নির্বাচন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী দুশ্চিন্তায়, সেজন্য আবোল তাবোল বকছেন: সুজন চক্রবর্তী
https://parstoday.ir/bn/news/india-i69861-নির্বাচন_নিয়ে_মুখ্যমন্ত্রী_দুশ্চিন্তায়_সেজন্য_আবোল_তাবোল_বকছেন_সুজন_চক্রবর্তী
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সিপিএম নেতা ও বিধায়ক ড. সুজন চক্রবর্তী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সমালোচনা করে বলেছেন, লোকসভা নির্বাচন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী দুশ্চিন্তায় রয়েছেন, সেজন্য আবোল তাবোল বকছেন। তিনি আজ (শুক্রবার) গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে ওই মন্তব্য করেছেন।
(last modified 2026-04-22T07:21:27+00:00 )
এপ্রিল ২৬, ২০১৯ ০৮:৩৩ Asia/Dhaka
  • ড. সুজন চক্রবর্তী
    ড. সুজন চক্রবর্তী

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সিপিএম নেতা ও বিধায়ক ড. সুজন চক্রবর্তী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সমালোচনা করে বলেছেন, লোকসভা নির্বাচন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী দুশ্চিন্তায় রয়েছেন, সেজন্য আবোল তাবোল বকছেন। তিনি আজ (শুক্রবার) গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে ওই মন্তব্য করেছেন।

সুজন বাবু বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের ফল কী হতে যাচ্ছে, মুখ্যমন্ত্রী তা বুঝে গেছেন, তাঁর কপালে চিন্তার ভাব ক্রমশ বাড়ছে এবং আবোল তাবোল বকছেন। তৃণমূল এখানে গোহারা হারবে। বিজেপিকে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ বুঝে গেছেন। পাঁচ বছরের দিল্লির সরকার। বামপন্থিরাই একমাত্র মানুষের ভরসা। ওরা কীসের জন্য ভোট চায়? প্রধানমন্ত্রী ভোট চাচ্ছেন আমাকে হিম্মতদার করুন আমি প্রধানমন্ত্রী হব। আর মুখ্যমন্ত্রী ভোট চাচ্ছেন, আমাকে জিতিয়ে দিন আমি প্রধানমন্ত্রী হব। এক বাচ্চা ছেলেকে সাংবাদিকরা জিজ্ঞেস করেছিল আপনি কী চান মমতা ব্যানার্জি প্রধানমন্ত্রী হোক? সে বলেছে আমি অবশ্যই চাই মমতা ব্যানার্জি প্রধানমন্ত্রী হোক। কারণ আমরা কেন শুধু পশ্চিমবঙ্গে একা জ্বলে পুড়ে মরব? সারা দেশ জ্বলে পুড়ে মরুক। এই হচ্ছে লোকের মনোভাব।’

তিনি বলেন, ‘এই নির্বাচনে আমরা জিতব। শুধু যাদবপুর নয়, পশ্চিমবঙ্গে বামপন্থিরা মানুষের ভরসার কেন্দ্র সেটাই আবার প্রমাণিত হবে।’   

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়

সাংবাদিকরা বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, নভেম্বর মাসে তৃণমূলের পতন হবে, ওই মন্তব্যের জবাবে সুজন বাবু বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যেটা বলেছেন তা অসাংবিধানিক। মুখ্যমন্ত্রী যেভাষায় কথা বলেন, সেই ভাষাতেই কথা বলছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বিরোধীদলের কেউ যদি জিতে থাকে তাকে জোর করে আমি আমার দলে ফেরত নিয়ে আসব। একইরকমভাবে প্রধানমন্ত্রীর বলার মূল বক্তব্য হচ্ছে যে এই লোকসভা নির্বাচনের পরে তিনি তৃণমূল থেকে দলত্যাগ করিয়ে তৃণমূলকে ফেলে দেবেন। এই দলত্যাগ করাবার রাজনীতি এতদিন তৃণমূল যা করেছে সেটাই এখন বিজেপি করতে চায়। এই নির্বাচনে তৃণমূলের আসন কমবে। আর আসন কম হলে তৃণমূল কংগ্রেস দলটা ২০২১ সালের আগে উঠে যাবে। ওই দলকে আর খুঁজে পাওয়া যাবে না। এজন্য প্রধানমন্ত্রীকে লাফালাফি করতে হবে না।’

তিনি বলেন, ‘যে ভঙ্গিতে মমতা ব্যানার্জি চলেন, সেই ভঙ্গিতে নরেন্দ্র মোদি চলেন। কিন্তু এই নির্বাচনের পরে বামপন্থিদের আসন ২৫ টা হবে, ২০ টা হবে, ১০ টা হবে, না পাঁচটা হবে, না দুটো হবে, যদি শূন্যও তাহলেও লালঝাণ্ডা থাকবে, কাস্তে হাতুড়ি থাকবে। বামফ্রন্ট মানুষের পাশে থাকবে।’ তৃণমূল কংগ্রেসের দশটা আসনও যদি কমে যায় তাহলে তৃণমূল কংগ্রেস দল উঠে যাবে বলেও সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন।#     

পার্সটুডে/এমএএইচ/এআর/২৬