংলা নগরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত করা হবে। এছাড়া অঙ্গ সংগঠনগুলো মাসব্যাপী পৃথক কর্মসূচি পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি জনসভা করার প্রস্তাবও এসেছে।

বিএনপি 'জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস' হিসেবে পালন করলেও আওয়ামী লীগসহ কয়েকটি দল ও সংগঠন 'মুক্তিযোদ্ধা সৈনিক হত্যা দিবস' হিসেবে পালন করে আসছে। আর ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক মিত্র জাসদ দিনটি 'সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান দিবস' হিসেবে পালন করে থাকে।#

পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/৩০

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।