৩১ অক্টোবর পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ল: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিশু শিক্ষার্থীরা
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i83523-৩১_অক্টোবর_পর্যন্ত_শিক্ষা_প্রতিষ্ঠানের_ছুটি_বাড়ল_স্বাস্থ্য_ঝুঁকিতে_শিশু_শিক্ষার্থীরা
বাংলাদেশে করোনা মহামারি পরিস্থিতির আশানুরূপ উন্নতি না হওয়ার কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চলতি ছুটি আরো এক দফা বাড়িয়ে তা আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
অক্টোবর ০১, ২০২০ ১৭:২৮ Asia/Dhaka

বাংলাদেশে করোনা মহামারি পরিস্থিতির আশানুরূপ উন্নতি না হওয়ার কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চলতি ছুটি আরো এক দফা বাড়িয়ে তা আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (০১ অক্টোবর) শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে।

গত ১৭ মার্চ থেকে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। কয়েক দফা ছুটি বাড়ানোর পর ৩ অক্টোবর ছুটি শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায়  শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি ষষ্ঠ দফায়  বাড়িয়ে দেওয়া হল।

এদিকে,একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ক্লাস আগামী ৪ অক্টোবর থেকে অনলাইনে শুরু হবে। কোভিড ১৯-এর কারণে স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায়  এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এত দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকা অবস্থায় শিক্ষার্থীদের পড়া-লেখা কিছুটি পুষিয়ে নেবার উপায় হিসেবে টেলিভিশনের মাধ্যমে পাঠদান ও অনলাইন ভার্চুয়াল মাধ্যমে ক্লাস পরিচালনার ব্যবস্থা করা হয়।

তবে করোনাকালে মাসের পর মাস ঘরে বন্দি থেকে এবং দীর্ঘ সময় অনলাইন ক্লাসে বসে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়েছে শিশু শিক্ষার্থীরা। শারীরিক সমস্যার পাশাপাশি দেখা দিচ্ছে মানসিক চাপও। আসক্তি বাড়ছে ইলেকট্রনিক ডিভাইসের প্রতি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন,দীর্ঘক্ষণ এসব ডিভাইস ব্যবহারে রেডিয়েশনের প্রভাবে শিশুদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. সাঈদা আনোয়ার বলেন,স্ক্রিনের দিকে অনেকক্ষণ তাকিয়ে থাকলে চোখের উপর স্ট্রেস পড়ে। তারপরে কানে শুনতে হয়। কন্টিনিউয়াস একটা এটেনশনে থাকতে হয়। যা বাচ্চাদের জন্য একটা মানসিক প্রেসার।'

মনোরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. মোহিত কামাল বলেন,"বাচ্চাদের মানসিক চাপ তৈরি হয়। চাপে পড়লে সে রেগে যাবে,ক্ষেপে যাবে,বিরক্তি হবে। বাবা,মা'র কিন্তু একটাই টার্গেট,বাচ্চাকে পড়াশুনা করতে হবে। সেটাই কিন্তু ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বাচ্চার আবেগকে বাচ্চা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না।

এ অবস্থায় অভিভাবকদের যত্নশীল হওয়ার পাশাপাশি সন্তানদের কিছুটা সময় সৃজনশীল বিভিন্ন কাজ বা ঘরের কাজে যুক্ত রাখার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যেই  উদ্বেগের কথা জানিয়েছে বিশ্ব শিশু সংস্থা ইউনিসেফ। একই  সঙ্গে অভিভাবকদেরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।#

পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/গাজী আবদুর রশীদ/১