সাংস্কৃতিক সংলাপই ব্রিকসকে আলাদা করে তোলে: রুশ বিশেষজ্ঞ
https://parstoday.ir/bn/news/world-i156770-সাংস্কৃতিক_সংলাপই_ব্রিকসকে_আলাদা_করে_তোলে_রুশ_বিশেষজ্ঞ
পার্সটুডে- এক রুশ বিশেষজ্ঞ জোর দিয়ে বলেছেন, সাংস্কৃতিক সংলাপ এমন এক উপাদান যা ব্রিকসকে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা, আসিয়ান ও জি-২০ এর মতো অন্যান্য জোট থেকে আলাদা করে দেয়।
(last modified 2026-02-07T09:12:35+00:00 )
ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২৬ ১৭:২০ Asia/Dhaka
  • সাংস্কৃতিক সংলাপই ব্রিকসকে আলাদা করে তোলে: রুশ বিশেষজ্ঞ
    সাংস্কৃতিক সংলাপই ব্রিকসকে আলাদা করে তোলে: রুশ বিশেষজ্ঞ

পার্সটুডে- এক রুশ বিশেষজ্ঞ জোর দিয়ে বলেছেন, সাংস্কৃতিক সংলাপ এমন এক উপাদান যা ব্রিকসকে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা, আসিয়ান ও জি-২০ এর মতো অন্যান্য জোট থেকে আলাদা করে দেয়।

ব্রিকস গোষ্ঠী শুরুতে নিরাপত্তা ও উন্নয়ন ইস্যুকে কেন্দ্র করে একটি অর্থনৈতিক জোট হিসেবে গঠিত হয়। বিশ্লেষকদের মতে, কার্যকর পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা নিশ্চিত করতে হলে ব্রিকসকে সামাজিক ও মানবিক উপাদানের একটি নতুন কাঠামো পুনর্বিবেচনা ও গড়ে তুলতে হবে।

পার্সটুডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাশিয়ার রুডেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা তত্ত্ব ও ইতিহাস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নিকোলাই পারখিতকো 'টিভি ব্রিকস'-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “সাংস্কৃতিক সংলাপই সেই উপাদান, যা ব্রিকসকে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা, আসিয়ান ও জি–২০-এর মতো অন্যান্য সব জোট থেকে আলাদা করে।”

পারখিতকো আরও বলেন, “সংস্কৃতি এমন একটি বিষয়, যা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মানুষকে একে অপরের সঙ্গে যুক্ত করে রাখে—শুধু মানুষই নয়, বরং দেশ এমনকি মহাদেশকেও। আমি দৃঢ়ভাবে বলতে পারি, ব্রিকসের কাঠামোর মধ্যে যে ধরনের সাংস্কৃতিক সংলাপ চলছে, তা আন্তর্জাতিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে একটি আদর্শ উদাহরণ।”

এই রুশ বিশেষজ্ঞ আরও বলেন, “আজ রাশিয়া ও চীনের কৌশলগত সম্পর্ক একটি অভূতপূর্ব পর্যায়ে পৌঁছেছে। একই বিষয় রাশিয়ার সঙ্গে ইরান, মিশর, ইথিওপিয়া বা ইন্দোনেশিয়ার সম্পর্কের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।”

এ প্রসঙ্গে মস্কো স্টেট ইউনিভার্সিটির বৈশ্বিক প্রক্রিয়া অনুষদের উপ-ডিন রুসলান গেরবেনেভও জোর দিয়ে বলেন- সংস্কৃতি, শিক্ষা ও কূটনীতি ব্রিকসের ভেতরে একটি যৌথ মূল্যবোধ ও নীতিনির্ভর পরিসর গঠনের মূল উপাদান।

গেরবেনেভ আরও বলেন, “এই ধরনের সহযোগিতা বহুকেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থায় ব্রিকসকে একটি কার্যকর ও গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সহায়তা করে। ফলে সংস্কৃতি, শিক্ষা ও কূটনীতি আমাদের দেশগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ককে কেবল স্বার্থের স্তর থেকে তুলে এনে ব্রিকস পরিচয়ের স্তরে উন্নীত করে এবং এই জোটের দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে।”#

পার্সটুডে/এসএ/৬

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন