আলজাজিরার এক রিপোর্টেই ক্ষমতাসীন দলের সবাই দিল্লিতে ধর্ণা দিচ্ছে: রিজভী
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i87426-আলজাজিরার_এক_রিপোর্টেই_ক্ষমতাসীন_দলের_সবাই_দিল্লিতে_ধর্ণা_দিচ্ছে_রিজভী
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আলজাজিরার এক রিপোর্টেই ক্ষমতাসীন দলের সবাই দিল্লিতে ধর্ণা দিচ্ছে। তবে জনভিত্তি না থাকলে হিল্লি-দিল্লি দৌড়েও কোনো লাভ হবে না। আজ সোমবার দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় এক বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২১ ১৪:৩৭ Asia/Dhaka
  • বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী
    বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আলজাজিরার এক রিপোর্টেই ক্ষমতাসীন দলের সবাই দিল্লিতে ধর্ণা দিচ্ছে। তবে জনভিত্তি না থাকলে হিল্লি-দিল্লি দৌড়েও কোনো লাভ হবে না। আজ সোমবার দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় এক বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে রিজভী বলেন, আলজাজিরার একটি প্রতিবেদনে আপনার রাজসিংহাসন থরথর করে কেঁপে উঠল। আপনার গোয়েন্দা বাহিনীর প্রধান, আমলাদের প্রধান, পুলিশ বাহিনীর প্রধান সব দিল্লিতে যাচ্ছে। কারণ, আপনার ক্ষমতার উৎস তো জনগণ নয়। জিয়াউর রহমান বারবার বলেছেন, জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস। এটা জিয়াউর রহমানের একটি মহান বাক্য মানুষের মুখেমুখে।

রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী আপনি কি আয়নার দিকে তাকান না? আপনি কি আপনার মন্ত্রিপরিষদের দিকে তাকান না? আপনি কাদেরকে সেখানে রেখেছেন? শেখ মুজিবের হত্যাকারী যাদেরকে বলা হচ্ছে তাদেরকে দেশ থেকে বাইরে পাঠিয়ে দেয়ার যখন ব্যবস্থা করা হয় তখনতো জিয়াউর রহমান বন্দি ছিলেন। গৃহবন্দি ছিলেন। তখন তো আপনাদের সমর্থনেই একটি ‘ক্যু’ হয়েছিল খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে। সেদিন আমরা টেলিভিশনে দেখেছি, খালেদ মোশাররফের মা-ভাই বঙ্গবন্ধুর ছবি নিয়ে ৩২ নম্বরে মিছিল করেছে। সেই খালেদ মোশাররফই তো আপনার পরিবারের হত্যাকারীদের থাইল্যান্ডে পাঠিয়ে দিয়েছে। এ কথা আপনার মন্ত্রীরা বলে না কেন? আপনার নেতারা বলে না কেন? সেদিন তো খালেদ মোশাররফ ক্ষমতায়। তাহলে তারা জিয়াউর রহমানের কথা বলছে কেন? জিয়াউর রহমান তো চাকরি করতেন। তিনি সেকেন্ড ম্যান ছিলেন, এক নম্বর ব্যক্তিও ছিলেন না।

প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি আরো বলেন, মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের মাধ্যমে আপনি কোন মুখে জিয়াউর রহমানের খেতাব বাতিলের কথা বলেন? এটাতো প্রতিহিংসা। এই প্রতিহিংসা করতে গিয়ে আপনি একের পর এক রাষ্ট্র নিয়ে, দেশ নিয়ে, দেশপ্রেম নিয়ে যে কাজগুলো করছেন এটা ইতিহাসের ‘জঘন্যতম কালো অধ্যায়’ হিসেবে রচিত হবে।

বিক্ষোভ সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী অ্যানী ও নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট নিপুন রায় চৌধুরী প্রমুখ।#

পার্সটুডে/ বাবুল আখতার /১৫

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।