স্থানীয় নির্বাচনে পরীক্ষিত ও ত্যাগীদের নাম পাঠানোর নির্দেশ ওবায়দুল কাদেরের
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i99128-স্থানীয়_নির্বাচনে_পরীক্ষিত_ও_ত্যাগীদের_নাম_পাঠানোর_নির্দেশ_ওবায়দুল_কাদেরের
বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তৃণমূল থেকে নাম পাঠানোর ক্ষেত্রে বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে দলের পরীক্ষিত ও ত্যাগীদের নাম কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশনা দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক-সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আজ (সোমবার) সকালে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে এক ব্রিফিংয়ে এ নির্দেশনা দেন তিনি।
(last modified 2026-04-10T03:25:29+00:00 )
অক্টোবর ২৫, ২০২১ ১৫:৫৩ Asia/Dhaka

বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তৃণমূল থেকে নাম পাঠানোর ক্ষেত্রে বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে দলের পরীক্ষিত ও ত্যাগীদের নাম কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশনা দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক-সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আজ (সোমবার) সকালে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে এক ব্রিফিংয়ে এ নির্দেশনা দেন তিনি।

কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আপিল করার সুযোগ রয়েছে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে জমা দেওয়া হচ্ছে। তিনি জানান, ইতোমধ্যেই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কিছু কিছু স্থানে প্রার্থী পরিবর্তন করা হয়েছে।

এর আগের ধাপে গত ২০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত ১৬০টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচনের পর পরই ব্রিফিং করে সরকারি দল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নির্বাচন পুরোপুরি সুষ্ঠু হয়নি। 

এ অবস্থায়, নির্বাচন কমিশন আগামী ১২ নভেম্বর ২য় ধাপে সারাদেশে ৮৪৮টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে।

তবে, দ্বিতীয় ধাপেও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ের পথে রয়েছেন ত্রিশ জনের অধিক চেয়ারম্যান প্রার্থী। তারা সবাই আওয়ামী লীগের মনোনীত। এসব ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় তারা জয়ী হতে যাচ্ছেন। আর আগামীকাল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ আরও কিছু প্রার্থী বিনা ভোটেই চেয়ারম্যান হয়ে যাবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইসির একাধিক কর্মকর্তা জানান, দ্বিতীয় ধাপে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। 

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিরোধী বিএনপিসহ বেশীরভাগ রাজনৈতিক দল অংশ গ্রহণ না করলেও এবারের নির্বাচনকে কেন্দ্র করেও সংঘাত-সংঘর্ষ বেড়েই চলেছে। প্রতিদিনই বিভিন্ন স্থানে ঘটছে হানাহানি, বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট। সংঘাতে হতাহতের ঘটনাও ঘটছে।

যশোরের নির্বাচনকে উপলক্ষ করে বেনাপোলে বোমা বানানোর সময় গত শনিবার তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। ফরিদপুরে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে  শনিবার সকালে একজন নিহত হয়েছেন। এ নিয়ে দিনভর সংঘর্ষে বাড়িঘরে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। সিলেট সদর উপজেলার জালালাবাদেও একজন নিহত হয়েছেন। সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায়ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীকে মারপিট, তার নির্বাচনী অফিস ভাংচুর এবং বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে।#

পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/২৫

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।