ঢাকা ও কোলকাতার পত্রপত্রিকার সব গুরুত্বপূর্ণ খবর
হঠাৎ পদ্মাসেতুতে প্রধানমন্ত্রী, হাঁটলেন বোনকে নিয়ে
পাঠক/শ্রোতা, বাংলাদেশ ও ভারতের পত্রপত্রিকার প্রাত্যহিক অনুষ্ঠান কথাবার্তায় আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি আমি আশরাফুর রহমান। আজ শুক্রবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিকগুলোতে বাংলাদেশে ২০২১ সালে ঘটে যাওয়া আলোচিত ঘটনাগুলো বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। অন্যদিকে কোলকাতার বাংলা দৈনিকগুলোতে ভারতের ২৩টি রাজ্যে করোনাভাইরাস ওমিক্রনের সংক্রমণের খবরটি গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশিত হয়েছে। প্রথমেই দৈনিকগুলোর উল্লেখযোগ্য শিরোনাম জানিয়ে দিচ্ছি।
বাংলাদেশের শিরোনাম:
- ফিরে দেখা ২০২১: এক বাংলাদেশ, দুই বিপরীত চিত্র: প্রথম আলো
- পার হলো অস্থিরতার বছর: বিভিন্ন খাতে বছরজুড়েই ছিল নানামুখী সংকট: বাংলাদেশ প্রতিদিন
- ত্রিমুখী চাপে ছিল দেশের অর্থনীতি: যুগান্তর
- হঠাৎ পদ্মাসেতুতে প্রধানমন্ত্রী, হাঁটলেন বোনকে নিয়ে: ইত্তেফাক
- বিএনপি'র একমাত্র প্রাপ্তি ব্যর্থতা- ওবায়দুল কাদের :মানবজমিন
- ফয়সালা রাজপথেই হবে- ফখরুলের হুঁশিয়ারি: সমকাল
- ঋণ শোধে বিশেষ সুবিধা, দুই দিনেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন: নয়াদিগন্ত
- আগামী বছর হজে যেতে পারবেন বাংলাদেশিরা আমাদের সময়
ভারতের শিরোনাম:
- ভারতের ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১,২৭০, নতুন আক্রান্ত সাড়ে ১৬ হাজারের গণ্ডি ছাড়াল: আজকাল
- দিল্লি-মুম্বাইয়ে তৃতীয় তরঙ্গ, গোষ্ঠী সংক্রমণ ঘিরে আশঙ্কা: গণশক্তি
- 'ষাটোর্ধ্বদের বুস্টার ডোজ', টিকাকরণের কথা মনে করিয়ে দেবে কেন্দ্র: পূবের কলম
- শিয়রে ভোট, পঞ্জাবের জনসভা বাতিল করে রাহুল চললেন বিদেশ! হতবাক স্থানীয় নেতৃত্ব : আনন্দবাজার
পাঠক! বাংলাদেশ ও ভারতের গুরুত্বপূর্ণ খবরগুলোর শিরোনাম জানলেন। এবার বিস্তারিত। প্রথমেই বাংলাদেশ।
ফিরে দেখা ২০২১: এক বাংলাদেশ, দুই বিপরীত চিত্র: প্রথম আলো
২০২১ সালের শেষ প্রান্তে এসে বাংলাদেশের দুটি চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। প্রথম চিত্রটি সাফল্যের, দ্বিতীয়টি হতাশার। প্রথম চিত্র অনুসারে বাংলাদেশ অভাবিত সাফল্য অর্জন করেছে, এখন তৃতীয় বিশ্বের এক অভাবী দেশ থেকে উত্তীর্ণ হয়ে মধ্য আয়ের দেশ হতে চলেছে। একসময়ের তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে সে এখন এশিয়ার এক তেজি ষাঁড়। এই চিত্র অনুসারে বাংলাদেশে এখন আবার গোলাভরা ধান, পুকুরভরা মাছ ও মানুষের পকেটে এন্তার অর্থ।
দ্বিতীয় চিত্রটি ঠিক উল্টো। এই চিত্র অনুসারে কারও কারও মতে বাংলাদেশ এখন অনেকটা কর্তৃত্ববাদী দেশে পরিণত হয়েছে, যেখানে সব ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত এক দল, এক ব্যক্তির হাতে। এটা এমন এক দেশ, যেখানে নির্বাচনে না জিতেও ক্ষমতায় থাকা যায়। মুখে নাগরিক অধিকারের পক্ষে ও দুর্নীতির বিপক্ষে কথা বলা হলেও যেখানে নাগরিক অধিকার লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনা অনেক। বিচারব্যবস্থা থেকে আমলাতন্ত্র, ব্যবসা–বাণিজ্য থেকে শিক্ষাক্ষেত্র, সর্বত্রই দুর্নীতির কথা শোনা যায়। আইনের শাসন নয়, সেখানে এখন আইন লঙ্ঘনের শাসন।
পার হলো অস্থিরতার বছর: বাংলাদেশ প্রতিদিন
নানা সংকট, সংশয়, অস্থিরতা, অনিশ্চয়তা আর করোনা মহামারীর আতঙ্ক এবং ভোগান্তির মধ্যেই কেটে গেল আরেকটি বছর। রাজনৈতিক হানাহানি, স্থানীয় সরকার নির্বাচনী সহিংসতায় প্রাণহানি, ডিজেলের দাম বৃদ্ধির অজুহাতে নৈরাজ্যকর পরিবহন খাত, শিক্ষার্থী আন্দোলন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, ধর্মীয় উন্মাদনা এবং সড়ক ও নৌ দুর্ঘটনার মিছিলে কেটেছে বছরটি। রাজনীতিতে শিষ্টাচারের অভাব প্রকট হয়ে উঠেছিল বিদায়ী বছরে। অতিকথন ও আচরণের কারণে মন্ত্রিত্ব হারাতে হয়েছে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানকে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে কটূক্তির কারণে দলীয় পদ হারাতে হয়েছে গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, সিটি মেয়র জাহাঙ্গীর আলমকে। পরে তাকে মেয়র পদ থেকেও বরখাস্ত করা হয়। অন্যদিকে বিএনপি নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করে পরে সমালোচনার মুখে ক্ষমা চান।
বিদায়ী ২০২১ সালের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মানুষ রীতিমতো যুদ্ধ করেছে জীবন-জীবিকা নিয়ে। বছরটা শুরু হয়েছিল ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট আতঙ্ক নিয়ে আর শেষ হচ্ছে ওমিক্রনের উৎকণ্ঠা দিয়ে। মানুষকে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে দ্রব্যমূল্যের জাঁতাকলে পড়ে। পিঁয়াজ, তেল, চিনি, চাল, ডালসহ প্রায় সব ধরনের নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে দফায় দফায়। বছরজুড়েই সাধারণ মানুষকে দ্রব্যমূল্যের আগুনে পুড়তে হয়েছে।
ত্রিমুখী চাপে ছিল দেশের অর্থনীতি
ত্রিমুখী চাপের মুখে পড়েছে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত দেশের অর্থনীতি। বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে বেড়েছে সার, বিদ্যুৎ ও গ্যাস খাতে ভর্তুকি। এছাড়া বেড়েছে সরকারের সুদ পরিশোধ খাতের ব্যয়। রয়েছে মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা। লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে মূল্যস্ফীতি ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।
এসব কারণে বছরের দ্বিতীয়ার্ধে অর্থনীতিতে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হয়েছে। বছরের শুরুতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। মহামারি মোকাবিলায় দেশজুড়ে লকডাউনের আঘাত লাগে প্রবৃদ্ধির গতিতে।
যে কারণে ২০২০-২১ অর্থবছরে জিডিপির লক্ষ্যমাত্রা ৮ দশমিক ২ শতাংশ থেকে নামিয়ে ৬ দশমিক ১ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত অর্জন হয়েছে ৫ দশমিক ৪৭ শতাংশ।
হঠাৎ পদ্মাসেতুতে প্রধানমন্ত্রী, হাঁটলেন বোনকে নিয়ে: ইত্তেফাক
স্বপ্নের পদ্মা সেতুতে হেঁটেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে সড়কপথে গণভবন থেকে সরাসরি পদ্মাপাড়ে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন ছোট বোন শেখ রেহানা।
পদ্মা সেতু প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান আবদুল কাদের জানান, প্রধানমন্ত্রী সড়কপথে সেতু এলাকায় আসেন সকাল সাড়ে ৭টার দিকে। তিনি ছোট বোন শেখ রেহানাকে নিয়ে পদ্মা সেতুর ৭ নম্বর পিলার থেকে ১৮ নম্বর পিলার পর্যন্ত ১৬৫০ মিটার হেঁটে যান। সকাল ৯টা ৫৭ মিনিটে তারা সেতু এলাকা পরিদর্শন শেষে রাজধানীর উদ্দেশে রওনা হন।
বিএনপি’র একমাত্র প্রাপ্তি ব্যর্থতা- ওবায়দুল কাদের: মানবজমিন
নির্বাচনে জনগণ থেকে প্রত্যাখ্যান আর আন্দোলনে চরম ব্যর্থতাই বিএনপি’র একমাত্র প্রাপ্তি। নিজেদের অন্ধকার ভবিষ্যৎ দেখে বিএনপি হতাশায় কাতর বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
আজ শুক্রবার সরকারি বাসভবনে ব্রিফিংকালে ওবায়দুল কাদের বলেন, তারা ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নেয়নি বলেই ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিতে পারেনি। সরকার পতন, আন্দোলন এসব মুখরোচক শব্দবৃষ্টি করে কোনও লাভ নেই। গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ব্যালটের মাধ্যম আর নির্বাচন ছাড়া পরিবর্তনের কোনও বিকল্প নেই। তাই তাদের বলবো, অলি-গলি পথে না হেঁটে নির্বাচনমুখী হতে।
সেতু মন্ত্রী বলেন, দেশবিরোধী সব অপশক্তির অভিন্ন প্লাটফর্ম হচ্ছে বিএনপি। যারা নিজেরাই স্বাধীনতার চেতনা নস্যাতে জন্মলগ্ন থেকেই অপতৎপরতা চালাচ্ছে। জনগণের সামনে দাঁড়ানোর সাহস এবং বলার মতো কিছুই নেই বিএনপির। তাইতো তারা মিথ্যাচারের সঙ্গী ও অপপ্রচারের বন্ধু হয়েছেন এবং জোট বেঁধেছেন অপরাজনীতির সঙ্গে।।
‘ফয়সালা রাজপথেই হবে’, ফখরুলের হুঁশিয়ারি : সমকাল
‘হারিয়ে যাওয়া’ রাজনৈতিক স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনার ফয়সালা ‘রাজপথেই হবে’ বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বিএনপি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তৃতীয় বর্ষে ‘ভোটাধিকার হরণের কালো দিবস’ শিরোনামে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আজকে স্বাধীনতার ৫০ বছর হয়েছে। অনেকে অনেক কিছু বলেন। আওয়ামী লীগ সব সময় বলে উন্নয়ন। অনেক উন্নয়ন করে ফেলেছি। কিন্তু আমরা রাজনৈতিক স্বাধীনতা হারিয়ে ফেলেছি। এই স্বাধীনতাকে ফিরিয়ে আনতে হলে, আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে সুসংগঠিত করতে হলে এবং গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনতে হলে এবং বেগম খালেদা জিয়াকে যদি বের করে আনতে চাই, তারেক রহমানকে যদি ফিরিয়ে আনতে চাই তাহলে আন্দোলন, আন্দোলনের কোন বিকল্প নেই। আসুন এই মুহুর্ত থেকে আমরা এগিয়ে যাই, ঐক্য সৃষ্টি করি। রাজপথেই ফয়সালা হবে।’
দুর্নীতি মামলায় আদালতের রায়ে দণ্ডিত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার ইস্যুটি নিয়েও কথা বলেন বিএনপি মহাসচিব।
ঋণ শোধে বিশেষ সুবিধা, দুই দিনেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন: নয়াদিগন্ত
করোনাভাইরাস সংক্রমণের পর ব্যাংক ঋণ পরিশোধে বিশেষ যে সুবিধা ছিল, সেটি প্রত্যাহারের ঘোষণার দুই দিন পরেই উল্টা সিদ্ধান্ত নিলো বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যবসায়ী নেতারা কেন্দ্রীয় ব্যাংকে গিয়ে আলোচনায় পর এই ঘোষণা দেয়া হয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চলতি বছর একজন ঋণ গ্রহীতার যে পরিমাণ পরিশোধ করার কথা তার মধ্যে ১৫ শতাংশ পরিশোধ করলে কেউ আর খেলাপি হবে না। ছোট ঋণগ্রহীতাদের পাশাপাশি বড় ঋণ গ্রহীতারাও এ সুবিধা পাবেন।
বৃহস্পতিবার ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমএসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাদের সাথে বাংলাদেশ বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত হয়।
আগামী বছর হজে যেতে পারবেন বাংলাদেশিরা : আমাদের সময়
রোনা ভাইরাসের কারণে এ বছর হজে যেতে পারেনি বাংলাদেশিরা। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে আগামী বছর থেকে বাংলাদেশের নাগরিকরা হজে যেতে পারবেন বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত এসসা ইউসেফ এসসা আল দুহাইলান।
গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকাস্থ সৌদি দূতাবাসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশ-সৌদি আরবের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৪৫ বছর উদযাপন উপলক্ষে এ
অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
ভারতের ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১,২৭০, নতুন আক্রান্ত সাড়ে ১৬ হাজারের গণ্ডি ছাড়াল: আজকাল
এবার দেশের ২৩টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে থাবা বসাল ওমিক্রন। নতুন করে করোনার এই নতুন প্রজাতিতে আক্রান্ত হলেন ৩০৯ জন। তার পরেই সারা দেশে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১,২৭০। একই সঙ্গে ঊর্ধ্বমুখী দেশের করোনা গ্রাফ। তা যে ছোঁয়াচে ওমিক্রনেরই জেরে, সেই বিষয়ে একমত বিজ্ঞানীরা। দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা হবে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার। বুধবার রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্তা এবং চিকিৎসকরা বৈঠকে বসে এই নিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
দিল্লি-মুম্বাইয়ে তৃতীয় তরঙ্গ, গোষ্ঠী সংক্রমণ ঘিরে আশঙ্কা: গণশক্তি
দিল্লি-মুম্বাইয়ের কিছু ক্লাস্টারে তৃতীয় ঢেউ শুরু হয়ে গিয়েছে। মহারাষ্ট্রের কোভিড টাস্ক ফোর্সের তরফে বৃহস্পতিবার এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। অর্থাৎ নির্দিষ্ট কিছু ভৌগোলিক অঞ্চলে সংক্রমণ দ্রুত হারে ছড়াচ্ছে। এদিকে, এদিনই দিল্লিতে জিন পরীক্ষার রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, ৪৬ শতাংশ নমুনাতেই রয়েছে ওমিক্রন। করোনা ভাইরাসের নতুন এই প্রকরণ দিল্লিতে ধীরে ধীরে গোষ্ঠী সংক্রমণ ঘটাচ্ছে বলে জানিয়েছেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী সতেন্দ্র জৈন। ডেল্টার থেকে তিনগুণ বেশি সংক্রামক ওমিক্রন। ভারতে প্রথম চিহ্নিত হওয়া ডেল্টা প্রকরণের জেরেই দ্বিতীয় ঢেউ ভয়াবহ চেহারা নেয়। একসময় বিশ্বে দৈনিক সংক্রমণ সবথেকে বেশি ছিল ভারতেই। প্রাণঘাতী দ্বিতীয় তরঙ্গে দিল্লি-মুম্বাইয়ের অবস্থা ভয়ানক শোচনীয় হয়ে ওঠে। এখন দেশ তৃতীয় প্রবাহের শঙ্কায় দিন গুনলেও ইতিমধ্যে রাজধানী এবং বাণিজ্য রাজধানী সেই আঁচ পেতে শুরু করে দিয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিহার তৃতীয় ঢেউয়ের মুখে দাঁড়িয়ে আছে বলে সেরাজ্যের প্রশাসন আগেই জানিয়েছে। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে। এদিন পশ্চিমবঙ্গ সহ আট রাজ্যকে ফের সতর্কতা-চিঠি পাঠিয়েছে কেন্দ্র। পশ্চিমবঙ্গ, মহারাষ্ট্র, তামিলনাডু, দিল্লি, হরিয়ানা, কর্ণাটক, গুজরাট এবং ঝাড়খণ্ডের পরিস্থিতি উদ্বেগজনক বলে মনে করছে সরকার।
‘ষাটোর্ধ্বদের বুস্টার ডোজ’, টিকাকরণের কথা মনে করিয়ে দেবে কেন্দ্র: পূবের কলম
শুরু হচ্ছে ষাটোর্ধ্বদের বুস্টার ডোজ। আগামী ১০ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে এই টিকাকরণ। বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক বৈঠক করে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব লভ আগরওয়াল জানিয়েছেন, আগামী ১০ জানুয়ারি থেকে করোনার বুস্টার ডোজ নিতে পারবেন, তাদের টিকাকরণে কথা মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য কেন্দ্রের তরফে রেজিস্টার করা নম্বরে মেসেজ পাঠানো হবে।’
জানা গেছে, যাদের কো-মর্ডিবিটি রয়েছে, যে সব ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তিদের দ্বিতীয় টিকা নেওয়ার পর নয় মাস পার হয়ে গিয়েছে। তারা এই টিকা নিতে পারবে।
শিয়রে ভোট, পঞ্জাবের জনসভা বাতিল করে রাহুল চললেন বিদেশ! হতবাক স্থানীয় নেতৃত্ব
কথা ছিল, ৩ জানুয়ারি মোগায় ‘মেগা’ জনসভার মধ্যে দিয়ে পঞ্জাবের ভোট প্রচারের শিঙা ফুঁকবে কংগ্রেস। সেই উপলক্ষে সাজো সাজো রব পড়ে গিয়েছিল চন্নী-সিধুর প্রদেশে। কিন্তু যাঁকে ঘিরে প্রচারের জোর কলরব, সেই রাহুল গাঁধী মোক্ষম সময় পাড়ি দিলেন বিদেশ। উপায়ান্তর না দেখে অনির্দিষ্টকালের জন্য পিছিয়ে দিতে হল জনসভার পরিকল্পনা। ঘটনায় অবাক পঞ্জাব কংগ্রেসের নেতারা।
রাহুল গাঁধীকে ‘পার্টটাইম রাজনীতিবিদ’ বলে হামেশাই কটাক্ষ করে বিজেপি। এমনকি নিজের শেষ মুম্বই সফরে নাম না করে রাহুলের ঘনঘন বিদেশ যাওয়ার অভ্যাসকে কটাক্ষ করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। সবাইকেই কার্যত ‘ঠিক’ প্রমাণ করে বর্ষশেষে রাহুল পাড়ি দিলেন বিদেশ। অনির্দিষ্টকালের জন্য পিছিয়ে গেল ৩ জানুয়ারিতে পঞ্জাবের মোগার জনসভা।
পাঠক, বাংলাদেশ ও ভারতের গুরুত্বপূর্ণ খবর দিয়ে সাজানো কথাবার্তার আজকের আসর এখানেই শেষ করছি। কথা হবে আবারো আগামীকাল।#
পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/৩১
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।