জানুয়ারি ০৫, ২০২৩ ১১:৪০ Asia/Dhaka

সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতাবন্ধুরা! আজ ৫ জানুয়ারি বৃহস্পতিবারের কথাবার্তার আসরে সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি আমি বাবুল আখতার। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি। এরপর গুরুত্বপূর্ণ দুটি খবরের বিশ্লেষণে যাবো। বিশ্লেষণ করবেন সহকর্মী সিরাজুল ইসলাম।

বাংলাদেশের শিরোনাম:

  • যে কারণে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফয়সালকে গুলি করে হত্যা করলো মার্কিন পুলিশ-মানবজমিন
  • মূল্যস্ফীতির প্রভাব-সংসার খরচ বৃদ্ধির প্রভাব ভোক্তাঋণে-প্রথম আলো

  • বিএনপির হাঁকডাকে ঘোড়াও হাসে: ওবায়দুল কাদের-যুগান্তর
  • বর্তমান সরকারের পতন ঘটাতে পারবে না বিএনপি : কৃষিমন্ত্রী-কালের কণ্ঠ
  • জটিল হয়ে উঠছে বিশ্বের খাদ্যসংকট: আইএমএফ- বাংলাদেশ প্রতিদিন
  • ৭২ হাজার মেট্রিক টন সার ‘আত্মসাৎ’: তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের-ইত্তেফাক

কোলকাতার শিরোনাম:

  • আরও ৫৯ জনের বেতন বন্ধের নির্দেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের, এপর্যন্ত চাকরি গেল ২৫২ প্রাথমিক শিক্ষকেরসংবাদ প্রতিদিন
  • জেড প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পাবেন সিভি আনন্দ বোস -আজকাল
  • রাজনৈতিক কারণে দল পাঠাচ্ছে, আগে ১০০ দিনের কাজের টাকা দিন’, সরাসরি কেন্দ্রকে নিশানা মমতার-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন

শ্রোতাবন্ধুরা! শিরোনামের পর এবার দু'টি খবরের বিশ্লেষণে যাচ্ছি- 

কথাবার্তার বিশ্লেষণের বিষয়:

. ১. গাইবান্ধা উপনির্বাচন: 'চমৎকার' নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৩৫ শতাংশ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়ালের বরাত দিয়ে মানব জমিন একটু বাকা চোখে এই শিরোনাম করেছে। কী বলবেন আপনি?
২. সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আসাদের সঙ্গে বৈঠক করলেন আমিরাতি পররাষ্ট্রমন্ত্রী। ইরানের প্রেস টিভি এমন একটি খবর দিয়েছে। সম্পর্ক উন্নয়নের এই ধারাকে আপনি কেভাবে দেখছেন?

বিশ্লেষণের বাইরে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবর

মূল্যস্ফীতির প্রভাব-সংসার খরচ বৃদ্ধির প্রভাব ভোক্তাঋণে-প্রথম আলো

সংসারের খরচ বাড়েনি—দেশে এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া যাবে না। এই বাড়তি খরচ মেটাতে না পেরে অনেকে এখন বাজারতালিকা ছোট করে এনেছেন। এতে বহু পণ্য ঝরে পড়ছে তালিকা থেকে। আবার সংসার খরচ বাড়লেও অনেকেই তালিকা ছোট করতে পারেননি। সামাজিক মর্যাদা ধরে রাখার জন্য তাঁরা ঋণ করে সংসার চালাচ্ছেন। এর প্রভাব পড়েছে ব্যাংকগুলোর দেওয়া ভোক্তাঋণে। 

সদ্যবিদায়ী ২০২২ সালের প্রথম ৯ মাস জানুয়ারি-সেপ্টেম্বরে ভোক্তাঋণ বেড়েছে ১৭ হাজার ৯৮ কোটি টাকা। এই সময়ে গাড়ি কেনার ঋণ অবশ্য কমেছে। তবে ফ্ল্যাট বা গৃহঋণ বিতরণও বেড়েছে মাত্র ৬৭২ কোটি টাকা। তাহলে ভোক্তাঋণ গেল কই? আসলে এই ঋণের সিংহভাগই গ্রাহকেরা নগদে উত্তোলন করেছেন। ২০২১ সালের পুরো সময়ে ভোক্তাঋণ বেড়েছিল ১৪ হাজার ৪১৩ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের খাতভিত্তিক ঋণের চিত্র পর্যালোচনা করে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

গত বছরে ব্যক্তিগত ঋণে আমাদের ১৫-২০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। প্রায় সাড়ে ৬০০ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। অন্য সময়ের চেয়ে ব্যক্তিগত ঋণের চাহিদাও বেশি ছিল। সুদহার এখনো আগের মতো ৯ শতাংশ রয়েছে।

ব্যাংকাররা বলছেন, বিদায়ী বছরে সব ধরনের পণ্যের দাম বাড়লেও ব্যাংক ঋণের সুদহার ছিল ৯ শতাংশ। চাকরিজীবীদের ছোট অঙ্কের ব্যক্তিগত ঋণ পেতে তেমন ভোগান্তি পোহাতে হয়নি। যাঁদের ব্যাংকে আগে থেকেই স্থায়ী ও মেয়াদি আমানত ছিল, তাঁদের জন্য ঋণ পাওয়া ছিল আরও সহজ। ক্রেডিট কার্ডেও খরচ বাড়িয়েছেন ভোক্তারা।

প্রকৃত আয় কমে যাওয়ায় আগের চেয়ে বেশি মানুষ ঋণ নিয়েছেন। এর প্রভাব পড়েছে ভোক্তাঋণে। 

দেশে ভোক্তাঋণ বিতরণে শীর্ষ ব্যাংকগুলোর একটি ব্র্যাক ব্যাংক। গত বছর ব্যাংকটির ভোক্তাঋণের স্থিতি সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। এই ব্যাংকের ভোক্তাঋণ বিভাগের প্রধান মাহিয়ুল ইসলাম প্রথম আলোকে জানান, গত বছরে ভোক্তাঋণে তাঁদের প্রায় ২০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। ক্রেডিট কার্ডের ঋণ ১ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। চলতি বছরে ঋণের চাহিদা আরও বাড়বে।

বিএনপির হাঁকডাকে ঘোড়াও হাসে: ওবায়দুল কাদের: তথ্যমন্ত্রী-যুগান্তর

বিএনপির আন্দোলন প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির হাঁকডাকে ঘোড়াও হাসে। আমরা হাঁক-ডাক হুমকি ধামকি ভয় করি না। শেখ হাসিনাও ভয় পান না। শেখ হাসিনা আল্লাহপাক ছাড়া কাউকে ভয় পান না।

বৃহস্পতিবার নগরীর সড়ক ভবনের মিলনায়তনে 'সড়ক ও জনপথ প্রকৌশল সমিতির ৩০ তম সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে’ মন্ত্রী এসব কথা বলেন।  সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ একটা রাজনৈতিক দল, যে দল ঘরে যেমন গণতন্ত্রের চর্চা করে রাজনৈতিক মাঠেও একই। বিরোধী দল শক্তিশালী হলে গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়। তবে বিরোধিতার নামে জ্বালাও পোড়াও কোনো গণতন্ত্র নয়। তবে বিরোধী দলের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে সাধুবাদ জানায়।

৭২ হাজার মেট্রিক টন সার ‘আত্মসাৎ’: তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের-ইত্তেফাক

সরকারিভাবে আমদানি করা ৭২ হাজার মেট্রিক টন রাসায়নিক সার আত্মসাতের অভিযোগে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স পোটন ট্রেডার্সের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে দুর্নীতি দমন কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদার ও খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। অনুসন্ধান করে ৬০ দিনের মধ্যে দুদককে আদালতে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। হাইকোর্ট বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের চেয়ারম্যানকে এ অভিযোগের বিষয়ে ২০ জানুয়ারির মধ্যে ব্যাখ্যা দিতেও নির্দেশ দিয়েছেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, সরকারিভাবে আমদানি করা ৭২ হাজার মেট্রিক টন সার বন্দর থেকে খালাসের পর গুদামে পৌঁছে না দিয়ে আত্মসাৎ করে পরিবহনের দায়িত্বে থাকা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স পোটন ট্রেডার্স। এ বিষয়ে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন নজরে আসে আদালতের। এতে সরকারের ৫৮২ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।

জটিল হয়ে উঠছে বিশ্বের খাদ্যসংকট: আইএমএফ- বাংলাদেশ প্রতিদিন

নতুন বছরে বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অশনিসংকেত দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। সংস্থাটি বলছে, ২০২৩ সালে মন্দার কবলে পড়বে বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশ দেশ, যার প্রভাব পড়বে সারা বিশ্বে। এমনকি যারা সরাসরি মন্দার কবলে পড়বে না, তাদের গায়েও আঁচ লাগবে।

আইএমএফ বলছে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে পণ্যমূল্য বৃদ্ধি, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সুদহার বেড়ে যাওয়া ও চীনে নতুন করে করোনাভাইরাসের বিস্তার—এসব কারণে বিশ্ব অর্থনীতি হুমকির মুখে পড়েছে। এতে বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশ দেশের অর্থনীতি চলতি বছর মন্দার কবলে পড়তে পারে বলে আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা।

 সম্প্রতি সিবিএস নিউজের এক অনুষ্ঠানে আইএমএফের প্রধান এ আশঙ্কার কথা তুলে ধরেছেন। এর আগে গত অক্টোবরে প্রকাশিত আইএমএফের অর্থনৈতিক আউটলুকে বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমানো হয়।

রাশিয়া ও ইউক্রেনের যুদ্ধের বয়স এক বছর হতে চলল। যুদ্ধ কমে থামবে, তার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। ফলে ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে বিশ্বের খাদ্যসংকট। জাতিসংঘ ও তার সহযোগী সংস্থাগুলোও উদ্বেগ জানাচ্ছে। গত ডিসেম্বর মাসে তারা উদ্বেগ জানিয়েছে, ২০২৩ সালে মানবিক সাহায্য বাবদ অন্তত ৫ হাজার ১৫০ কোটি ডলার ব্যয় করতে হবে, যা ২০২২ সালের তুলনায় ২৫ শতাংশ বেশি। ২০২৩ সালে ৬৯টি দেশে আনুমানিক ৩৩ কোটি ৯০ জন মানুষের সাহায্যের প্রয়োজন পড়বে, ২০২২ সালের তুলনায় যা ৬ কোটি ৫০ লাখ বেশি।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে মূল্যস্ফীতি বাড়তে থাকে। যুদ্ধের কারণে গত বছরের মার্চ-এপ্রিল মাসে খাদ্য পরিবহন ব্যাহত হয়। ফলে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার মূল্যসূচক রেকর্ড উচ্চতায় ওঠে। এরপর জাতিসংঘের মহাসচিবের উপস্থিতিতে কৃষ্ণসাগর দিয়ে খাদ্যশস্য পরিবহনে রাশিয়া ও ইউক্রেনের চুক্তি হয়। উভয় পক্ষই সম্মত হয়, শস্যবাহী জাহাজে রাশিয়া বা ইউক্রেন কেউ হামলা করবে না। এই অঙ্গীকারের বরখেলাপ যে একেবারে হয়নি, তা নয়।

তবে সমুদ্রপথে খাদ্যশস্য রপ্তানি একেবারে বন্ধ হয়নি কখনো। চুক্তির ধারা অনুযায়ী, এর সময়সীমা ছিল গত বছরের ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত। তবে ১৭ নভেম্বরের পর তা আরও ১২০ দিন বাড়ানো হয়েছে। ফলে কৃষ্ণসাগরের তীরবর্তী বন্দরগুলো থেকে শস্যদানা, খাদ্যসামগ্রী ও সার রপ্তানি চলমান আছে।

যে কারণে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফয়সালকে গুলি করে হত্যা করলো মার্কিন পুলিশ-মানবজমিন

যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের ক্যামব্রিজে পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এক শিক্ষার্থী। তিনি পুলিশের ওপর হামলার চেষ্টা করলে তাকে গুলি করতে বাধ্য হয় পুলিশ। ২০ বছর বয়সী ওই বাংলাদেশির নাম সাইদ ফয়সাল। এ খবর দিয়েছে এনবিসি বোস্টন। 

খবরে জানানো হয়, স্থানীয় সময় বুধবার দুপুরে পুলিশের গুলিতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে ম্যাসাচুসেটস জেনারেল হাসপাতালে ভর্তির পর তার মৃত্যু হয়। পুলিশ জানিয়েছে, গুলি করার আগে তিনি ধারাল ছুরি হাতে পুলিশের দিকে এগিয়ে আসছিলেন। সাইদ ফয়সালকে থামাতে প্রথমে স্পঞ্জ রাউন্ড ছোড়া হয়। কিন্তু এতে ফয়সাল না থেমে পুলিশের দিকে আক্রমণ করতে আসতে থাকে। ফলে একজন পুলিশ অফিসার গুলি চালান। ফয়সালের দেশের বাড়ি চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে। তিনি ইউনিভার্সিটি অব বোস্টনে (ইউম্যাস) পড়াশোনা করতেন।

তার পরিবারের প্রায় সকলেই বোস্টনে বসবাস করেন। ফয়সালকে গুলির আগে পুলিশ কর্মকর্তারা তাকে ধরতে বেশ কিছুক্ষণ ছোটাছুটি করেন। তাকে গুলির ঘটনা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। অপ্রয়োজনীয়ভাবে গুলি করা হয়েছিল কিনা তা নিশ্চিত হতে রেগুলার তদন্ত হবে। এ সময় গুলি করা কর্মকর্তাকে সাময়িক ছুটিতে পাঠানো হয়েছে।#

বর্তমান সরকারের পতন ঘটাতে পারবে না বিএনপি : কৃষিমন্ত্রী-কালের কণ্ঠ

কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, আগুন সন্ত্রাস ও আন্দোলন করে বিএনপি বর্তমান সরকারের পতন ঘটাতে পারবে না। আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে বাংলাদেশের নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মার সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা বলেন তিনি। ,

কৃষিমন্ত্রী বলেন, আগুন সন্ত্রাস ও আন্দোলন করে আগামী ১১ তারিখ নয়, আগামী ডিসেম্বরের ১১ তারিখের মধ্যেও সরকারের পতন ঘটাতে পারবে না বিএনপি।, আমদানি করা ৫৮২ কোটি টাকার ৭২ হাজার মেট্রিক টন সার আত্মসাতের বিষয়ে তিনি বলেন, এ বিষয়ে সরকার বিব্রত। প্রচলিত আইনে দোষীদের শাস্তি হবে। উৎপাদন খাতকে শিল্পায়ন করা এবং এ খাতের সম্প্রসারণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করাই এখন মূল লক্ষ্য। ভারত এ ক্ষেত্রে সহযোগিতা করবে।,

এদিকে দেশে আড়াই বিলিয়ন ডলারের ভোজ্য তেল আমদানি হয় জানিয়ে তিনি বলেন, সরিষা উৎপাদনের মাধ্যমে এই আমদানি ৫০ শতাংশ কমিয়ে আনতে চায় সরকার। পেঁয়াজের উৎপাদনের বিষয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, চলতি বছর পেঁয়াজ উৎপাদন ভালো হয়েছে। ভারতের মহারাষ্ট্র থেকে পেঁয়াজের বীজ আনা হয়েছে। যেটার ফলন ভালো।

জেড প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পাবেন সিভি আনন্দ বোস -আজকাল

কেন্দ্রের তরফে নিরাপত্তা বাড়ানো হল পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের।

তাঁর জীবনের ঝুঁকি রয়েছে। এই আশঙ্কা কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার। এরপরই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, রাজ্যপালকে দেওয়া হবে জেড প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা। প্রসঙ্গত এটাই সর্বোচ্চ কেন্দ্রীয় সুরক্ষা। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ইতিমধ্যেই এই মর্মে নির্দেশিকা জারি করেছে। এবার থেকে বাংলার রাজ্যপালকে নিরাপত্তা দেবেন সিআরপিএফের জওয়ানরা। এর আগে বাংলার প্রাক্তন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ও জেড প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পেতেন। এবার সিভি আনন্দ বোসকেও একই ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দেওয়া হল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে। এখন থেকে ৩৫ থেকে ৪০ জন কম্যান্ডো নিযুক্ত থাকবেন সিভি আনন্দ বোসকে পাহারা দেওয়ার জন্য। তাঁরাই রোটেশনের ভিত্তিতে পাহারা দেবেন বাংলার রাজ্যপালকে। প্রসঙ্গত নভেম্বরের শেষে বাংলার রাজ্যপালের দায়িত্ব নেন সিভি আনন্দ বোস। 

বিহারের পাথরে আমাদের বদনাম কেন! বন্দে ভারত নিয়ে এ বার পাল্টা তোপ দাগলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী-আনন্দবাাজর পত্রিকা

বন্দে ভারত ট্রেনে পাথর ছোড়ার অভিযোগ উঠেছিল পশ্চিমবঙ্গে। তা নিয়ে রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছিলেন রাজ্যের বিজেপি নেতারা। বন্দে ভারতে পাথর ছোড়ার ঘটনায় বৃহস্পতিবারই প্রকাশ্যে এসেছে একটি নতুন তথ্য। যা জানিয়েছেন খোদ রেল কর্তৃপক্ষই। পূর্ব রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, পাথর ছোড়ার ঘটনাটি ঘটেছে বিহারে। তারপরেই বিজেপির বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী-সহ তৃণমূলের নেতারা। বৃহস্পতিবার গঙ্গাসাগর থেকে কলকাতার উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন মমতা। সেখানেই বন্দে ভারত নিয়ে ভুল প্রচার করায় বিজেপিকে আক্রমণ করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বলেন, ‘‘বেশ কিছু সংবাদমাধ্যম তিন দিন ধরে বিষয়টি প্রচার করেছে আমাদের বিরুদ্ধে। ফেক নিউজ় দেখিয়েছে। বাংলাকে অসম্মান করার চেষ্টা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইন আইনের পথে চলবে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘ঘটনাটি বাংলায় ঘটেনি, ঘটেছে বিহারে। বিহারের মানুষের ক্ষোভ থাকতেই পারে। গণতন্ত্রে মানুষের ক্ষোভ থাকতেই পারে। তা বলে বিহারকে অপমান করলে চলবে না। আমি মনে করি তাদেরও পাওয়ার অধিকার রয়েছে। বিহারে বিজেপি নেই বলে তারা পাবে না কেন?’’

রাজনৈতিক কারণে দল পাঠাচ্ছে, আগে ১০০ দিনের কাজের টাকা দিন’, সরাসরি কেন্দ্রকে নিশানা মমতার-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন

রাজ্যে কেন্দ্রীয় দল পাঠানো এবং ১০০ দিনের কাজের টাকা বকেয়া থাকা নিয়ে ফের সরাসরি কেন্দ্রকে নিশানা করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মমতার অভিযোগ, কেন্দ্র শুধু রাজনৈতিক কারণে রাজ্যে আলাদা আলাদা দল পাঠাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর স্পষ্ট অভিযোগ, রাজনৈতিক কারণেই আটকে রাখা হচ্ছে বাংলার ১০০ দিনের কাজের টাকা।

আসলে আবাস যোজনার (Awas Yojona) কাজ খতিয়ে দেখতে আজ বৃহস্পতিবার রাজ্যে এসেছে কেন্দ্রীয় সরকারের এক প্রতিনিধিদল। তাঁরা মালদহ ও পূর্ব মেদিনীপুর ঘুরে দেখবেন। নবান্ন সূত্রে খবর, মোট ছ’জন থাকছেন প্রতিনিধি দলে। তিনজন করে দু’টি টিমে ভাগ হয়ে তাঁরা যাবেন দুই জেলায়। কারণে অকারণে কেন্দ্রের এই দল পাঠানো নিয়ে রীতিমতো বিরক্ত মুখ্যমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার গঙ্গাসাগর (Gangasagar) থেকে ফেরার পথে সরাসরি কেন্দ্রকে নিশানা করে মমতা বলেন, “পলিটিক্যাল কারণে মাঝেমাঝেই এ টিম, বি টিম, সি টিম, এ টু জেড টিম পাঠাচ্ছে। আর কত টিম পাঠাবেন। একটা পটকা থাকলে চলে আসছে এ টিম, কারও ঘরে টাকা থাকলে, নিজস্ব ব্যবসার টাকা থাকলেও চলে আসছে বি টিম।”