-
ইরানের ৪০তম বিপ্লব বার্ষিকীর শোভাযাত্রায় জনতার ঢল
ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১৯ ১৮:১৪ইরানে ইসলামি বিপ্লবের ৪০তম বিজয় বার্ষিকীর শোভাযাত্রায় কোটি কোটি জনতার উপস্থিতি সারা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। অতীতের যেকোনো বিপ্লব বার্ষিকীর চেয়ে এবারের কর্মসূচিতে মানুষের অংশগ্রহণ অনেক বেশি ছিল বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর এসেছে।
-
আমেরিকান পর্যটকের দৃষ্টিতে ইরানি কার্পেট
জানুয়ারি ১৭, ২০১৯ ১৬:২৬একজন আমেরিকান পর্যটক কিছুদিন আগে ইরান সফর করেন। তিনি দু'সপ্তাহ ধরে ইরানের বিভিন্ন শহর ঘুরে দেখেন। আর এ সফরে তিনি ঐতিহাসিক ইস্পাহান নগরীর বিভিন্ন কার্পেটের দোকানে যান। ইরানি কার্পেট সম্পর্কে মার্কিন এই পর্যটকের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করা হয়েছে এই ভিডিও ক্লিপে। ভিডিওটির ইংরেজি ভাষার বর্ণনা ও কথোপকথোনের বাংলা ভাষান্তর উপস্থাপন করা হলো:
-
যেভাবে পালিত হলো হামাসের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী
ডিসেম্বর ১৭, ২০১৮ ১৬:৪০ইহুদিবাদীদের জবরদখল থেকে ফিলিস্তিনকে মুক্ত করা, বায়তুল মুকাদ্দাসকে রাজধানী করে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন এবং বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা শরণার্থীদেরকে তাদের মাতৃভূমিতে ফিরিয়ে আনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস। শুক্রবার আন্দোলনের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এক বিবৃতিতে এই অঙ্গীকার ব্যক্ত করে হামাস।
-
অভিবাসী শিক্ষার্থী সম্পর্কে আমেরিকান শিক্ষকদের অভিমত (ভিডিও)
ডিসেম্বর ০৮, ২০১৮ ১৪:৫৩২০১৭ সাল পর্যন্ত আমেরিকায় ডিফারড অ্যাকশন ফর চাইল্ডহুড অ্যারইভালস বা ডিএসিএ প্রোগ্রামে প্রায় ৮ লক্ষ মানুষ অংশ নিয়েছে, এর ৪০ শতাংশই হচ্ছে হাইস্কুল ও কলেজে অধ্যয়নরত । যারা ঝরে পড়ার আশংকায় রয়েছে।
-
ইরানের ইস্পাহান নগরীর কিছু দর্শনীয় স্থানের ভিডিও
নভেম্বর ২৮, ২০১৮ ২৩:০০ইস্পাহান তেহরান শহরের ৩৪০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত ইরানের তৃতীয় বৃহত্তম নগরী। একসময় ইস্পাহান বিশ্বের বড় শহরগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল। সাফাভি সাম্রাজ্যের সময়কালে দ্বিতীয়বারের মত ইস্পাহান পারস্যের রাজধানীর মর্যাদা পায়।
-
মার্কিন এক পর্যটকের দৃষ্টিতে ইরানের নিরাপত্তা
নভেম্বর ২৭, ২০১৮ ২৩:০০সম্প্রতি একজন মার্কিন পর্যটক ইরান সফর করেন। সফরের আগে তার একটি বড় প্রশ্ন বা উদ্বেগের বিষয় ছিল, ইরান কি নিরাপদ?
-
আমেরিকার রাসায়নিক অস্ত্র কি মানবতার প্রতি হুমকি নয়? (ভিডিও)
জুলাই ০৩, ২০১৮ ১৬:৫৭সিরিয়ায় কথিত রাসায়নিক হামলা সম্পর্কে আমেরিকা ও তার মিত্ররা ব্যাপক চিৎকার চেচামেচি করলেও ইরানি জনগণের ওপর ইরাকের সাবেক সাদ্দাম সরকারের রাসায়নিক হামলার ব্যাপারে তার সবসময়ই চুপ ছিল। ইরাক-ইরান যুদ্ধের সময় ১৯৮০ সাল থেকে ১৯৮৮ সালের মধ্যে ইরাকি বাহিনী বহুবার ইরানে রাসায়নিক হামলা চালিয়েছিল। ওই সময় হামলায় ইরানের প্রায় সাড়ে ৭ হাজার সেনা সদস্য ও সাধারণ নাগরিক মারা যায়।