বিজয়ের ৫৩তম দিবস; প্রাপ্তি প্রত্যাশার খেরো খাতায় নতুন সম্ভাবনার আশা
১৬ ডিসেম্বর বাঙালি জাতির এক অনন্য গৌরবের দিন। ৫৩তম বিজয় দিবসে গভীর কৃতজ্ঞতা ও বিনম্র শ্রদ্ধায় জাতি স্মরণ করছে ত্রিশ লাখ শহীদ, অগণিত মুক্তিযোদ্ধা ও দুই লাখ মা-বোনকে। যাদের অপরিসীম আত্মত্যাগের বিনিময়ে বিশ্ব মানচিত্রে স্বাধীনসার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে। ইতিহাসে রচিত হয় বীর বাঙালির এক গৌরবময় বিজয়গাথা।
বাঙালির এ বিজয়ের আনন্দের সঙ্গে রয়েছে অশ্রুবেদনার এক সংমিশ্রণ। তবু এসেছে স্বস্তি, এসেছে মুক্তি। যে মুক্তির জন্য আমাদের পূর্বসূরিরা যুগযুগ ধরে সংগ্রাম করেছে।
বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্ব মানচিত্রে মাথা তুলে দাঁড়ানো একটি দেশের নাম। জনসংখ্যার ঘনত্ব, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও করোনা মহামারি মোকাবিলা করে ১৭ কোটি জনসংখ্যার দেশ আজ মধ্যম আয়ের দেশের কাতারে।
বাংলাদেশ বর্তমান বিশ্বে উন্নয়নের ‘রোল মডেল’। ইতোমধ্যে অনেক মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে জনগণ এর সুফল ভোগ করছে। আরও অনেক মেগা প্রকল্পের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। কিন্তু এরপরেও নানা সংকটের অগ্নিশিখা বুকে নিয়ে চলছে নানা শ্রেনী পেশার যুবক বৃদ্ধাদের পথচলা। প্রত্যাশা প্রাপ্তির খেরো খাতায় তাদের এখনো আশার প্রদীপ নিভে যায়নি। তারা দেখতে চায় অগ্রগতির বাস্তবিক আরো সফলতা।
বিজয় দিবসের তাৎপর্য ও প্রাপ্তি নিয়ে আগামী প্রজন্ম সুখী ও সমৃদ্ধ এক উন্নত বাংলাদেশে বসবাস করবে। রক্তের ঋণ উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শোধ করতে হবে। আগামীতে স্বাধীনতাকে আরও অর্থবহ এবং এর সুফল জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে সর্বোচ্চ সততা, আন্তরিকতা, নিষ্ঠা, দেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালনের আহবান অগ্রজদের। #
পার্সটুডে/বাদশা রহমান/রেজওয়ান হোসেন/১৬
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।