ফেনীতে লংমার্চে হামলার প্রতিবাদে ও ধর্ষণ-নিপীড়ন বন্ধের দাবিতে শাহবাগে অবরোধ
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i84039-ফেনীতে_লংমার্চে_হামলার_প্রতিবাদে_ও_ধর্ষণ_নিপীড়ন_বন্ধের_দাবিতে_শাহবাগে_অবরোধ
ফেনীতে ধর্ষণবিরোধী লংমার্চে হামলার প্রতিবাদে বাংলাদেশের রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করেছেন বিক্ষোভকারীরা। এ সময় তারা ধর্ষণ-নিপীড়ন বন্ধের দাবিতে মিছিলও করেন।
(last modified 2026-04-10T03:25:29+00:00 )
অক্টোবর ২১, ২০২০ ১১:১৭ Asia/Dhaka
  • ফেনীতে লংমার্চে হামলার প্রতিবাদে ও ধর্ষণ-নিপীড়ন বন্ধের দাবিতে শাহবাগে অবরোধ

ফেনীতে ধর্ষণবিরোধী লংমার্চে হামলার প্রতিবাদে বাংলাদেশের রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করেছেন বিক্ষোভকারীরা। এ সময় তারা ধর্ষণ-নিপীড়ন বন্ধের দাবিতে মিছিলও করেন।

আজ (বুধবার) দুপুরের দিকে বিভিন্ন সংগঠনের সাথে যুক্ত একদল বিক্ষোভকারী রাস্তায় নেমে সেখানে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। এসময় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করায় শাহবাগ এবং আশপাশের এলাকার বিভিন্ন সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে ভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ মানুষ।

অবরোধ শুরুর আগে বামপন্থী সংগঠনগুলোর নেতা-কর্মীরা জাতীয় জাদুঘরের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন। সেখানে ছাত্র ইউনিয়নের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক রাগীব নাঈম বলেন, ‘ব্রিটিশেরা চলে যাওয়ার পর পাকিস্তানিরা আমাদের অধিকার হরণ করেছে। বাংলাদেশ আমলেও তা-ই চলছে। নারী-পুরুষসহ সব মানুষের ওপর এখন নিপীড়ন চলছে। এই রাষ্ট্র হয়ে উঠেছে ধর্ষক ও বিচারহীনতার। একে আমরা উৎখাত করব।’

সমাবেশের ফাঁকে ফাঁকে বর্তমান সরকারের পদত্যাগ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অপসারণ ও ধর্ষকদের বিচারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন বিক্ষোভকারীরা।

ধর্ষণ, যৌন হয়রানি ও নারীদের প্রতি সহিংসতার ক্রমবর্ধমান ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকা থেকে নোয়াখালী যাওয়ার পথে গত ১৭ অক্টোবর ফেনীতে একটি লংমার্চে হামলা চালানো হয়। স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ নেতারা ওই হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেন লংমার্চের আয়োজনকারী বামপন্থী সংগঠনের নেতারা।

বামপন্থী সংগঠন, ছাত্র, যুবক এবং মানবাধিকার কর্মীসহ বিক্ষোভকারীরা, “ধর্ষণ ও বিচারহীনতার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ” ব্যানারে নয় দফা দাবিতে তাদের লংমার্চ শুরু করেন।

সিলেট এমসি কলেজ এবং নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় সাম্প্রতিক গণধর্ষণের ঘটনার পর অক্টোবরের শুরু থেকেই দেশজুড়ে ধর্ষণ ও সহিংসতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ শুরু হয়।

ধর্ষণের ক্রমবর্ধমান ঘটনার বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভের প্রেক্ষিতে, ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি হিসাবে কারাদণ্ডের পরিবর্তে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার অনুমতি দিয়ে একটি অধ্যাদেশ জারি করেন প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ।#

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/২১

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।