জানুয়ারি ০১, ২০২৩ ১৩:৪৫ Asia/Dhaka

সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতাবন্ধুরা! আজ ১ জানুয়ারি রোববারের কথাবার্তার আসরে সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি আমি গাজী আবদুর রশীদ। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি। এরপর গুরুত্বপূর্ণ দুটি খবরের বিশ্লেষণে যাবো। বিশ্লেষণ করবেন সহকর্মী সিরাজুল ইসলাম।

বাংলাদেশের শিরোনাম:

  • আগারগাঁওয়ে ছাত্রলীগের দুগ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১-মানবজমিন
  • দেশে অমিক্রন বিএফ.৭ শনাক্ত: আইইডিসিআর -প্রথম আলো
  • রিজার্ভ চুরির তদন্ত প্রতিবেদন ৬৯তম বার পেছাল -যুগান্তর
  • নির্বাচনী বছর শুরু, কমিশনের সামনে বড় দুই চ্যালেঞ্জ-কালের কণ্ঠ
  • নতুন বছর হবে সরকারকে বিদায় দেওয়ার বছর : গয়েশ্বর- বাংলাদেশ প্রতিদিন
  • দুর্নীতি নয়, মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে এসেছি: প্রধানমন্ত্রী -ইত্তেফাক

কোলকাতার শিরোনাম:

  • আপনাদের নতুন জাতির জনক দেশের জন্য করেছেন কী?’, মোদিকে বেনজির তোপ নীতীশের -সংবাদ প্রতিদিন
  • দিল্লির বৃদ্ধাশ্রমে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, আগুনে পুড়ে মৃত ২ বৃদ্ধা -আজকাল
  • নাসিকে জিন্দল গোষ্ঠীর কারখানায় আগুন-আনন্দবাাজর পত্রিকা

শ্রোতাবন্ধুরা! শিরোনামের পর এবার দু'টি খবরের বিশ্লেষণে যাচ্ছি- 

জনাব সিরাজুল ইসলাম কথাবার্তার আসরে আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি।

কথাবার্তার বিশ্লেষণের বিষয়:

১. বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার আগারগাঁও বিজ্ঞান জাদুঘর এলাকায় ইংরেজি নববর্ষ বরণকে ঘিরে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে মো. ফিরোজ আহমেদ নামে ২৫ বছর বয়সী এক যুবক নিহত হয়েছে। কী বলবেন আপনি?

২. নববর্ষ উপলক্ষে পুতিন ভাষণ দিয়েছেন এবং তিনি বলেছেন ; “যে পাশ্চাত্য আমাদের ধ্বংস করতে চায় তাদের বিরুদ্ধে আমরা বিজয়ী হবো।” তার এই ঘোষণার অর্থ কী? কীভাবে পশ্চিমা শক্তির বিরুদ্ধে বিজয় সম্ভব।

বিশ্লেষণের বাইরে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবর

দুর্নীতি নয়, মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে এসেছি: প্রধানমন্ত্রী-ইত্তেফাক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা দুর্নীতি করতে আসিনি, দেশের মানুষের ভাগ্য গড়তে এসেছি। বাবা-মা-পরিবার হারিয়ে এদেশে দুর্নীতি করতে ফিরে আসিনি। সব হারিয়ে দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে এসেছি।তিনি বলেন, ২১ বছর পর ক্ষমতায় আসার পর আমাদের সরকারের একটি নীতিমালা ছিল ব্যবসাবান্ধব নীতি গ্রহণ করা, সেটাই করেছি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু মাত্র সাড়ে তিন বছরে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়ে তোলার কাজ শুরু করেন। একটি টাকাও রিজার্ভ ছিল না সেই সময়, কোনো কারেন্সি ছিল না। সেই অবস্থা থেকে তিনি দেশকে গড়ে তুলে স্বল্পোন্নত দেশে পরিণত করেছিলেন। স্বল্পোন্নত দেশ থেকে এখন আমরা উন্নয়নশীল দেশ গড়তে পেরেছি, এটাই আমাদের অর্জন।

তিনি আরও বলেন, এখনকার ডিপ্লোমেসি পলিটিক্যাল ডিপ্লোমেসি না, ইকোনমিক ডিপ্লোমেসি হবে। বিদেশে আমাদের সকল দূতাবাসকে ব্যবসা-বাণিজ্য, রপ্তানি, কোন দেশে কোন পণ্যের চাহিদা বেশি, কী আমরা রপ্তানি করতে পারি বা কোথা থেকে আমরা বিনিয়োগ আনতে পারি, সেদিকে দৃষ্টি দেয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছি।

রপ্তানি বাড়াতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নতুন নতুন বাজার খোঁজার পাশাপাশি দেশে উৎপাদন বৃদ্ধি ও পণ্য বহুমুখীকরণ, খাদ্য প্রকিয়াজাতকরণ শিল্পের দিকে মনোযোগী হতে ব্যবসায়ীদেরও পরামর্শ দেন শেখ হাসিনা।

সামাজিক সূচক-সংকটেও কতটা এগোল বাংলাদেশ-প্রথম আলো

স্বাধীনতার পরপর দেশের একজন সাধারণ বা গড়পড়তা নাগরিকের জীবনযাপন কেমন ছিল, তার একটি বর্ণনা আছে বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে। ১৯৭২ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত প্রতিবেদনটিতে বিশ্বব্যাংক লিখেছিল, ‘এখানকার ৯০ শতাংশ মানুষ গ্রামে বাস করে এবং ৮০ শতাংশই কৃষির সঙ্গে সম্পর্কিত। গ্রামবাসীর মালিকানায় থাকা গড় জমির পরিমাণ দেড় একর।

এর বাইরে তারা সচ্ছলদের কাছ থেকে আরও ১ একর জমি ধার নিয়ে চাষাবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করে। এই জমি আবার ১০ বা এরও বেশি ভাগে বিভক্ত। অনেক জমির অবস্থান নিজের ঘরের চেয়ে বহুদূরে। জমি চাষের জন্য তাদের একটা করে অস্থিসার গরু আছে। প্রায় প্রত্যেক পরিবারই দুই বেলা খাওয়ার জন্য চাল ঘরে রাখে। কোনো উৎসব, বিয়ে বা অন্য কোনো সামাজিক অনুষ্ঠানের জন্য তারা আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে অর্থ ধার করে।

বেশি প্রয়োজনে অবশ্য তারা মহাজনদের কাছে যায়। যেহেতু প্রায় সবাই দিন আনে দিন খায়, সে কারণে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই কেবল সুদ পরিশোধ করতে পারে, আসল আর পরিশোধ করতে পারে না। কোনো এক বছরে ফসলের বড় ক্ষতি হলে তারা গভীর দেনায় ডুবে যায়। আর যাদের কোনো জমিই নেই, তাদের অবস্থা আরও খারাপ। এক–পঞ্চমাংশেরই আসলে কোনো জমি নেই। তাদের বাড়িঘর অনেক ছোট ও জীর্ণ। সাধারণত ধানের খড় দিয়ে বাড়ির চালা বানানো হয়, যা বর্ষার সময় মোটেই টিকে থাকে না। তারা মূলত জমির মালিকের দয়ার ওপর টিকে থাকে এবং খারাপ ফসলের মৌসুমে বাড়ি থেকে বিতাড়িত হয়।’

টিকে থাকা নিয়েই ছিল সংশয়

মূলত এ রকম এক অবস্থা দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের পথচলা শুরু হয়েছিল। বিশ্বব্যাংক তখন ওই প্রতিবেদনেই বলেছিল, ‘সবচেয়ে ভালো পরিস্থিতিতেও বাংলাদেশের উন্নয়ন সমস্যাটি অত্যন্ত জটিল। এখানকার মানুষ অত্যন্ত দরিদ্র, মাথাপিছু আয় ৫০ থেকে ৭০ ডলারের মধ্যে, যা গত ২০ বছরে বাড়েনি, জনসংখ্যার প্রবল আধিক্য, প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১ হাজার ৪০০ মানুষ বাস করে, তাদের জীবনের আয়ুষ্কাল অনেক কম, ৫০ বছরের নিচে, বেকারত্বের হার ২৫ থেকে ৩০ শতাংশের মধ্যে এবং জনসংখ্যার বড় অংশই অশিক্ষিত।’

বিশ্বব্যাংক তখন কিছুটা রেখেঢেকে বললেও বেশ কয়েকজন অর্থনীতিবিদ অবশ্য খোলামেলাভাবেই বাংলাদেশের টিকে থাকা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছিলেন। যেমন নরওয়ের ইয়ুস্ট ফালান্দ ১৯৭৬ সালেই সরাসরি লিখেছিলেন যে বাংলাদেশ আসলে অর্থনীতিতে টিকে থাকতে পারবে না। আজীবনই বিদেশি সাহায্যের ওপর নির্ভর করে থাকতে হবে।

এগিয়ে দিয়েছে সামাজিক মূলধন

৫১ বছর পর সেই বাংলাদেশেরই মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৮২৪ ডলার (দুই লাখ ৯৬ হাজার ৫২০ টাকা)। আসলে শুরু থেকেই অর্থনীতিবিদেরা বাংলাদেশের জনসংখ্যাকে প্রধান সমস্যা ধরে নিয়ে বিশ্লেষণ করেছে। তারা বলেছিল, জনসংখ্যার বড় অংশ অশিক্ষিত, কৃষির ওপর তারা নির্ভরশীল, তাদের আয়ু কম, কোনো শিল্পপণ্য নেই, অর্থনীতিতে মেয়েদের অংশগ্রহণ খুবই সামান্য। আর এখন গবেষকেরা বলছেন, বাংলাদেশের অগ্রগতির পেছনে অর্থনীতিতে নারীর উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণের ভূমিকা অনেক। মাথাপিছু আয় যেমন বেড়েছে, তেমনি কমেছে শিশুমৃত্যু ও সন্তান প্রসবকালে মাতৃমৃত্যুর হার। নারীর কর্মসংস্থান বেড়েছে, মেয়েদের শিক্ষা গ্রহণের মতো সূচকেও বাংলাদেশের অগ্রগতি ভারত ও পাকিস্তানের চেয়েও অনেক বেশি।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পেছনে যে সামাজিক সূচকের এসব অগ্রগতি উল্লেখযোগ্য প্রভাব রেখেছে, তা বাংলাদেশের উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস) ‘অ্যাসপিরেশনাল মোমেন্টাম: দ্য ডেভেলপমেন্ট স্টোরি অব বাংলাদেশ’ শীর্ষক গবেষণায় দেখিয়েছে।

এ নিয়ে গবেষকেরা বলেছেন, দেশের নিম্নবিত্ত ও গরিব মানুষ স্বল্পমূল্যের খাওয়ার স্যালাইন পদ্ধতি, পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি ও কৃষি উপকরণ সাদরে গ্রহণ করেছে। বেসরকারি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানগুলো মানুষদের সচেতন করেছে, উপকরণ সরবরাহও করেছে। সরকারও দিয়েছে নীতিসহায়তা। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পেছনে এর বড় ভূমিকা রয়েছে।

দেশে অমিক্রন বিএফ.৭ শনাক্ত: আইইডিসিআর-প্রথম আলো

চীন থেকে আসা দেশটির চার নাগরিকের শরীরে করোনাভাইরাস অমিক্রনের উপধরন বিএফ.৭ সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। আজ রোববার সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটে (আইইডিসিআর) ওই চারজনের করোনা পরীক্ষার পর এ কথা জানানো হয়।

আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক তাহমিনা শিরীন প্রথম আলোকে বলেন, চার চীনা নাগরিকের শরীরে অমিক্রনের নতুন উপধরন বিএফ.৭ শনাক্ত হয়েছে।

রিজার্ভ চুরির তদন্ত প্রতিবেদন ৬৯তম বার পেছাল-যুগান্তর

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবারও পেছাল। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি তদন্ত প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রায়হান উদ্দিন খান আজ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী এই আদেশ দেন। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে ১০১ মিলিয়ন ডলার চুরির ঘটনায় করা মামলায় তদন্ত শেষ করার জন্য এখন পর্যন্ত মোট ৬৯ বার সময় নেওয়া হয়েছে।

চুরি হওয়া রিজার্ভের অন্তত ৮১ মিলিয়ন ডলার ম্যানিলাভিত্তিক আরসিবিসির অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয়। সেখান থেকে ফিলিপাইনের ক্যাসিনোগুলোতে সেগুলো ব্যয় করা হয়।২০১৬ সালের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের উপপরিচালক (হিসাব ও বাজেট) জোবায়ের বিন হুদা মতিঝিল থানায় মামলাটি করেন। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ আরসিবিসি থেকে ১৫ মিলিয়ন ডলার এবং শ্রীলংকার একটি ব্যাংকে পাঠানো আরও ২০ মিলিয়ন ডলার উদ্ধার করেছে।

এবারে কোলকাতার কয়েকটি খবরের বিস্তারিত:

‘আপনাদের নতুন জাতির জনক দেশের জন্য করেছেন কী?’, মোদিকে বেনজির তোপ নীতীশের-সংবাদ প্রতিদিনের এ খবরে লেখা হয়েছে, বিজেপির সঙ্গ ছাড়ার পর যত দিন যাচ্ছে, নীতীশ কুমারের বিজেপি বিরোধিতার ধার যেন ততই বাড়ছে। এবার খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বেনজির ভাষায় আক্রমণ করলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী। দিনকয়েক আগে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবিসের স্ত্রী অমৃতা ফড়ণবিস মোদিকে ‘নতুন ভারতের জাতির জনক’ আখ্যা দিয়েছিলেন। সেই সূত্র ধরেই নীতীশ এবার প্রশ্ন তুললেন, আপনাদের নতুন জাতির জনক দেশের জন্য করেছেনটা কী? দেশের কোন উন্নতিটা হয়েছে। কোথায় অগ্রগতি হয়েছে। ” এরপরই সরাসরি বিজেপিকে আক্রমণ করে নীতীশ কুমার বলে দেন,”স্বাধীনতার যুদ্ধের সঙ্গে বিজেপির কোনও যোগ নেই। আরএসএসের স্বাধীনতা সংগ্রামে কোনও অবদানই নেই।” নীতীশের এই সূরে বিজেপিকে আক্রমণ করাটা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।

ইজরায়েলের পাশেই ভারত, প্যালেস্টাইন প্রসঙ্গে রাষ্ট্রসংঘের প্রস্তাবে ভোট দিল না দিল্লি-সংবাদ প্রতিদিন

প্যালেস্টাইন (Palestine) দখল করে মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে ইজরায়েল।এহেন পরিস্থিতিতে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দেশের বিরুদ্ধে কী আইনি পদক্ষেপ করা যায় সেই মর্মে আন্তর্জাতিক আদালতের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে। আদালতের মত নেওয়া হবে কিনা, সেই নিয়ে ভোটাভুটি হল রাষ্ট্রসংঘে । কিন্তু এই প্রস্তাবে ভোটদানে বিরত থাকল ভারত। তবে মোট ৮৭টি ভোট পেয়ে রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় পাশ হয়ে গিয়েছে প্রস্তাবটি। তার ফলে বেশ বেকায়দায় পড়েছেন সদ্য ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী পদে বসা নেতানিয়াহু।#

পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/১