রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে নষ্ট করে ফেলা হয়েছে: ফখরুলের অভিযোগ
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i75372-রাষ্ট্রীয়_প্রতিষ্ঠানগুলোকে_নষ্ট_করে_ফেলা_হয়েছে_ফখরুলের_অভিযোগ
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকারের ব্যর্থতার জন্য আজ জনজীবনে নানা দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। এ সরকার জনগণের ভোট ছাড়া নির্বাচিত হবার কারণে সর্বক্ষেত্রে তাদের ব্যর্থতাগুলো ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে।  
(last modified 2026-04-22T13:03:13+00:00 )
নভেম্বর ২০, ২০১৯ ১৬:৪৮ Asia/Dhaka
  • মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
    মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকারের ব্যর্থতার জন্য আজ জনজীবনে নানা দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। এ সরকার জনগণের ভোট ছাড়া নির্বাচিত হবার কারণে সর্বক্ষেত্রে তাদের ব্যর্থতাগুলো ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে।  

আজ (বুধবার) সকালে ঠাকুরগাঁও শহরে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের কাছে এমন মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, দুর্ভাগ্যক্রমে যে রাজনৈতিক দলটি সব সময় গণতন্ত্রের কথা বলেছে, সেই দলটিই একবার ১৯৭৫ সালে আর এখন ধীরে ধীরে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ভেঙে দিয়েছে। তারা একটা অভিনব পদ্ধতিতে ছদ্মবেশে একদলীয় শাসনব্যবস্থা নিয়ে এসেছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলোকে নষ্ট করে ফেলা হয়েছে। রাষ্ট্রের প্রধান বিষয় হচ্ছে মুক্ত গণমাধ্যম। এই বিষয়গুলো পুরোপুরিভাবে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। পার্লামেন্ট বলতে আর কিছুই নেই। সেখানে একদল ছাড়া দুই দল বলতে কিছুই নেই। ফলে স্বাভাবিকভাবেই এ ধরনের একটা সরকারের পক্ষে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়।

এত সংকটের পরও মানুষের প্রতিরোধ গড়ে উঠেছে না কেন—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ফখরুল বলেন, একটা ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোর পক্ষে ফ্যাসিবাদের সঙ্গে লড়াই করা খুব কঠিন হয়ে যায়। এরপরও প্রতিরোধ আস্তে আস্তে তৈরি হচ্ছে। আমার বিশ্বাস, গণ–অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়েই এই সরকারকে বিদায় নিতে হবে।

মির্জা ফখরুল আরো বলেন, দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি ক্রমান্বয়ে নষ্ট হয়েছে। এখানে ক্ষমতায় টিকে থাকাটাই প্রধান লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটা করতে গিয়ে নীতি–নৈতিকতাবির্বজিত কাজ করছে। ছাত্রদের ব্যবহার করা হয়েছে রাজনৈতিক দলগুলোর বাহিনী হিসেবে।

তিনি বলেন, ছাত্রদের শুধু রাজনৈতিক দলগুলোর ঢাল হিসেবে নয়, দেশের কথা চিন্তা করা, পরিবর্তনের কথা চিন্তা করা, সমাজ বদলে দেওয়ার মতো কাজগুলো নিয়ে এগিয়ে আসা উচিত।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, দেশের এই সংকটের সময় জাতির দিকে তাকিয়ে নিজ দল-গোষ্ঠী থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। দেশ ব্যর্থরাষ্ট্রে পরিণত হচ্ছে। এখান থেকে উঠে দাঁড়াতে হলে খালেদা জিয়ার মতো নেত্রীর সঙ্গেই আলোচনা করতে হবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘খালেদা জিয়া দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা। তিনি গণতন্ত্রকামী জনগণকে প্রতিনিধিত্ব করেন। খালেদা জিয়া কারাগার থেকে বের হলে, দেশে যে সংকট রয়েছে, তা কাটানো সম্ভব হতো। সরকার যদি খালেদা জিয়ার সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে, তাঁর পরামর্শ নেয়, তবে দেশ সংকট থেকে মুক্তি পেতে পারত।’#

পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/২০

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।