‘জনসংখ্যাকে দক্ষ জনসম্পদে রূপান্তর করতে কাজ করছে সরকার’
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i9127-জনসংখ্যাকে_দক্ষ_জনসম্পদে_রূপান্তর_করতে_কাজ_করছে_সরকার’
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে সঙ্কট নয়, সম্পদ বলে মন্তব্য করেছেন। একইসঙ্গে তিনি এই সম্পদকে জনসম্পদে রূপান্তর করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
(last modified 2026-06-24T09:59:37+00:00 )
মে ১২, ২০১৬ ১৫:৩৭ Asia/Dhaka
  • শেখ হাসিনা (ফাইল ফটো)
    শেখ হাসিনা (ফাইল ফটো)

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে সঙ্কট নয়, সম্পদ বলে মন্তব্য করেছেন। একইসঙ্গে তিনি এই সম্পদকে জনসম্পদে রূপান্তর করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

আজ (বৃহস্পতিবার) বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারস-এর জাতীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের জনসংখ্যা অনেক বেশি বলে অনেকে মনে করেন। কিন্তু আমি মনে করি, এ বিশাল জনগোষ্ঠী আমাদের সম্পদ, যা পৃথিবীর বেশিরভাগ দেশেই নেই। এ সম্পদকে দক্ষ জনসম্পদে রূপান্তরিত করতে কাজ করছে সরকার। শিক্ষিত ও দক্ষ-যোগ্য করে তুলে এদেশের মানুষকে জনসম্পদে পরিণত করব।

মানুষকে উন্নয়নের হাতিয়ার হিসেবে গড়ে তুলতে কারিগরি শিক্ষারে প্রসার ও এর উন্নয়ন করার নানা উদ্যোগ ও পরিকল্পনাও তুলে ধরেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, আগে আমরা বলতাম, দু’টি সন্তানই যথেষ্ট, একটি হলে ভালো হয়। কারো যদি ৫টি সন্তান হয় বাবা-মা কি ফেলে দিতে পারে? মানুষগুলোকে জনসম্পদে পরিণত করব এটাই লক্ষ্য।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অন্য দেশগুলো আমাদের মতো এতো তরুণ মানুষের সম্পদের অধিকারী নয়। সেসব বৃদ্ধদের দেশ হয়ে গেছে। আর আমরা সেসব দেশের উন্নয়নে আমরা লোক দেই। আমাদের দেশ এমন সঙ্কটে পড়ুক তা আমরা চাই না।

কারিগরি শিক্ষা ও এর উন্নয়নে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, শিক্ষা নীতিমালায় কারিগরি শিক্ষায় গুরুত্ব দিয়েছি। অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষায় নিয়ে এসেছি এবং এ সময় থেকেই কারিগরি শিক্ষা পাচ্ছে শিক্ষার্থীরা। মেয়েদের জন্য ২৫টি পলিটেকনিট ইনস্টিটিউট স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ঢাকায় একটি টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হয়েছে। দেশের ৬৪টি টেকনিক্যাল কলেজে ডিপ্লোমা ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বেসরকারি ৪ শতাধিক পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটকে অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

বেতন-বৈষম্য দূরীকরণের জন্য পলিটেকনিক শিক্ষকদের স্পেশাল ইনক্রিমেন্ট প্রদানের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়কে বলা হয়েছে। শিক্ষক সঙ্কটের সমাধান করা হয়েছে। লেকচারার-প্রফেসর পদে নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে।

অন্য যেসব সমস্যা রয়েছে সেগুলোরও সমাধান হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে দেওয়া সুপারিশ বাস্তবায়নের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে দু’টি আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। আশা করি, আপনাদের বাকি সমস্যারও সমাধান হবে।#

আবদুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/১২