পশ্চিমবঙ্গে দুই দিনে ১,৫০০ মসজিদ ও মন্দিরের মাইক অপসারণ
https://parstoday.ir/bn/news/event-i161980-পশ্চিমবঙ্গে_দুই_দিনে_১_৫০০_মসজিদ_ও_মন্দিরের_মাইক_অপসারণ
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গত দুই দিনে প্রায় ১,৫০০টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান থেকে লাউডস্পিকার অপসারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে অন্তত ১,২৭৯টি মসজিদ এবং ১৯৯টি মন্দির রয়েছে। জনসাধারণের পক্ষ থেকে আসা একাধিক শব্দদূষণের অভিযোগের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।
(last modified 2026-08-06T13:02:04+00:00 )
আগস্ট ০৬, ২০২৬ ১৮:৫২ Asia/Dhaka
  • পশ্চিমবঙ্গে দুই দিনে ১,৫০০ মসজিদ ও মন্দিরের মাইক অপসারণ

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গত দুই দিনে প্রায় ১,৫০০টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান থেকে লাউডস্পিকার অপসারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে অন্তত ১,২৭৯টি মসজিদ এবং ১৯৯টি মন্দির রয়েছে। জনসাধারণের পক্ষ থেকে আসা একাধিক শব্দদূষণের অভিযোগের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

রাজ্য পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা স্পষ্ট জানিয়েছেন, কোনো নির্দিষ্ট ধর্মের ওপর ভিত্তি করে নয়, বরং "সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ওপর সমানভাবে" এবং নিরপেক্ষ প্রশাসনিক ব্যবস্থার অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

অভিযান পরিচালনার সময় পুলিশ সদস্যরা বিভিন্ন মসজিদ ও মন্দির পরিচালনা কমিটির প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন। তাঁদের পাবলিক অ্যাড্রেস সিস্টেম বা মাইক খুলে ফেলতে এবং নির্ধারিত শব্দবিধি কঠোরভাবে মেনে চলতে অনুরোধ জানানো হয়।

পশ্চিমবঙ্গের 'শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা) বিধিমালা, ২০০০' অনুযায়ী, সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত দিনের বেলায় মাইক বা লাউডস্পিকার ব্যবহারের জন্য পুলিশের পূর্বানুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। তাছাড়া শব্দযন্ত্রে সাউন্ড লিমিটার ব্যবহার করা এবং স্থানভেদে শব্দের মাত্রা ৫০ থেকে ৭৫ ডেসিবেলের মধ্যে রাখা আইনত বাধ্যতামূলক।

তবে পুলিশের এই পদক্ষেপ নিয়ে কিছুটা মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কয়েকটি মসজিদ ও মন্দির কমিটির প্রতিনিধিরা জানান, স্থানীয় থানা থেকে পুলিশ এসে তাঁদের মৌখিকভাবে লাউডস্পিকার সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত আদেশপত্র দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন একাধিক কমিটির প্রতিনিধি।

আইন প্রয়োগকারী সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মূল উদ্দেশ্য হলো জনস্বার্থ রক্ষা করা এবং বিদ্যমান শব্দদূষণ সংক্রান্ত আইন কার্যকর করা। আগামী দিনগুলোতেও রাজ্যের সর্বত্র নির্ধারিত শব্দসীমা বজায় রাখা হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত মনিটরিং ও নজরদারির আওতায় রাখা হবে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে সতর্ক করা হয়েছে। #

পার্সটুডে/এমএআর/৬