তুর্কি সীমান্তে সিরীয় সেনা মোতায়েনই একমাত্র সমাধান: ইরান
-
বিগত বছরগুলো সন্ত্রাস বিরোধী যুদ্ধে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে সিরিয়ার সেনাবাহিনী
সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে সামরিক অভিযান চালানোর যে ঘোষণা তুরস্ক দিয়েছে সে সম্পর্কে আঙ্কারার সঙ্গে তেহরানের কথা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ।তিনি বলেছেন, তুর্কি সীমান্তে সিরিয়ার সেনা মোতায়েনের মাধ্যমেই কেবল ওই অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বুধবার রাশিয়ার আরবি ভাষার নিউজ চ্যানেল রুসিয়া আল-ইয়াওমকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেন। সিরিয়ার অভ্যন্তরে তুরস্কের সম্ভাব্য সেনা অভিযানের বিরোধিতা করে জারিফ বলেন, একটি দখলদারিত্বের অবসান ঘটাতে আরেকটি দখলদারিত্বকে সমর্থন দেয়া যায় না। এর চেয়ে বরং সিরিয়ার সেনাবাহিনীকে তাদের দেশের নিরাপত্তা সমস্যার সমাধান করার সুযোগ দিতে হবে।
সিরিয়া-তুরস্ক সীমান্তবর্তী এলাকায় কুর্দি বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী পিকেকে অবস্থান করছে বলে অজুহাত তুলে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তুরস্ক সিরিয়ার অভ্যন্তরে সামরিক অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। ওই অঞ্চলে মোতায়েন মার্কিন সেনাদেরকে যখন সরিয়ে নেয়ার প্রস্তুতি চলছে তখন আঙ্কারা এই ঘোষণা দিচ্ছে। তবে সিরিয়া তুরস্কের এই সম্ভাব্য অভিযানের বিরোধিতা করেছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ সম্পর্কে আরো বলেন, সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে তুর্কি সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার বিষয়টি পুরোপুরি সিরিয়ার সেনাবাহিনীর হাতে ন্যস্ত করতে হবে। সিরিয়া ও তুরস্ক যাতে তাদের মধ্যকার এ সংক্রান্ত মতবিরোধ নিরসন করতে পারে সেজন্য ইরান ও রাশিয়া মধ্যস্থতা করতে প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানান তিনি।
তুরস্কের কুর্দিস্তান অঞ্চলের জন্য বৃহৎ স্বায়ত্বশাসন প্রতিষ্ঠার দাবিতে ১৯৭৮ সালে পিকেকে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এই গোষ্ঠী ১৯৮৪ সাল থেকে আঙ্কারা সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র লড়াই করে আসছে।#
পার্সটুডে/মুজাহিদুল ইসলাম/৭