বাংলাদেশ ও ভারতের পত্রপত্রিকার গুরুত্বপূর্ণ খবর
ফখরুল-আব্বাসকে সাধারণ কয়েদিদের সঙ্গে রেখেছে: আফরোজা আব্বাস
সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা: রেডিও তেহরানের প্রাত্যহিক আয়োজন কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি বাবুল আখতার। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আজ ১০ ডিসেম্বর শনিবারের কথাবার্তার আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি।
বাংলাদেশের শিরোনাম:
- মানবাধিকার সুরক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী-দৈনিক কালের কণ্ঠ
- বিএনপির সংসদ সদস্যদের পদত্যাগের ঘোষণা-দৈনিক প্রথম আলো
- সমাবেশ ঘিরে কোনো আতঙ্ক নেই: ডিবিপ্রধান-ইত্তেফাক
- ফখরুল-আব্বাসকে সাধারণ কয়েদিদের সঙ্গে রেখেছে: আফরোজা আব্বাস- যুগান্তর
- আওয়ামী সরকারের শেষ পরিণতি অত্যন্ত লজ্জাজনক হবে : জামায়াত আমির- দৈনিক নয়া দিগন্ত
-
গণসমাবেশ থেকে সরকারের পদত্যাগসহ বিএনপির ১০ দফা-দৈনিক মানব জমিন
ভারতের শিরোনাম:
- ডিসেম্বর বনাম জানুয়ারি! শুভেন্দু অধিকারীর ‘দিন’ ঘোষণার পর পাল্টা ‘দিন’ জানালেন কুণাল ঘোষ-আনন্দবাজার পত্রিকা
- G-20 সম্মেলনে রাজ্যের ভাল দিক তুলে ধরার বার্তা মোদির, বৈঠকে বলার সুযোগ পেলেন না মমতা-সংবাদ প্রতিদিন
- স্ত্রীকে খুন করে আলমারিতে দেহ লুকিয়ে রাখল স্বামী, চাঞ্চল্য চুঁচুড়ায়-আজকাল
এবারে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিস্তারিত
বিএনপির সংসদ সদস্যদের পদত্যাগের ঘোষণা-দৈনিক প্রথম আলো
একাদশ জাতীয় সংসদ থেকে পদত্যাগ করার ঘোষণা দিয়েছেন বিরোধীদল বিএনপির সংসদ সদস্যরা। দলটি থেকে নির্বাচিত ৭ জন সংসদ সদস্যই পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। আজ রাজধানীর গোলাপবাগ মাঠে বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সমাবেশে সংসদ সদস্যরা পদত্যাগের ঘোষণা দেন। সমাবেশে বগুড়া–৬ আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপির সংসদ সদস্য গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ প্রথম সাত সংসদ সদস্যের পদত্যাগের ঘোষণা দেন। এরপর অন্য সংসদ সদস্যরা একে একে পদত্যাগের কথা জানান। দেশের বাইরে থাকায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের মো. হারুনুর রশীদের পক্ষে গোলাম মোহাম্মদ পদত্যাগের কথা জানান। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ছয়জন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বিএনপির সংসদ সদস্যের শপথ গ্রহণ নিয়ে টানাপোড়েন দেখা দেয়। বগুড়া–৬ আসন থেকে নির্বাচিত মির্জা ফখরুল ছাড়া বাকি পাঁচজনই শপথ নেন। নির্ধারিত সময়ে শপথ না নেওয়ায় ফখরুলের আসনটি শূন্য ঘোষণা করে আবার নির্বাচন হয়। আর তাতে জয়ী হন বিএনপির প্রার্থী জিএম সিরাজ।
মানবাধিকার সুরক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী-দৈনিক প্রথম আলো
মানবাধিকার সুরক্ষায় সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকার দেশের জনগণের মানবাধিকার সুরক্ষায় বদ্ধপরিকর। আজ শনিবার বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এ বছর বাংলাদেশ ২০২৩-২০২৫ মেয়াদের জন্য জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিল (ইউএনএইচআরসি)-এর সদস্য নির্বাচিত হয়েছে। আমাদের সরকারের আমলেই জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলে বাংলাদেশ চারবার সদস্য নির্বাচিত হয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের এই ফল জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মানবাধিকারের সুরক্ষা এবং প্রচারে বাংলাদেশের অব্যাহত প্রচেষ্টা এবং অঙ্গীকারের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের স্বীকৃতির সুস্পষ্ট বহি:প্রকাশ।
তিনি বলেন, এটি দেশে এবং বিদেশে রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কতিপয় ব্যক্তিবর্গের দেওয়া মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্যের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতিকে নেতিবাচকভাবে চিত্রিত করার হীন উদ্দেশ্যকেও মিথ্যা প্রমাণ করে।
ফখরুল-আব্বাসকে সাধারণ কয়েদিদের সঙ্গে রেখেছে: আফরোজা আব্বাস- যুগান্তর
গ্রেফতার বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও মির্জা আব্বাসকে জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। কাল তাদের সাধারণ কয়েদিদের সঙ্গে ওয়ার্ডে রাখা হয়। তাদের কারা কর্তৃপক্ষ ফ্লোরিং করিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন মহিলা দলের সভাপতি ও মির্জা আব্বাসের স্ত্রী আফরোজা আব্বাস।
শনিবার রাজধানীর গোলাপবাগ মাঠে বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশ তিনি এ অভিযোগ করেন।
আফরোজা আব্বাস বলেন, নয়াপল্টনে পার্টি অফিসের সামনে আমরা সমাবেশ করতে পারি না। অথচ আওয়ামী লীগ ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা বন্ধ করে সমাবেশ করে। ওয়ার্কিং ডেতে সমাবেশ করে। পোশাক কারখানা বন্ধ করে সমাবেশ করে, স্কুল-কলেজ বন্ধ করে দিয়ে সমাবেশ করে।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সমাবেশে বেশি লোক দেখানোর জন্য নারী-পুরুষদের জোর করে সমাবেশে আনে। অথচ আমাদের ভাই বোনেরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে সমাবেশে যোগ দিতে চাইলে তারা বাধা দেয়। তারা চেয়েছিল বিএনপি যেন ঢাকায় সমাবেশ করতে না পারে। কিন্তু তারা সফল হয়নি। বিএনপি কখনো পরাজিত হয় না।
সমাবেশ ঘিরে কোনো আতঙ্ক নেই: ডিবিপ্রধান-ইত্তেফাক
সমাবেশ ঘিরে আতঙ্ক ছিল, আজ তা নেই বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ। তিনি বলেন, মানুষ নির্বিঘ্নে সমাবেশে আসতে ও যেতে পারছে। কাউকে বাধা দেওয়া হচ্ছে না, আটকও করা হচ্ছে না।
শনিবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণ সমাবেশ হলে পুলিশ সহায়তা করবে। তবে কেউ নাশকতার চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যেহেতু এটি বৈধ সমাবেশ, তাই সমাবেশ শেষ করে বিএনপি চলে যেতে পারে। বিশৃঙ্খলা এড়াতে নগরজুড়ে ৩২ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এদিকে, গোলাপবাগে সমাস্থলে নিরাপত্তা জোরদারে র্যাবের হেলিকপ্টার টহল চলছে। সমাবেশ থেকে বিএনপি যেন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করতে পারে, সেজন্য রাজধানীর বিভিন্ন মোড়ে পুলিশ সদস্যরা সর্তক অবস্থানে রয়েছেন। রাজধানীর প্রবেশ পথগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের তৎপর দেখা গেছে।
আওয়ামী সরকারের শেষ পরিণতি অত্যন্ত লজ্জাজনক হবে : জামায়াত আমির- দৈনিক নয়া দিগন্ত
শান্তিপূর্ণ একটা সমাবেশ, অবস্থানকে অশান্ত করে তোলা হয়েছে। বিপুল সংখ্যক লোককে গ্রেফতার করা হয়েছে। গভীর রাতে দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে বাসা থেকে গ্রেফতার করে নিয়ে আনা হয়েছে। এর শেষ পরিণতি আওয়ামী সরকারের জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক হবে বলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা: শফিকুর রহমান।
শুক্রবার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের উদ্যোগে মজলিসে শূরা সম্মেলন ও শপথ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, যুগপৎ আন্দোলনের মাধ্যমেই দেশে কেয়ারটেকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনা হবে। সম্প্রতি বাংলাদেশের রাজনীতি মারাত্মক উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। জামায়াত, বিএনপিসহ গণতন্ত্রকামী ডান বাম, জোট সকলকে সাথে নিয়ে যুগপৎ দুর্বার গণআন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এর মাধ্যমে সরকারের পতন ঘটিয়ে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জাতিকে সঠিক পথে এগিয়ে নিতে হবে। সংগ্রাম করে জাতিকে মুক্ত করার মহান দায়িত্ব পালনে আগামী দিনে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালনে দেশের জনগণকে এগিয়ে আসতে হবে।
গণসমাবেশ থেকে সরকারের পদত্যাগসহ বিএনপির ১০ দফা-দৈনিক মানব জমিন
জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত করে সরকারের পদত্যাগ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্গঠনসহ দশ দফা দাবি উত্থাপন করেছে বিএনপি। শনিবার বিকেল ৪টায় রাজধানীর গোলাপবাগ মাঠে দলটির ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এ ১০ দফা ঘোষণা করেন। এর আগে সংসদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন বিএনপির সংসদ সদস্যরা।
বিএনপির ১০ দফার মধ্যে রয়েছে: বর্তমান জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত করে ক্ষমতাসীন সরকারের পদত্যাগ; ১৯৯৬ সালে সংবিধানে সংযোজিত ধারা ৫৮-খ, গ ও ঘ-এর আলোকে একটি দল নিরপেক্ষ নির্বাচনকালীন সরকার বা অন্তর্র্বতীকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন; নির্বাচনকালীন দল নিরপেক্ষ সরকার বা অন্তর্র্বতীকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার, বর্তমান নির্বাচন কমিশন বাতিল করে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন। সেই নির্বাচন কমিশন অবাধ নির্বাচনের অনিবার্য পূর্বশর্ত হিসেবে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করতে আরপিও সংশোধন, ইভিএম পদ্ধতি বাতিল ও পেপার ব্যালটের মাধ্যমে ভোটের ব্যবস্থা এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক ব্যবহার বাতিল; খালেদা জিয়াসহ বিরোধী দলীয় সব নেতাকর্মী, সাংবাদিক এবং আলেমদের সাজা বাতিল। সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও রাজনৈতিক কারাবন্দিদের অনতিবিলম্বে মুক্তি।
ডিসেম্বর বনাম জানুয়ারি! শুভেন্দু অধিকারীর ‘দিন’ ঘোষণার পর পাল্টা ‘দিন’ জানালেন কুণাল ঘোষ-আনন্দবাজার পত্রিকা
ভবিষ্যদ্বাণীর পাল্টা ভবিষ্যদ্বাণী! বাংলার রাজনীতিতে এক নতুন কৌশলের সংযোজন করল তৃণমূল ও বিজেপি দু’পক্ষই। ডিসেম্বর মাসে তৃণমূল সরকারের উপর বিপদ ঘনিয়ে আসবে। এমনটাই ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন রাজ্য বিজেপির নেতারা। বৃহস্পতিবার গুজরাত জয়ের পর কলকাতায় সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে তিনটি তারিখের ঘোষণা করেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এ বার সেই তারিখের পাল্টা তারিখ ও সময় ঘোষণা করে দিলেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। শনিবার সকালে নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে কুণাল লিখেছেন, “এক জন শিক্ষানবিশ জ্যোতিষীর দেওয়া কিছু তারিখ দেখার পর, এখন আমি একটা তারিখ ও সময় দিচ্ছি। এবং এটি আমি এক জন বিশিষ্ট জ্যোতিষীর কাছ থেকে পেয়েছি। তিনি বলেন, বিয়ের তারিখ ছাড়া ডিসেম্বরে কোনো তারিখ নেই, যাকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। কিন্তু ২ জানুয়ারি (০২.০১.২০২৩) হল গুরুত্বপূর্ণ দিন, সময় দুপুর ২টো।” বিজেপি নেতারা যে ভাবে কোনও স্পষ্ট ইঙ্গিত না দিয়েই তৃণমূল নেতৃত্বকে চাপে ফেলার কৌশল নিয়েছিলেন। কুণালও দিন ও সময় ঘোষণা করে কিছুটা রহস্য বজায় রেখেছেন নিজের টুইটে।
G-20 সম্মেলনে রাজ্যের ভাল দিক তুলে ধরার বার্তা মোদির, বৈঠকে বলার সুযোগ পেলেন না মমতা-সংবাদ প্রতিদিন
জি-২০ সম্মেলন (G-20 Summit) সফল করতে বাংলার তরফ থেকে সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে এসেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। দিল্লির সম্মেলনের পর শুক্রবার তার প্রস্তুতির দ্বিতীয় পর্যায়ের বৈঠকে সেই সুরেই সুর মেলালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। ভারচুয়াল বৈঠকে নিজের কালীঘাটের কার্যালয় থেকে যোগ দিয়েছিলেন এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু বৈঠকে এদিন বলার সুযোগ পাননি তিনি। যদিও এদিনের বক্তা তালিকায় তাঁর নাম ছিল। বৈঠকে বলার সুযোগ দেওয়া হয় জম্মু কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর জেনারেল, কেরলের রাজ্যপালদের। কারণ গত সোমবারের দিল্লির বৈঠকে তাঁরা বলার সুযোগ পাননি।
সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রী মোদি এই বৈঠকে বলেছেন, “আমাদের দেশের একটা ঐতিহ্য রয়েছে। আর জি-২০ সম্মেলনের আয়োজন দেশের কাছে মর্যাদার। যেসব রাজ্যে তাদের আসর বসবে, তারাও এই গৌরবের অঙ্গ। বিদেশি অতিথিদের সামনে রাজ্যগুলির পাশাপাশি গোটা দেশের সমস্ত সম্ভাবনার দিকগুলো তুলে ধরা যায়, সেটা দেখতে হবে। রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে সবাইকে কাজ করতে হবে। এই সম্মেলন সফল করতে হবে।”
স্ত্রীকে খুন করে আলমারিতে দেহ লুকিয়ে রাখল স্বামী, চাঞ্চল্য চুঁচুড়ায়-আজকাল
ছেলে আলমারি খুলতেই ভেতর থেকে বেরোল মায়ের দেহ।
দিল্লিতে প্রেমিকার দেহ ৩৫ টুকরো করে ফ্রিজে রাখার ঘটনার রেশ এখনও কাটেনি। তারপরেই আবার বাংলায় ঘটল এই ঘটনা। জানা গিয়েছে, চুঁচুড়ার শ্যামবাবু ঘাটের কাছে একটি টিনের চালায় স্বামী কাশীনাথ ধাড়ার সঙ্গে বাস করতেন ভারতী ধাড়া। স্বামী কর্মহীন। মদের নেশার জন্য স্ত্রীর থেকে টাকা চাইতেন তিনি। প্রতিবেশীদের অভিযোগ, নেশার টাকা না পেয়েই স্ত্রীকে খুন করেছে কাশীনাথ।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, বৃহস্পতিবারের পর থেকে আর দেখা মেলেনি ভারতীর। তাদের ছেলে বিশ্বনাথের ক্যাটারিংয়ের ব্যবসা। তার ক্যাটারিংয়ের জিনিসপত্র থাকত শ্যামবাবু ঘাটের পাশে একটি বাড়ির আলমারিতে। এদিন সেখানে ব্যবসার জিনিসপত্র নিতে গিয়ে আলমারি খুলতেই ভেতর থেকে হুড়মুড় করে পড়ে তার মায়ের দেহ। খবর পেতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা ভারতীর স্বামীর বিরুদ্ধেই অভিযোগ জানিয়েছে। তবে এই ঘটনায় এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ।#
পার্সটুডে/বাবুল আখতার/১০
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।