স্বাধীনতার মিথ্যা ঘোষকের কোনো ঠিকানা আন্তর্জাতিকভাবেও থাকবে না: শেখ হাসিনা
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i88958-স্বাধীনতার_মিথ্যা_ঘোষকের_কোনো_ঠিকানা_আন্তর্জাতিকভাবেও_থাকবে_না_শেখ_হাসিনা
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, "জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর ইতিহাস থেকে তার নামটা মুছে ফেলার আপ্রাণ চেষ্টা হয়েছিল। স্বাধীনতার ঘোষক হিসাবে জিয়াকে দাঁড় করানো হয়েছিল। স্বাধীনতার নায়ক বানানো হয়েছিল। মিথ্যা ঘোষক হওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল, আজকে আন্তর্জাতিকভাবেও সেই ঘোষকের আর কোনো ঠিকানা থাকবে না।"
(last modified 2026-06-16T05:39:17+00:00 )
মার্চ ২১, ২০২১ ১৩:০৫ Asia/Dhaka
  • শেখ হাসিনা
    শেখ হাসিনা

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, "জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর ইতিহাস থেকে তার নামটা মুছে ফেলার আপ্রাণ চেষ্টা হয়েছিল। স্বাধীনতার ঘোষক হিসাবে জিয়াকে দাঁড় করানো হয়েছিল। স্বাধীনতার নায়ক বানানো হয়েছিল। মিথ্যা ঘোষক হওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল, আজকে আন্তর্জাতিকভাবেও সেই ঘোষকের আর কোনো ঠিকানা থাকবে না।"

আজ (রোববার) দুপুরে রাজধানীর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০১তম জন্মবার্ষিকীর আলোচনা সভায় তিনি এমন  মন্তব্য করেন।

১৫ আগস্ট জাতির পিতার হত্যাকাণ্ডের নির্মম বর্বরতার কথা বিভিন্ন প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন বঙ্গবন্ধু কন্যা। তিনি বলেন, "এইভাবে তাকে হত্যা করা হবে, এটি বোধহয় তিনি কখনো কল্পনাও করতে পারেননি, বিশ্বাসও করতে পারেননি। তার কারণ ছিল বাংলাদেশের মানুষকে তিনি গভীরভাবে ভালোবেসেছিলেন।"

বঙ্গবন্ধুর শৈশব স্মৃতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরে তার বড় মেয়ে শেখ হাসিনা বলেন, "দুভার্গ্যরে বিষয় হল সেই দীর্ঘ সংগ্রামের পথ বেয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আমাদের যে স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন, অথচ সেই স্বাধীন দেশেই তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হলো। শুধু হত্যা করা না, হত্যার পর ইতিহাস থেকে তার নামটা মুছে ফেলার আপ্রাণ চেষ্টা। এখানে স্বাধীনতার ঘোষক দাঁড় করানো হলো। স্বাধীনতার নায়ক বানানো হল। স্বাধীনতার ইতিহাস পাল্টে দেওয়া হলো।"

তিনি বলেন, "এই বাংলাদেশে এমন একটা সময় ছিল যে বঙ্গবন্ধুর নামটা পর্যন্ত নেওয়া যেত না। তার নামটা নেওয়া যেন নিষিদ্ধ ছিল। যে মহান মুক্তিযুদ্ধে লাখো শহীদ রক্ত দিয়েছে, কত মা-বোন ইজ্জত দিয়েছে, কত মানুষ আপনজন হারিয়েছে, গৃহহারা হয়েছে— এই যে এতো বড় একটা বিশাল অবদান; সেই অবদানের মধ্য দিয়ে আমরা পেয়েছিলাম স্বাধীনতা। কিন্তু স্বাধীন বাংলাদেশে ৭৫’র পর এমন একটা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল, যে যারা মুক্তিযুদ্ধ করেছিল তারা নিজেরা যে বলবে, আমি মুক্তিযুদ্ধ করেছি; সেই কথাটা বলার মতো সাহস তাদের ছিল না। সে সাহসটাও হারিয়ে ফেলেছিল। কারণ তাহলেই নির্যাতনের শিকার হতে হতো।"

শেখ হাসিনা বলেন, "আজকে জাতির পিতার জন্মদিন আমরা পালন করছি। আমি বাংলাদেশের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞ। আমি আমার দল, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং তার সহযোগী সংগঠনের সকল নেতাকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞ।"

অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এ ছাড়া বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, আব্দুর রাজ্জাক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, মির্জা আজম, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ওয়াসিকা আয়েশা খান, শিক্ষা সম্পাদক শামসুন্নাহার চাঁপা, আন্তর্জাতিক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ উত্তরের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান এবং দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির। এ ছাড়া সভায় দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্যরাসহ ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/২১

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।