অভিষেককে সমন পাঠাল ‘ইডি’, ‘প্রতিহিংসার রাজনীতি’ বলল তৃণমূল
-
সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়
তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সমন পাঠিয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। তৃণমূলের পক্ষ থেকে ওই ঘটনাকে ‘বিজেপি’র প্রতিহিংসার রাজনীতি’ বলে মন্তব্য করেছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) আগামী (শুক্রবার) সকাল ১১টায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করা হয়েছে। সূত্রের খবর, দিল্লির ‘ইডি’ কর্মকর্তারা তাকে কোলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন।
এপ্রসঙ্গে আজ (মঙ্গলবার) তৃণমূলের রাজ্য সহসভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, ‘কেন্দ্রীয় বিজেপি সরকার প্রতিহিংসার রাজনীতি করছে। সারা ভারত জুড়ে এই ‘ইডি’-‘সিবিআই’কে নিজেদের কাজে লাগাচ্ছে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কাজে লাগাচ্ছে। এ নিয়ে কারও মনে কোনও সন্দেহও নেই এখন। বিজেপি নেতাদের বক্তব্যে প্রকাশ পাচ্ছে, তারা বলে ফেলছেন এবার এর বাড়ি যাবে ‘ইডি’, এর বাড়িতে ‘সিবিআই’ যাবে! আগেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে অনেকবার ডাকা হয়েছে, তিনি ঘণ্টার পর ঘণ্টা কথা বলেছেন। কিন্তু হয়েছে টা কী? হয়েছে তো কাঁচকলা! কারণ, ‘ইডি’-‘সিবিআই’ যে নিছক প্রতিহিংসার জন্য এই ব্যবস্থা গ্রহণ করছে এতে তো কারও সন্দেহ নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিহিংসার রাজনীতিতে ধমকে-চমকে তৃণমূলকে দমানো যাবে না। তারা পশ্চিমবঙ্গে পরাজয় স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে সেটা হজম হয়নি। ওই বীভৎস হার, শোচনীয় পরাজয় অমিত শাহ এবং নরেন্দ্র মোদীর। তারা এটা হজম করতে পারেনি বলে, এখনও সেই বদ হজমের চোঁয়াঢেঁকুর উঠছে। এবং তারই প্রতিফলন হচ্ছে এই প্রতিহিংসার রাজনীতিতে।’
এ প্রসঙ্গে তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেছেন, ‘গত ২১ জুলাই বড় সমাবেশ দেখেছে। তার পরের ফল মানুষ দেখেছে। তবে এই ঘটনা প্রমাণ করে দিচ্ছে, এই তলবের পিছনে রয়েছেন বিজেপি নেতারাই। ওরা অভিষেককে ভয় পায়।’ প্রসঙ্গত, এর আগেও কয়লা পাচার মামলায় অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।#
পার্সটুডে/এমএএইচ/আবুসাঈদ/৩০
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।