৪০ বছর আগেও মার্কিন নীতিতে দ্বৈত চরিত্র বিদ্যমান ছিল: ইরান
-
চার দশক আগে ইহুদিবাদী ইসরাইল পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষা চালালেও আজ পর্যন্ত বিষয়টিতে মুখ খোলেনি আমেরিকা
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ ইহুদিবাদী ইসরাইলের সামরিক পরমাণু কর্মসূচির প্রতি আমেরিকার সর্বাত্মক সহযোগিতার তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে একমাত্র ইহুদিবাদী সরকারের হাতে পরমাণু অস্ত্র রয়েছে।
সম্প্রতি মার্কিন ম্যাগাজিন ফরেন পলিসিতে প্রকাশিত এক নিবন্ধে বলা হয়েছে, চার দশক আগে ইহুদিবাদী ইসরাইলের পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষার ব্যাপারে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের প্রশাসন সম্পূর্ণ নীরবতা অবলম্বন করেছিল; এমনকি বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ারও চেষ্টা করেছে কার্টার প্রশাসন।
এ খবর সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে নিজের অফিসিয়াল টুইটার পেজে ওই মন্তব্য করেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমি মনে করিয়ে দিতে চাই আমাদের অঞ্চলে একমাত্র ইহুদিবাদী ইসরাইলের কাছে পরমাণু অস্ত্র রয়েছে এবং ঠিক আজকের মতো ৪০ বছর আগেও আমেরিকার নীতিতে দ্বৈত চরিত্র বিদ্যমান ছিল।”
ফিলিস্তিনি মুসলমানদের ভূমি জবরদখল করে প্রতিষ্ঠিত অবৈধ ইসরাইল সরকারের কাছে ৩০০টি পরমাণু অস্ত্র রয়েছে বলে মনে করা হয় যা গোটা বিশ্বকে ধ্বংস করে দেয়ার জন্য যথেষ্ট। মার্কিন সরকার ইরানের বেসামরিক পরমাণু কর্মসূচির বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লাগলেও তেল আবিবের এই বিশাল পরমাণু অস্ত্রভাণ্ডারের ব্যাপারে টু শব্দটি পর্যন্ত করছে না। ইহুদিবাদী ইসরাইল এখন পর্যন্ত পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি স্বাক্ষরে রাজি হয়নি এবং আমেরিকার সমর্থন থাকার কারণে তেল আবিবকে এ কাজে অন্য কেউ বাধ্যও করতে পারেনি।#
পার্সটুডে/এমএমআই/২৫
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।