সিরিয়ার দারা ও কুনেইত্রা প্রদেশে চেকপোস্ট স্থাপন করল ইসরায়েলি বাহিনী
https://parstoday.ir/bn/news/west_asia-i158752-সিরিয়ার_দারা_ও_কুনেইত্রা_প্রদেশে_চেকপোস্ট_স্থাপন_করল_ইসরায়েলি_বাহিনী
ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী সিরিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় দারা ও কুনেইত্রা প্রদেশের কয়েকটি গ্রামে অনুপ্রবেশ করে তল্লাশি ও অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করেছে।
(last modified 2026-04-26T13:51:29+00:00 )
এপ্রিল ২৬, ২০২৬ ১৯:৪৮ Asia/Dhaka
  • সিরিয়ায় দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর তিন সদস্য
    সিরিয়ায় দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর তিন সদস্য

ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী সিরিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় দারা ও কুনেইত্রা প্রদেশের কয়েকটি গ্রামে অনুপ্রবেশ করে তল্লাশি ও অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করেছে।

সিরিয়ার সরকারি সংবাদ সংস্থা সানা জানিয়েছে, ইসরায়েল প্রায় দশটি সামরিক যানের একটি বহর নিয়ে রোববার ভোরের দিকে দারা প্রদেশের পশ্চিমে ইয়ারমুক বেসিন এলাকার জামলা গ্রামে অভিযান চালায়। কিছুক্ষণ পর বাহিনীটি সরে গিয়ে জামলা ও সাইসৌন গ্রামের সংযোগকারী সড়কে অবস্থান নেয়।

এর কয়েক ঘণ্টা আগে দুটি ট্যাংক ও দুটি সামরিক গাড়ি নিয়ে একটি ইসরায়েলি কনভয় দক্ষিণ কুনেইত্রার পূর্ব তাল আল-আহমার পাহাড়ে প্রবেশ করে এবং শুক্রবার ওই স্থানে আনা প্রি-ফেব্রিকেটেড কক্ষগুলোর ভেতরে অবস্থান নেয়।

স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, শুক্রবার ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী একটি বুলডোজার ও কয়েকটি প্রি-ফেব্রিকেটেড কাঠামো নিয়ে ওই এলাকায় প্রবেশ করে, যদিও তখন এই পদক্ষেপের কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

এছাড়াও, একটি ইসরায়েলি সামরিক কনভয় উত্তর কুনেইত্রার আল-কেসারাত এলাকায় অগ্রসর হয়ে সেখানে একটি অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে। পরে তারা অল্প সময়ের জন্য ওই এলাকা থেকে সরে গিয়ে জুবাতা আল-খাশাব শহরের কাছে অবস্থান নেয় এবং পথচারীদের তল্লাশি করে।

ইসরায়েলি দখলদার সেনারা আল-মুশরিফা গ্রামেও অনুপ্রবেশ চালিয়ে সেখানে একটি চেকপোস্ট স্থাপন করে।

শুক্রবার ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী হোমস প্রদেশের উম্ম আল-আযহাম গ্রামে অভিযানের সময় এক বেসামরিক নাগরিককে অপহরণ করে।

ইসরায়েলি বাহিনী বারবার দক্ষিণ সিরিয়ায় অনুপ্রবেশের মাধ্যমে ১৯৭৫ সালের ডিসএনগেজমেন্ট চুক্তি লঙ্ঘন করে যাচ্ছে। একটি সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দক্ষিণ সিরিয়ায় ইসরায়েলি বাহিনীর ৮৯৭টি লঙ্ঘনের তথ্য নথিভুক্ত করা হয়েছে।

সিরিয়ার শাসকগোষ্ঠী হায়াত তাহরির আল-শাম-(এইচটিএস)-এর নেতা আবু মোহাম্মদ আল-জোলানি সম্প্রতি বলেছেন, দামেস্ক তেল আবিবের সঙ্গে একটি নিরাপত্তা চুক্তিতে পৌঁছাতে আগ্রহী। তবে তার এই বক্তব্যের মধ্যেই ইসরায়েলি বাহিনীর নতুন অনুপ্রবেশ সিরিয়ার সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের চলমান ধারাকেই আবারও সামনে এনেছে।#

পার্সটুডে/এমএআর/২৬