স্ত্রীকে কিছু দেশের অসম্মানজনক প্রস্তাবের কথা জানালেন বাশার আসাদ
স্ত্রী আসমা আসাদকে নিজ দেশ ছেড়ে আশ্রয় গ্রহণের জন্য কয়েকটি দেশ প্রস্তাব দিয়েছিল বলে জানিয়েছেন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আসাদ। দেশটির আল-ওয়াতান পত্রিকাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান তিনি। যে কোনো দেশের প্রেসিডেন্টের স্ত্রীকে এ ধরনের প্রস্তাব দেয়াকে অত্যন্ত অসম্মানজনক বলে গণ্য করা হয়।
আল-ওয়াতানের সাংবাদিকের এ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে বাশার আসাদ বলেছেন, “সিরিয়ায় সংকট শুরুর কিছু দিন পরই তুরস্ক ও কাতার সরাসরি আমার স্ত্রীকে দেশ ছেড়ে দিয়ে ওই দুই দেশে আশ্রয় নেয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল। এখন হয়তো তুর্কি ও কাতারের শাসকেরা এ কথা অস্বীকার করবেন। কিন্তু আমি যা বলছি তা শতভাগ সত্য।”
তিনি আরও বলেন, “সংকট শুরুর কয়েক বছর পর আমেরিকাও পরোক্ষভাবে আমার স্ত্রীকে সেদেশে আশ্রয় নেয়ার প্রস্তাব দেয়। তারা বলেছিল, বাশার আসাদ নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী না হলে তাকে নিয়ে সুখে-শান্তিতে থাকতে পারবেন আপনি (আসমা আসাদ)। বাশার আসাদ বলেন, “মার্কিনীরা আসমাকে বলেছিল আমাকে তারা কোনো ধরনের আইনি জটিলতার মুখোমুখি করবে না। আমার পরিবারের সবাই যেভাবে ইচ্ছা বসবাস করতে পারবে।”
সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট এসব প্রস্তাব সম্পর্কে আরও বলেছেন, “তারা যেসব প্রস্তাব দিয়েছিল, আমাদের কাছে সেগুলোর এক পয়সা মূল্যও ছিল না।"
২০১১ সালে সিরিয়ায় বিদেশি মদদে সহিংসতা শুরু হয়। সে সময় অনেকেই ভেবেছিল, বাশার আসাদের ক্ষমতাচ্যুতি কেবলি সময়ের ব্যাপার। সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আসাদ ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে ইহুদিবাদী ইসরাইলের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছেন।#
পার্সটুডে/সোহেল আহম্মেদ/৯