ট্রাম্পের মুখে প্রচণ্ড জোরে একটি চড় মারতে ইচ্ছে হয়: মার্কিন গণমাধ্যম-ব্যক্তিত্ব
https://parstoday.ir/bn/news/event-i161940-ট্রাম্পের_মুখে_প্রচণ্ড_জোরে_একটি_চড়_মারতে_ইচ্ছে_হয়_মার্কিন_গণমাধ্যম_ব্যক্তিত্ব
পার্সটুডে – যুক্তরাষ্ট্রের পরিচিত গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব টাকার কার্লসন ইরানের মিনাব শহরের শাজারে তাইয়্যেবে (শাজারে তায়্যেবে) বালিকা বিদ্যালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হামলাকে "অবিশ্বাস্য-সত্য" বলে মন্তব্য করেছেন।
(last modified 2026-08-05T07:17:58+00:00 )
আগস্ট ০৫, ২০২৬ ১৩:০৭ Asia/Dhaka
  • মার্কিন গণমাধ্যমের পরিচিত মুখ টাকার কার্লসন
    মার্কিন গণমাধ্যমের পরিচিত মুখ টাকার কার্লসন

পার্সটুডে – যুক্তরাষ্ট্রের পরিচিত গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব টাকার কার্লসন ইরানের মিনাব শহরের শাজারে তাইয়্যেবে (শাজারে তায়্যেবে) বালিকা বিদ্যালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হামলাকে "অবিশ্বাস্য-সত্য" বলে মন্তব্য করেছেন।

তিনি বলেছেন, "ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি বালিকা বিদ্যালয়ে বোমা হামলা চালিয়েছেন, তারপর এ জন্য ক্ষমাও চাননি। আমার ইচ্ছে করে তাঁর মুখে একটি জোরালো চড় মারি।"

পার্সটুডে, ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার সংস্থার খবর বিভাগের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, টাকার কার্লসন তাঁর ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া এক বক্তব্যে বলেন, ট্রাম্প প্রশাসন এবং যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধমন্ত্রী পিট হেগসেথ কখনোই ইরানের মিনাবের শাজারে তাইয়্যেবে বিদ্যালয়ে চালানো ওই "নৃশংস হামলার" জন্য ক্ষমা চাননি; বরং শুরুতে ঘটনাটি অস্বীকার করারও চেষ্টা করেছিলেন। তিনি বলেন, "আমার ইচ্ছে করে ট্রাম্পের মুখে একটি প্রবল জোরালো চড় মারি।"

এই মার্কিন রক্ষণশীল গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব আরও বলেছেন, "এত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও একটি বালিকা বিদ্যালয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে হামলা চালানো হয়েছে—এই সত্যটি বিশ্বাস করা আমার জন্য কঠিন।"

এর আগে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম স্কাই নিউজ সাতজন স্বাধীন বিশেষজ্ঞের মতামত, স্যাটেলাইট চিত্র, ব্যবহৃত গোলাবারুদের অবশিষ্টাংশ এবং ধ্বংসযজ্ঞের ধরন বিশ্লেষণ করে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে মিনাবের শাজারে তাইয়্যেবে বিদ্যালয়ে হামলা এবং সেখানে অধ্যয়নরত শিশুদের নিহত হওয়ার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দায়ী বলে উল্লেখ করেছিল।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শিশু হত্যায় অভ্যস্ত বর্বর-সন্ত্রাসী মার্কিন ও ইসরায়েলি শাসক-চক্র ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসী হামলার প্রথম প্রহরে, দক্ষিণ ইরানের মিনাব শহরের শাজারে তাইয়্যেবে বিদ্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর মাধ্যমে আরেকটি "ইচ্ছাকৃত ও অযৌক্তিক যুদ্ধাপরাধ" সংঘটিত হয়।

এই মানবিক বিপর্যয়ে বিদ্যালয়ের ১৬৮ জন ছাত্রী-ছাত্র, পাশাপাশি কয়েকজন শিক্ষক, বিদ্যালয়ের কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীদের অভিভাবক শহীদ হন। #
 

পার্সটুডে/এমএএইচ/০৫

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।