বঙ্গবন্ধু হত্যায় জিয়া নন, আওয়ামী লীগ নেতারা জড়িত: ফখরুল
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i72928-বঙ্গবন্ধু_হত্যায়_জিয়া_নন_আওয়ামী_লীগ_নেতারা_জড়িত_ফখরুল
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্তব্য করেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জড়িত নন, আওয়ামী লীগের নেতারাই জড়িত। ১৫ আগস্টের পর তাদের নেতারাই শপথ নিয়ে সরকার গঠন করেছিল।
(last modified 2026-04-22T13:03:13+00:00 )
আগস্ট ১৯, ২০১৯ ১৩:৫০ Asia/Dhaka
  • মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
    মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্তব্য করেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জড়িত নন, আওয়ামী লীগের নেতারাই জড়িত। ১৫ আগস্টের পর তাদের নেতারাই শপথ নিয়ে সরকার গঠন করেছিল।

আজ (সোমবার) দুপুরে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনটির নেতাকর্মীদের নিয়ে রাজধানীর চন্দ্রিমা উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত ও ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল।

১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের সাথে জিয়াউর রহমানের নাম জড়িয়ে আওয়ামী লীগের অভিযোগ সম্পর্কে মির্জা ফখরুল বলেন, “এটা ধ্রুব তারার মতো সত্য, জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি কোনোমতেই ১৫ আগস্টের  হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত ছিলেন না। জড়িত ছিল তাদের (আওয়ামী লীগ) লোকেরা। যারা পরবর্তীতে সরকার গঠন করেছে, পার্লামেন্টে গেছে। ইতিহাসই এর প্রমাণ।“

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফর সম্পর্কে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমরা খুব বেশিকিছু প্রত্যাশা করছি না। কারণ আমরা গত ১০-১২ বছর ধরে শুনছি আওয়ামী লীগের সাথে ভারত সরকারের সম্পর্ক সুউচ্চ পর্যায়ে আছে। তো, এখন পর্যন্ত তিস্তা নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আমরা পাইনি। সীমান্তে হত্যা বন্ধ হয়নি। বাণিজ্য ঘটতি পূরণ করার জন্য কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। আমাদের কোনো সমস্যার সমাধান হয়নি। যেটা হয়েছে, ভারতের সমস্যার সমাধান। সেজন্য আমরা খুব বেশি আশাবাদী হতে পারছি না।’

চামড়া শিল্পে সংকট তৈরির জন্য বিএনপি কারসাজি করেছে- শিল্পমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সমস্যা হচ্ছে কী, এরা তো দেশ চালাতে পারছে না। সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। জনগণের ম্যান্ডেট তাদের প্রতি নেই। পার্লামেন্ট বলুন আর সরকারই বলুন, জনগণের প্রতিনিধি নেই। সুতরাং এই ধরনের অর্বাচীনের মতো কথা বলা ছাড়া তাদের তো আর কোনো কিছু করার নেই।

এসময় মির্জা ফখরুল আরো বলেন, একটি অনির্বাচিত অবৈধ সরকার দেশ চালাতে পারে না। তারা সুপরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশের সমস্ত গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করেছে। এখন তারা অর্থনীতিকে ধ্বংস করার জন্য কাজ করছে। তাদের একমাত্র লক্ষ্য হচ্ছে দেশে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েম করা, রাজনীতিক দলগুলোকে বিরাজনীতিকরণের মধ্যে নিয়ে যাওয়া।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘রাজনীতি দূর করে দিয়ে তারা এখানে প্রভুত্ব কায়েম করতে চায়। যেটা সম্ভব হবে না, এই দেশের মানুষ কখনোই সেটা মেনে নেবে না। এদেশের মানুষ অবশ্যই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দেশনেত্রীকে মুক্ত করবে। অতীতের মতো তারা গণতন্ত্রকেও পুনরুদ্ধার করবে।’#

 

পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/১৯