‘এক চীন’ নীতি নিয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনা হবে না: বেইজিং
https://parstoday.ir/bn/news/world-i30988-এক_চীন’_নীতি_নিয়ে_ওয়াশিংটনের_সঙ্গে_আলোচনা_হবে_না_বেইজিং
চীন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছে, দেশটি ‘এক চীন’ নীতি নিয়ে কারো সঙ্গে আলোচনায় বসবে না। সেইসঙ্গে তাইওয়ান সংক্রান্ত বিষয়ে চীন যে ‘অতি উচ্চ মাত্রায় সংবেদনশীল’ সে বিষয়টি জেনে রাখতে নির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বেইজিং।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
জানুয়ারি ১৫, ২০১৭ ০৩:৩৯ Asia/Dhaka
  • চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লু ক্যাং
    চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লু ক্যাং

চীন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছে, দেশটি ‘এক চীন’ নীতি নিয়ে কারো সঙ্গে আলোচনায় বসবে না। সেইসঙ্গে তাইওয়ান সংক্রান্ত বিষয়ে চীন যে ‘অতি উচ্চ মাত্রায় সংবেদনশীল’ সে বিষয়টি জেনে রাখতে নির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বেইজিং।

ট্রাম্পের সাম্প্রতিক এক মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লু ক্যাং এ সতর্কবাণী উচ্চারণ করেন।  ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার মার্কিন দৈনিক ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, চীন তার মূদ্রা ও বাণিজ্য নীতিতে সংশোধন না আনা পর্যন্ত ‘এক চীন’ নীতির প্রতি তার সরকার কোনো শ্রদ্ধা দেখাবে না।

এর প্রতিক্রিয়ায় ক্যাং বলেন, চীন-মার্কিন সম্পর্কের ভিত্তিই গড়ে উঠেছে ‘এক-চীন’ নীতির ওপর ভিত্তি করে।  কাজেই এ বিষয়টি নিয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো আলোচনায় বসবে না বেইজিং।

চীন এবং তাইওয়ান আলাদা সরকার দ্বারা পরিচালিত হওয়া সত্ত্বেও তাইওয়ান যে চীনের অবিচ্ছেদ্য অংশ এটা প্রমাণ করার জন্য বহির্বিশ্বের সঙ্গে কূটনীতির ক্ষেত্রে ‘এক চীন’ নীতি অনুসরণ করে বেইজিং। এই নীতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে, তাইওয়ানের পরিবর্তে বেইজিং-এর সম্পর্ক রক্ষা করে যাচ্ছে ওয়াশিংটন।

১৯৪৯ সালে তাইওয়ানে আলাদা সরকার ঘোষণা করা হয়। তবে বেইজিং মনে করে, এই দ্বীপটি তার অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং একদিন এটি চীনের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে একীভূত হবেই।#

পার্সটুডে/মুজাহিদুল ইসলাম/১৫