রংপুরে হামলার নেতৃত্ব দিয়েছে সরকারের লোকজন: মির্জা ফখরুল
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i99062-রংপুরে_হামলার_নেতৃত্ব_দিয়েছে_সরকারের_লোকজন_মির্জা_ফখরুল
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করে বলেছেন, সরকার দেশের মানুষের নিরাপত্তা দিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। ভোটের অধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার নিয়ে দেশের মানুষের দৃষ্টিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতেই সরকার বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রদায়িক হামলার সৃষ্টি করে অস্থিতিশীল করছে দেশকে। যার প্রমাণ রংপুরে হামলার নেতৃত্ব দিয়েছে সরকারের লোকজন। সেই সঙ্গে রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা দিতেও সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে সরকার। 
(last modified 2026-04-10T03:25:29+00:00 )
অক্টোবর ২৪, ২০২১ ১০:০৪ Asia/Dhaka
  • হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজারে মোনাজাত করছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম
    হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজারে মোনাজাত করছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করে বলেছেন, সরকার দেশের মানুষের নিরাপত্তা দিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। ভোটের অধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার নিয়ে দেশের মানুষের দৃষ্টিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতেই সরকার বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রদায়িক হামলার সৃষ্টি করে অস্থিতিশীল করছে দেশকে। যার প্রমাণ রংপুরে হামলার নেতৃত্ব দিয়েছে সরকারের লোকজন। সেই সঙ্গে রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা দিতেও সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে সরকার। 

আজ (রোববার) সকালে সিলেটে হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজার জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। সুনামগঞ্জের সাবেক বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য ও সাবেক হুইপ ফজলুল হক আসপিয়ার শোকসভায় যোগ দিতে সকালে সিলেটে পৌঁছান মির্জা ফখরুল ইসলাম। পরে স্থানীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের রোগমুক্তির জন্য শাহজালালের মাজার জিয়ারত করে মোনাজাত করেন তিনি। 

জিয়ারত শেষে মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাইয়েরা অথবা বৌদ্ধ-খ্রিস্ট সম্প্রদায়ের যাঁরা আছেন, তাঁদের যে ধর্ম-বিশ্বাস পালন, যে উপাসনালয়গুলো আছে—এগুলোরও নিরাপত্তা সরকার দিতে পারেনি। একই সঙ্গে আমাদের বৃহত্তর জনগোষ্ঠী যারা আছে, ইসলাম ধর্ম যারা বিশ্বাস করে, তাদেরও এখানে কোনো নিরাপত্তা নেই।’

বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, সম্প্রতি যে সাম্প্রদায়িক সমস্যাটা তৈরি হয়েছে, সেগুলোর নেতৃত্ব দিচ্ছে কারা? নেতৃত্ব দিচ্ছে ছাত্রলীগের ছেলেরা, নেতৃত্ব দিচ্ছে আওয়ামী লীগের লোকেরা। আজও পত্রিকায় এসেছে যে—রংপুরের যে ঘটনাটা ঘটেছে, সেখানে নেতৃত্ব দিয়েছে সৈকত নামের ছাত্রলীগের এক নেতা।’

ফখরুল বলেন, জনগণের সঙ্গে যেহেতু সরকারের কোনো যোগাযোগ নেই। জনগণের ভোট যেহেতু সরকার পায় না, তাই জনগণের দৃষ্টিটাকে ভোটের অধিকার থেকে দৃষ্টি সরাতে তারা এই ঘটনাগুলো ঘটাচ্ছে।’

বাংলাদেশে নির্বাচনের কোনো পরিবেশ নেই মন্তব্য করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, এই অনির্বাচিত সরকার, অবৈধ সরকার, যারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়নি, তারা নির্বাচন নির্বাচন খেলা করে গত দুটি টার্ম জোর করে ক্ষমতায় বসে আছে। ওই নির্বাচনে তখনই আমরা অংশগ্রহণ করব, যখন নির্বাচনের সত্যিকারের পরিবেশ তৈরি হবে। এবং আমরা খুব পরিষ্কার করেই বলেছি যে, আওয়ামী লীগের অধীনে কোনো সুষ্ঠু, অবাধ, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব নয়। সে জন্যেই নির্বাচনকালীন সময়ে একটি নিরপেক্ষ সরকার, নির্দলীয় সরকারের অধীনে নতুন নির্বাচন কমিশনের পরিচালনায় নির্বাচনে আমরা অবশ্যই অংশগ্রহণ করব। এবং সে জন্যই আমরা আন্দোলন করছি।’

এ সময় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, বিএনপি নেতা কাইয়ুম চৌধুরী, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আবুল কাহের শামীমসহ বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। #

পার্সটুডে/এআর/২৩