শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওভুক্তিতে ঘুষ-দুর্নীতি সহ্য করা হবে না: দুদক
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i79610-শিক্ষক_কর্মচারীদের_এমপিওভুক্তিতে_ঘুষ_দুর্নীতি_সহ্য_করা_হবে_না_দুদক
বাংলাদেশে নতুন এমপিওভুক্ত (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার) শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওভুক্তিতে কোনওপ্রকার ঘুষ-দুর্নীতি-হয়রানি সহ্য করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।
(last modified 2026-04-10T03:25:29+00:00 )
মে ০৫, ২০২০ ০৯:৪৯ Asia/Dhaka
  • দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ
    দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ

বাংলাদেশে নতুন এমপিওভুক্ত (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার) শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওভুক্তিতে কোনওপ্রকার ঘুষ-দুর্নীতি-হয়রানি সহ্য করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।

আজ (মঙ্গলবার) দুদকের পরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য এ কথা জানিয়েছেন। তিনি জানান, "শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের আলোকে দেশের নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওভুক্তির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে নতুন এমপিওভুক্তিতে সংশ্লিষ্ট একাধিক শিক্ষক-কর্মচারী নামে-বেনামে দুর্নীতি দমন কমিশনে এ মর্মে অভিযোগ জানাচ্ছেন যে, কাগজপত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষার নামে কোনও কোনও উপজেলা শিক্ষা অফিস, জেলা শিক্ষা অফিস এবং আঞ্চলিক শিক্ষা অফিসসমূহের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী তাদের কাছে অনৈতিক অর্থ দাবি করছেন। কমিশনের গোয়েন্দা অনুবিভাগ এসব অভিযোগ দুর্নীতি দমন কমিশনকে অবহিত করেছেন। এ প্রেক্ষাপটে ইকবাল মাহমুদ দুদকের গোয়েন্দা অনুবিভাগ, সকল সমন্বিত জেলা কার্যালয় (সজেকা) এবং বিভাগীয় কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের তাৎক্ষণিক এক বার্তায় নির্দেশনা দিয়েছেন।"

দুদক চেয়ারম্যান বলেছেন, ‘শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওভুক্তিকরণে কোনো প্রকার দুর্নীতি-অনিয়ম-হয়রানি কমিশন সহ্য করবে না। দুদকের জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ ও বিভাগীয় কার্যালয়ের কর্মকর্তাগণ এই এমপিওভুক্তিকরণ কার্যক্রম নিবিড়ভাবে নজরদারি করবেন।’

তিনি বলেন, ‘কোনো অবস্থাতেই কোনো অযোগ্য শিক্ষক যেন ঘুষ প্রদানের মাধ্যমে এমপিওভুক্ত হতে না পারেন। আবার কোনো যোগ্য শিক্ষক-কর্মচারীর কাছ থেকে সংশ্লিষ্ট অফিসের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী যাচাই-বাছাইয়ের নামে ঘুষ গ্রহণ করার সুযোগও যেন না পায়।’

ইকবাল মাহমুদ আরও বলেন, ‘এ কার্যক্রম এমনভাবে মনিটরিং করতে হবে, যাতে কারো পক্ষে ঘুষ দেয়া এবং ঘুষ নেয়ার সুযোগ না থাকে। প্রয়োজনে ফাঁদ মামলা পরিচালনা করে অপরাধীদের আইন-আমলে নিয়ে আসতে হবে। এক্ষেত্রে দুর্নীতি দমন আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। সবাইকে মনে রাখতে হবে ঘুষ নেয়া যেমন ফৌজদারি অপরাধ, তেমনি ঘুষ দেয়াও একই জাতীয় (সমান) অপরাধ। এ অপরাধে যারাই সম্পৃক্ত হবেন তাদেরকে আইনের মুখোমুখি করা হবে।’#

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/৫

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।