‘মানবাধিকার লঙ্ঘনে কানাডার রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস’
জাতিসংঘে কানাডার উদ্যোগ পাস হওয়া প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে কানাডার উদ্যোগে ইরানবিরোধী যে প্রস্তাব পাস করা হয়েছে তা কঠোর ভাষায় প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকায়ি বলেছেন, ভিত্তিহীন দাবি ও ত্রুটিপূর্ণ তথ্যপ্রমাণের উপর নির্ভর করার কারণে এটি আইনগতভাবে ভিত্তিহীন এবং মৌলিকভাবে অবৈধ।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে মঙ্গলবার ইরানকে মানবাধিকার লঙ্ঘন করার দায়ে অভিযুক্ত করে একটি প্রস্তাব পাস হয়। প্রস্তাবটির পক্ষে মাত্র ৮০ দেশ ভোট দিলেও ৬৮ দেশ এর বিরোধিতা করে এবং ২৭ দেশ ভোটদানে বিরত থাকে।
বাকায়ি বলেন, জাতিসংঘের বেশিরভাগ সদস্যদেশ প্রস্তাবটির বিরোধিতা করেছে অথবা ভোটদানে বিরত থেকেছে। এসব দেশ মূলত মানবাধিকারকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার জঘন্য সংস্কৃতির বিরোধিতা করেছে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, যে দেশটি ইরানের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছে এবং তাকে যারা সমর্থন জানিয়েছে তাদের নিজেদের রয়েছে মানবাধিকার লঙ্ঘন করার দীর্ঘ ইতিহাস।
বিশেষ করে বর্তমানে গাজা উপত্যকায় ইসরাইল যে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধযজ্ঞ চালাচ্ছে তার প্রতি এসব দেশের সর্বাত্মক সমর্থন রয়েছে। এছাড়া, প্রস্তাবটির পক্ষে ভোটদানকারীর বেশিরভাগ পশ্চিমা দেশও ইসরাইলকে মানবাধিকার লঙ্ঘন করার কাজে সহযোগিতা করে যাচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
বাকায়ি বলেন, পশ্চিমা দেশগুলো মানবাধিকারকে তাদের অশুভ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার হাতিয়ারে পরিণত করেছে। তিনি সরাসরি ইহুদিবাদী ইসরাইল, আমেরিকা, ব্রিটেন ও কানাডাকে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘনকারী হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, কথিত মানবাধিকার রক্ষাকারীদের হাতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের এ ঘটনা চরম লজ্জার বিষয়।#
পার্সটুডে/এমএমআই/১৯
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।