ডিসেম্বর ২২, ২০২০ ১২:৪৬ Asia/Dhaka

সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা: ২২ ডিসেম্বর মঙ্গলবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি গাজী আবদুর রশীদ। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি।

বাংলাদেশের শিরোনাম :

  • সীমান্ত সমস্যা নিয়ে বিএনপি'র কর্মসূচি লোক দেখানো-ওবায়দুল কাদের-ইত্তেফাক
  • নির্বাচন কমিশন নিয়ে ৪২ বিশিষ্ট নাগরিকের বিবৃতিকে যেভাবে দেখছে আওয়ামী লীগ-কালের কণ্ঠ
  • হাত ধোয়ার পরামর্শকের জন্য ৫৬ কোটি টাকা-প্রথম আলো
  • দেশে করোনা রোগীর প্রবেশ ঠেকানো যাচ্ছে না-দৈনিক যুগান্তর
  • এমপি পাপুলের স্ত্রী-মেয়েকে ২৮ ডিসেম্বরের মধ্যে আত্ম সমর্পনের নির্দেশ-বাংলাদেশ প্রতিদিন
  • সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল জীবিত না মৃত!-দৈনিক মানবজমিন
  • করোনা নতুন ধরন নিয়ন্ত্রণের বাইরে নয়-ডাব্লিউএইচও-দৈনিক সমকাল

ভারতের শিরোনাম:

  • হাথরস কাণ্ডে গাফিলতি ছিল পুলিশের, দাবি সিবিআই চার্জশিটে-আনন্দবাজার পত্রিকা
  • ধর্মের নামে কেউ বঞ্চিত হবে না আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় শতবর্ষে ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
  • মোদিকে আমেরিকার সর্বোচ্চ সম্মান ‘লিজিওঁ অফ মেরিট’ ট্রাম্পের -দৈনিক আজকাল

পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক।

সীমান্ত সমস্যা নিয়ে বিএনপির কর্মসূচি লোক দেখানো: ওবায়দুল কাদের –দৈনিক ইত্তেফাক

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সীমান্ত সমস্যা নিয়ে বিএনপির কর্মসূচি লোক দেখানো। মঙ্গলবার সকালে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সিলেট-শ্রীমঙ্গল ও সিলেট-হবিগঞ্জ রুটে বিআরটিসি বাস সার্ভিস উদ্বোধন শেষ সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হন। তিনি বলেন, সরকার সীমান্ত এলাকায় স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং উন্নয়নে অত্যন্ত আন্তরিক।

বিএনপির গণতন্ত্র হচ্ছে তাদেরকে নির্বাচনে জয়ী হওয়ার গ্যারান্টি দেওয়া উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, তাদের গণতন্ত্র হচ্ছে হাওয়া ভবনের লুটেরা সাম্রাজ্য পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা এবং নির্বাচনে অংশ নিয়ে ভোটের দিন সরে যাওয়াই বিএনপির গণতন্ত্র।

বিএনপিতে গণতন্ত্রের চর্চা নেই,একথা বলায় মির্জা ফখরুল সাহেব কষ্ট পেয়েছেন - এ প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কাউন্সিল কত বছর আগে হয়েছিলো, হয়তো ফখরুল সাহেব তা ভুলেই গেছেন। তিনি বলেন, আসলে বিএনপির সমস্যা হলো, তারা এখন বহুধাবিভক্ত নেতৃত্বে, তৃণমূলে নয়।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

কালের কণ্ঠের খবর-'সরকার নির্বাচন ব্যবস্থা ভেঙে দেওয়ায় বিশিষ্টজনরা কথা বলছেন'- একথা বলেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন,'এ সরকার বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে দলীয়করণ করেছে। সংসদকে পুরোপুরি অকেজো করেছে। নির্বাচন ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে ভেঙে দিয়েছে। ফলে এখন বিশিষ্ট নাগরিকরা বক্তব্য রাখছেন।'

আজ মঙ্গলবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে গুলশানে অবস্থিত বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মির্জা ফখরুল বলেন, 'এ সরকার সবক্ষেত্রে স্বাধীনতার সব চেতনা ধ্বংস করে দিয়েছে। অর্থনীতিকে বাজে অর্থনীতিতে পরিণত করেছে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে দলীয়করণ করেছে। সংসদকে পুরোপুরি অকেজো করেছে। নির্বাচন ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে ভেঙে দিয়েছে। ফলে এখন বিশিষ্ট নাগরিকরা বক্তব্য রাখছেন।' তিনি বলেন, 'এ সরকার বলছে তারা যথেষ্ট উন্নয়ন করেছে। তারা নিজেদের উন্নয়নের রোল মডেল বলছে।'বিএনপি মহাসচিব বলেন, 'আজকে দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হয়ে পড়ছে। সীমান্তে হত্যা হচ্ছে। রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে দিতে পারছে না। বাস্তবতা হলো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা না থাকলে দেশে কোনো দিন কোনো কিছু সম্ভব হয় না।'

নির্বাচন কমিশন নিয়ে ৪২ বিশিষ্ট নাগরিকের বিবৃতিকে যেভাবে দেখছে আ.লীগ-দৈনিক কালের কণ্ঠ

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে গুরুতর অসদাচরণ এবং দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ৪২ জন বিশিষ্ট নাগরিক যে বিবৃতি দিয়েছেন, তা নিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এমন বিবৃতির পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকার অভিযোগ এনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নেতারা বলেছেন, তারা বিষয়টাকে রাজনৈতিক কৌশলে মোকাবেলা করবেন। অন্যদিকে বিরোধী দল বিএনপি নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিবৃতিকে স্বাগত জানিয়েছে।

দু'দিন আগে ৪২ জন বিশিষ্ট নাগরিক নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিবৃতি দেয়ার পাশাপাশি রাষ্ট্রপতির কাছে চিঠি দিয়ে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠনের দাবি জানিয়েছেন।

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে নির্বাচন পরিচালনায় ব্যর্থতার অভিযোগ অনেক পুরোনো। এখন কমিশনের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মসহ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এনেছেন ৪২ জন বিশিষ্ট নাগরিক।

আওয়ামী লীগের সিনিয়র কয়েকজন নেতা নির্বাচন কমিশন এমন বিবৃতির সাথে বিএনপির যোগসূত্র থাকার অভিযোগ করেছেন। দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং মন্ত্রী ড: আব্দুর রাজ্জাক জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে তারা তাদের দলের উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা করেছেন। তারা মনে করেন, এখন হঠাৎ করে এই বিবৃতি দেয়া হয়েছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থেকে।

ঢাকায় দিনে ৩৯ তালাক-দৈনিক প্রথম আলো

ঢাকায় তালাক বেড়েছে

করোনার এই সময়ে ঢাকায় তালাক বা বিবাহবিচ্ছেদ বেড়ে গেছে। এ বছরের জুন থেকে অক্টোবর পর্যন্ত পাঁচ মাসে ঢাকায় বিবাহবিচ্ছেদ আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ৩০ শতাংশ বেড়েছে। এই সময়ে দৈনিক ৩৯টি তালাকের ঘটনা ঘটেছে, অর্থাৎ প্রতি ৩৭ মিনিটে একটি তালাক হয়েছে। বিবাহবিচ্ছেদ বেড়ে যাওয়ার পেছনে করোনার কারণের তৈরি হওয়া মানসিক, আর্থিকসহ নানামুখী চাপের পাশাপাশি পারিবারিক ও সামাজিক বন্ধন এবং যোগাযোগ কমে যাওয়াকে অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন সমাজবিজ্ঞানীরা।

দেশে করোনা রোগীর প্রবেশ ঠেকানো যাচ্ছে না-বিমান, সৌদিয়াসহ কয়েকটি এয়ারলাইন্সকে জরিমানা, সতর্ক-দৈনিক যুগান্তর

দেশে করোনা রোগীর প্রবেশ ঠেকানো যাচ্ছে না 

শাহজালালসহ দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দর দিয়ে করোনা আক্রান্ত রোগী বিদেশ থেকে দেশে প্রবেশ করছেন। সিভিল এভিয়েশনসহ স্বাস্থ্য অধিদফতরের কড়াকড়ি থাকার পরও প্রবেশ ঠেকানো যাচ্ছে না। গত কয়েকদিনে শুধু শাহজালাল (র.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়েই করোনা সনদ ছাড়া যাত্রী এসেছে ৫শ’র বেশি।

একই ঘটনা ঘটেছে শাহ আমানত ও ওসমানী বিমানবন্দরেও। করোনা নেগেটিভ সনদ ছাড়া কোনো যাত্রীকে বিমানে ওঠানো যাবে না বলে সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা থাকলেও সেটি মানছে না অনেক এয়ারলাইন্স । খোদ রাষ্ট্রীয় ক্যারিয়ার বাংলাদেশ বিমানও সুযোগ পেলেই উপেক্ষা করছে সরকারের এই নির্দেশনা। ইতোমধ্যে এই নির্দেশ অমান্য করায় বিমান, সৌদিয়া এয়ারলাইন্স ও এয়ার এরাবিয়াকে মোটা অংকের টাকা জরিমানা করা হয়েছে। লিখিতভাবে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সগুলোকে।

অভিযোগ আছে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিকেও হেলথ টোকেন দিয়েছে শাহজালাল বিমানবন্দরে কর্মরত স্বাস্থ্যকর্মীরা। সেইসঙ্গে করোনা নেগেটিভ সনদ না থাকলেও অনেককে হেলথ টোকেন দেয়া হচ্ছে। এতে অনেক যাত্রীকে বিদেশ থেকে আবার বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোও হয়েছে। সম্প্রতি শাহজালাল বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এএইচএম তৌহিদ উল আহসান এ নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক বরাবর একটি চিঠিও দিয়েছেন।

এতে বলা হয়েছে, নিয়ম অনুযায়ী কোভিড-১৯ টেস্টের সনদ পরীক্ষা করে শুধু নেগেটিভ সনদধারীদের হেলথ টোকেন দেয়ার নিয়ম। কিন্তু ১৭ নভেম্বর দায়িত্বরত এক স্যানিটারি ইন্সপেক্টর করোনা পজিটিভ সনদ থাকা সত্ত্বেও কয়েকজন যাত্রীকে হেলথ টোকেন দেন। সাউদিয়া এয়ারলাইন্সযোগে ওইসব যাত্রী সৌদি আরব গেলেও পরবর্তীতে তাদের ফেরত পাঠানো হয়।

এছাড়া ২০ নভেম্বর হেলথ ডেস্কে দায়িত্বরত অপর এক স্যানিটারি ইন্সপেক্টর যাত্রীর কোভিড-১৯ পজিটিভ সনদ থাকার পরও হেলথ টোকেন দেন। পরে ওই যাত্রীকে এয়ারলাইন্স কর্তৃক বোর্ডিং কার্ড ইস্যু না করে ফেরত পাঠিয়ে দেন। পরে তাকে বিমানবন্দরের স্বাস্থ্য বিভাগ কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।

নিয়ম অনুযায়ী বিদেশ থেকে কেউ দেশে এলে তার করোনা নেগেটিভ সনদ থাকা বাধ্যতামূলক। বাংলাদেশে আসার আগে সব যাত্রীকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পিসিআর ল্যাবে করোনা পরীক্ষা করাতে হবে। শুধু নেগেটিভ সনদ থাকলেই তারা বাংলাদেশে আসার অনুমতি পাবেন। আর বিমানবন্দরে যাত্রীদের সেই মেডিকেল সনদ দেখাতে হবে। এ নিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হলেও বিমান সংস্থাগুলো সেটি মানছে না।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী বিএমইটি কার্ডধারী বাংলাদেশি কর্মীরা যে দেশে আছেন সেখানকার পিসিআর ল্যাবে করোনাভাইরাস পরীক্ষার ব্যবস্থা সহজলভ্য না হলে তারা অ্যান্টিজেন বা অন্য কোনো গ্রহণযোগ্য পরীক্ষার সনদ নিয়ে দেশে আসতে পারবেন। এছাড়া বিমানবন্দরে কর্মরতদের শারীরিক দূরত্ব নিশ্চিত করাসহ যাত্রী, ক্রু ও উড়োজাহাজ জীবাণুমুক্তকরণ প্রক্রিয়া যথাযথভাবে করতে হবে। বিশেষ করে চীন, সৌদি আরব, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, কাতার, বাহরাইন, তুরস্ক, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, শ্রীলংকা, সিঙ্গাপুর ও যুক্তরাজ্যে চলাচল করা ফ্লাইটের ক্ষেত্রে এ নির্দেশনা কার্যকর।

কিন্তু অনেক বিমান সংস্থা এ নির্দেশনা মানছে না। সম্প্রতি ১০টির বেশি এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে পাঁচশ’র বেশি যাত্রী করোনা সনদ ছাড়াই শাহজালাল বিমানবন্দর দিয়ে দেশে প্রবেশ করেন। কিছুদিন আগে সৌদি এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে মকবুল ও মহসিন নামে দুই যাত্রী করোনা পজিটিভ সার্টিফিকেট থাকার পরও দেশে আসেন। পরে তাদের বিমানবন্দর থেকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।

স্বাস্থ্যবিধি না মানায় সৌদি এয়ারলাইন্সকে দুই লাখ টাকা জরিমানা

স্বাস্থ্যবিধি না মানায় সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইন্সকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করেছেন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কোর্ট। গত ১৫ ডিসেম্বর এ জরিমানা করা হয়। জানা গেছে, ১৪ ডিসেম্বর ২৫৯ জন যাত্রী নিয়ে সৌদি এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইট ঢাকায় আসে। ওই ফ্লাইটের কোনো যাত্রীর কাছে কোভিড পরীক্ষার সনদ ছিল না। প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর ১৫ ডিসেম্বর ঢাকায় অবতরণ করা সৌদি এয়ারলাইন্সের আরও দুটি ফ্লাইটে যথাক্রমে ৩ জন ও ২৫৪ জন যাত্রী আসে কোভিড পরীক্ষার সনদ ছাড়াই।

বিমানবন্দরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আহমেদ জামিল জানান, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) নীতিমালা ছাড়া যাত্রী আনতে হলে বিশেষ ছাড়পত্র থাকতে হবে। কিন্তু সৌদি এয়ারলাইন্সের কর্মীরা অনুমতিপত্র বা ছাড়পত্র কিছুই দেখাতে পারেননি। তিনটি ফ্লাইটের কোভিড সনদবিহীন ৫১৬ জন যাত্রী প্রায় এক কাপড়ে ঢাকায় এসেছেন। কেউ কেউ খালি পায়ে এসেছেন, অনেকের শীতের কাপড়ও ছিল না। সৌদি আরবের কারাগারে সাজা খেটে দেশে ফিরেছেন তারা।

তিনি আরও বলেন, ‘কোভিড সংক্রমণ ঠেকাতে ইতোমধ্যে বাংলাদেশ বিমানসহ সব আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ করে দিয়েছে সৌদি আরব। হজ হয়েছে সীমিত পরিসরে। ওমরাহ পালনের সুযোগ এখনও সীমিত। এই অবস্থায় সৌদি এয়ারলাইন্স যখন কোভিড পরীক্ষা ছাড়া শত শত যাত্রী বিমানে তোলে এবং তাদের পাইলট ও কেবিন ক্রুরা সে সব যাত্রীর সঙ্গে ছয় ঘণ্টা আকাশযাত্রা করেন, তখন আমরা বিস্মিত হই। শুধু সৌদি এয়ারলাইন্সই নয়, এসব কারণে গত কয়েক দিনে দেশি-বিদেশি মোট ১০টি এয়ারলাইন্সকে মোবাইল কোর্টের বিচারের মুখোমুখি হতে হয়েছে।

স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করায় বিমান, মালদ্বীপ ও এয়ার এরাবিয়াকে জরিমানা

স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করে বিদেশ থেকে যাত্রী পরিবহন করায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকেও জরিমানা করেছেন বিমানবন্দর আদালত। মালদ্বীপের একটি এয়ারলাইন্সকে দুই লাখ ৩৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জানা গেছে, রিয়াদ থেকে ৪১৭ যাত্রী নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট ঢাকায় আসে। ওই ফ্লাইটে করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট না থাকায় ১০ যাত্রীকে কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়। এছাড়া করোনায় আক্রান্ত যাত্রী আনায় এয়ার এশিয়াকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করে। মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর থেকে করোনায় আক্রান্ত যাত্রী দেশে আনায় এই জরিমানা করা হয়।

এয়ার এশিয়ার একটি ফ্লাইটে ৯৮ জন যাত্রীর মধ্যে একজন করোনায় আক্রান্ত রোগী ছিল। কুয়ালালামপুর থেকে পাওয়া সনদেও উল্লেখ ছিল তিনি করোনায় আক্রান্ত। বোর্ডিংয়ের সময় বিষয়টি লক্ষ্য না করায় ওই প্রবাসী বাংলাদেশে চলে আসেন। বিমানের একটি ফ্লাইট চার শতাধিক যাত্রীর মধ্যে ৬ যাত্রীর কাছে নির্ধারিত পিসিআর টেস্টের সনদ ও বিএমইটির রেজিস্ট্রেশন না থাকায় তাদের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়। যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে যাত্রী পরিবহন করায় বিমানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

হজরত শাহজালাল বিমানবন্দরে স্বাস্থ্যকর্মীদের দায়িত্বে অবহেলা এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পরিচালকের চিঠি প্রসঙ্গে বিমানবন্দরের স্বাস্থ্য ডেস্কের সহকারী পরিচালক ডা. শাহরিয়ার সাজ্জাদ বলেন, ‘পজিটিভ রোগী এলে এয়ারলাইন্স সেটি ধরতে পারে। এখন থেকে কোনো পজিটিভ রোগী থাকলে সেটা রাউন্ড সার্কেল দিয়ে লাল কালি দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট শাখাকে বলে দেয়া হয়েছে। সার্টিফিকেটের লেখাগুলো রেগুলার ফন্টের। ফলে নেগেটিভ এবং পজিটিভ ভুল হতেই পারে।

আর কিউআর কোড স্ক্যানার আসাতে তারা লেখা না দেখে কোড মেরে দিচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ‘এখন যাত্রী অনেক বেড়েছে। প্রতিদিন ৩০টি ফ্লাইট বিদেশ যাচ্ছে আবার আসছে। একই কাজ করতে করতে ভুলভ্রান্তি হতেই পারে। তবে ভুলের জন্য তাদের কাছ থেকে মুচলেকা নেয়া হয়েছে। পরবর্তী সময়ে যদি এমন হয় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শাহজালাল বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এএইচএম তৌহিদ-উল-আহসান বলেন, আমরা চাই সবাই আরও সতর্কতার সঙ্গেও দায়িত্ব পালন করুক। একজন করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি যদি দেশে-বিদেশে যাওয়ার হেলথ কার্ড পান তাহলে এটা দুঃখজনক। করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি বিদেশে চলে গেলে সেসব দেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়।

 এবার ভারতের কয়েকটি খবরের বিস্তারিত:

ভারতে ধর্মের কোন বিভেদ নেই: মোদি, আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষে ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

ভারতে ধর্মের কোনো বিভেদ নেই। ধর্মের নামে এদেশে কোনো সুযোগ-সুবিধা থেকে কাউকে বঞ্চিত করা হবে না। আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় সমাবর্তন অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

মোদি বলেন, ধর্ম সমাজের একটি অংশ। তবে একমাত্র দিক নয়। এই দেশের উন্নতিতে কিছু অশুভ শক্তি বাধা দিচ্ছে। কিন্তু বরাবরই আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় আধুনিক মুসলিম সমাজ গঠনের কাজ করেছে। আমাদের সরকার তিন তালাক প্রথা বাতিল করে সেই আধুনিক মুসলিম সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে।

ভারতের এই প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার এখন মুসলিম নারীদের শিক্ষায় বিশেষ নজর দিয়েছে।২০১৪ থেকে ২০২০ পর্যন্ত প্রায় এক কোটি মুসলিম নারীকে বৃত্তি দিয়েছে সরকার।

৫৬ বছর পর দ্বিতীয় কোন প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নরেন্দ্র মোদি আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন।

আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষের অনুষ্ঠান উপলক্ষে মোদি এদিন আরো বলেন, ভারতের দিকে এখন সারা বিশ্ব চেয়ে রয়েছে। দেশ এখন এমন রাস্তায় এগোচ্ছে, যেখানে প্রতিটি নাগরিক নিজের সাংবিধানিক অধিকার পাওয়ার ব্যাপারে নিশ্চিত এবং নিশ্চিন্ত।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে মোদি বলেন, আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের দেশের প্রতি কর্তব্য পালন করতে হবে। একই সঙ্গে নিজেদের সম্মান বাড়াতে হবে।

যাদের চোর বলতাম তারাই দলের সম্পদ’, ‘আদি’ বিজেপির পোস্টারে ছয়লাপ গাইঘাটা, অস্বস্তিতে দল-সংবাদ প্রতিদিন

ভোটের দামাদা বেজে গিয়েছে। একুশকে পাখির চোখ করে ইতিমধ্যেই প্রচার শুরু করে দিয়েছে সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলি। থেমে নেই বিজেপিও। দিনকয়েক আগেই বঙ্গ সফরে এসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর হাত ধরেই গেরুয়া শিবিরে যোগ দিয়েছেন নন্দীগ্রাম আন্দোলনের দাপুটে নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই যোগদান অধিকাংশকেই বাড়তি অক্সিজেন দিলেও বিরূপ প্রভাবও ফেলেছে। তার প্রমাণ মিলল গাইঘাটায়।

রাজ্যজুড়ে যোগদান কর্মসূচি করছে বিজেপি (BJP)। মঙ্গলবার উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটায় এই যোগদান কর্মসূচি রয়েছে গেরুয়া শিবিরের। সমস্ত আয়োজন সারা, মঞ্চও প্রস্তুত। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার সকালে মঞ্চের চারপাশে নজরে পড়ে বেশ কিছু পোস্টার। যার কোনওটিতে লেখা, “আমরা কোন বিজেপি?”, কোথাও আবার, “যাদের কে আমরা চোর বলেছিলাম তাঁরা বিজেপির সম্পদ।”, “আম্ফানের টাকা মেরেছে যুবনেতা”, কোথাও “দুর্নীতিগ্রস্ত মণ্ডল সভাপতি দূর হাটো!”, এই সমস্ত পোস্টারের নিচে লেখা, আদি বিজেপি। এই পোস্টারেই প্রকাশিত বিজেপির গোষ্ঠী কোন্দল। প্রাক্তন তৃণমূল নেতাদের যোগদান যে বিজেপির একাংশ মোটেও ভালভাবে নেয়নি, তা কার্যত স্পষ্ট। আর এতেই অস্বস্তিতে পড়েছে জেলা বিজেপি নেতৃত্ব।

অমিত শাহের পাল্টা!‌ ২৯ ডিসেম্বর বোলপুরে হাঁটবেন মমতা-দৈনিক আজকাল

বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Election 2021) মুখে শাসক-বিরোধীর মধ্যে চলছে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। এবার অমিত শাহের রোড শো’র পালটা জবাব দিতে চলেছে তৃণমূল। আগামী ২৯ ডিসেম্বর বোলপুরে রোড শো করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার এই সিদ্ধান্তের কথা জানান বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। রোড শো-তে কমপক্ষে ২ লক্ষ মানুষের জমায়েত হবে বলেই আশাবাদী তিনি।

আগামী বছরেই বিধানসভা নির্বাচন। বাংলার মসনদে কে বসবে, তা নিয়ে শাসক-বিরোধীর মধ্যে চলছে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। বিনা লড়াইয়ে এক ইঞ্চিও জমি ছাড়তে নারাজ দু’পক্ষই। তাই জেপি নাড্ডার কনভয়ে হামলার পরই ফের দু’দিনের বঙ্গ সফরে এসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। সফরের দ্বিতীয় দিনে বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mandal) গড়ে রোড শো করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ডাকবাংলো মোড় থেকে চৌরাস্তা পর্যন্ত ৯০০ মিটার রোড শো’য় কয়েক লক্ষ মানুষ ভিড় জমান বলেই দাবি গেরুয়া শিবিরের। ওই ভিড় নিয়ে শাসকদল তৃণমূলকে খোঁচা দিতেও ছাড়েননি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অমিত শাহ নিজে দাবি করেন, রোড শো’তে এরকম ভিড় কোনওদিন দেখেননি। রোড শো’কে ‘ঐতিহাসিক’ বলেও দাবি করেছিলেন তিনি।

এদিকে, রবিবার ঠিক একই সময় বঙ্গধ্বনি যাত্রা করে তৃণমূল। যার নেতৃত্বে ছিলেন দোর্দণ্ডপ্রতাপ তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল। ওই মিছিলে তেমন ভিড় হয়নি বলেই দাবি। রাজনৈতিক মহলের মতে, বিধানসভা নির্বাচনের মুখে ঘাসফুল শিবিরের কাছে সেটাই এখন অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই অমিত শাহের পালটা হিসাবে আগামী ২৯ ডিসেম্বর বোলপুরে রোড শো করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। কোন পথে রোড শো এগোবে, সে বিষয়ে যদিও এখনও কিছুই জানা যায়নি। সোমবার বিকেল পাঁচটা নাগাদ সাংবাদিক বৈঠক করবেন অনুব্রত মণ্ডল। তিনি এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেন কিনা, সেদিকেই তাকিয়ে সকলে।

অমিত শাহকে ‘মিথ্যার আবর্জনা’ বলে আক্রমণ মমতার-দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা

অমিত শাহকে কটাক্ষ মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর

পশ্চিমবঙ্গের ‘পিছিয়ে পড়া’ নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ যে বক্তব্য দিয়েছেন তা পুরোপুরি মিথ্যা বলে দাবি করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। সোমবার পশ্চিমবঙ্গের সচিবালয় নবান্নে ও পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের বড়দিন উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ দাবি করেন।  খবর আনন্দবাজার।  গত শুক্রবার রাত থেকে রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত দুদিনের সফরে পশ্চিমবঙ্গ আসেন অমিত শাহ। তার সঙ্গে ছিলেন রাজ্য ও কেন্দ্রের নেতারাও। এ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যে এসে সম্পূর্ণ অসত্য তথ্য পরিবেশন করেছেন অমতি শাহ। পাল্টা তথ্য দিয়ে শাহের প্রতিটি অভিযোগ তিনি খণ্ডন করবেন। তবে ক্ষমতাসীন বিজেপি-ও পাল্টা জানিয়েছে, বিতর্কে প্রস্তুত তাদের দল।

জামিন পেলেন গরু পাচার কাণ্ডে অভিযুক্ত BSF কমান্ডান্ট সতীশ কুমার-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন

অবশেষে শর্তসাপেক্ষে জামিন পেলেন গরু পাচার কাণ্ডে ধৃত বিএসএফ (BSF) কমান্ডান্ট সতীশ কুমার। সোমবার ব্যক্তিগত ৫ লক্ষ টাকা বন্ডের বিনিময়ে তাঁর জামিন মঞ্জুর করেছে আসানসোল সিবিআই আদালত।

কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে ধাক্কা দিয়ে এদিন সিবিআইয়ের আইনজীবীর দাবি খারিজ করে দেন বিচারক। বদলে শর্তসাপেক্ষে সতীশ কুমারকে জামিনে মুক্তি দেন তিনি। তবে সিবিআই যখনই ডাকবে, তখনই আদালতে হাজিরা দিতে হবে সতীশ কুমারকে। এই শর্ত আরোপ করে আদালত। কয়েকদিন আগেই কয়লা পাচার চক্রের মূল পাণ্ডা এনামূল হকের সঙ্গে আসানসোল সিবিআই আদালতে তোলা হয় সতীশ কুমারকে। সেখানে তাঁকে ১১ দিনের জেল হেফাজতে পাঠানো হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাস থেকে ২০১৭ মার্চ পর্যন্ত মালদা এবং মুর্শিদাবাদে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ৬টি ইউনিটের দায়িত্বে ছিলেন সতীশ কুমার। সেই সময় তিনি মালদার ৩৬ নম্বর ব্যাটালিয়নের কমান্ডান্ট ছিলেন। তখন পাচারের সময় ২০ হাজার গরু সীমান্তরক্ষী বাহিনী ধরেছিল। পরে সেগুলি নিলাম করা হয়। এতে গরুপিছু ২ হাজার টাকা করে সীমান্তরক্ষী বাহিনী এবং কাস্টমস ৫০০ টাকা করে পেয়েছিল। পাচার চক্রের অন্যতম নায়ক মুর্শিদাবাদের এনামুল হকের (Enamul Haque) কোম্পানির সঙ্গে এদের যোগসাজশ আছে। ২০১৮ সালে বিএসএফের কমান্ডেন্ট টমাস জিবু ম্যাথু কোচি থেকে ৪৯ লক্ষ টাকা-সহ ধরা পড়েন। এরপরেই এনামুলের গরু পাচার সিন্ডিকেটের তথ্য সিবিআইয়ের সামনে আসে। তারপর সিবিআই জানতে পারে এই চক্রে সতীশকুমার–সহ বেশ কয়েক জন অফিসার এবং প্রভাবশালীরা জড়িয়ে আছেন।

পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/‌২২

  • বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।